গোপালগঞ্জের সাবেক ভিসির দুর্নীতি অনুসন্ধানে দুদক | বিশ্ব | DW | 13.11.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ

গোপালগঞ্জের সাবেক ভিসির দুর্নীতি অনুসন্ধানে দুদক

গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য খোন্দকার নাসিরউদ্দিনের বিরুদ্ধে ওঠা অর্থ আত্মসাৎ ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)৷

দুদক পরিচালক শেখ মো. ফানাফিল্যাহকে এ অভিযোগের অনুসন্ধান কর্মকর্তা হিসেবে বুধবার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে৷

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে গত ৩০ সেপ্টেম্বর উপাচার্যের পদ থেকে পদত্যাগ করেন নাসিরউদ্দিন৷ তার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহারসহ দায়িত্ব পালনকালে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সাধারণ শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে মাত্রাতিরিক্ত ভর্তি ফি, হল ভাড়া, ক্রেডিট ফি, চিকিৎসা ফি আদায় করেছে শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেছিলেন৷

এসব নিয়ে ফেইসবুক পোস্টের জন্য গত ১১ সেপ্টেম্বর একটি দৈনিকের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক ও আইন বিভাগের এক শিক্ষার্থীকে সfময়িক বহিষ্কার করার পর উপাচার্য নাসিরের বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করেন শিক্ষার্থীরা৷ এর মধ্যে ওই শিক্ষার্থী ও উপাচার্যের কথোপকথনের একটি অডিও ভাইরাল হয়, যেখানে ওই ছাত্রীকে বকাঝকা ও হুমকি-ধমকি দিতে শোনা যায় উপাচার্যকে৷ মেয়েটির বাবাকে নিয়েও তীর্যক মন্তব্য করেন তিনি৷

ওই অডিও ছড়িয়ে পড়ার পর দেশজুড়ে নাসিরউদ্দিনের সমালোচনার পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ে তার বিরুদ্ধে আন্দোলন জোরদার হয়৷ বিক্ষোভের মুখে ১৮ সেপ্টেম্বর ওই শিক্ষার্থীর বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন৷

পরদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে ১৪টি বিষয়ে আশ্বাস দেওয়া হলেও তাতে সন্তুষ্ট না হয়ে শিক্ষার্থীরা উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে অনশনসহ আন্দোলন অব্যাহত রাখেন৷ এই আন্দোলন ঠেকাতে ২১ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করেন উপাচার্য৷ শিক্ষার্থীরা তার প্রতিবাদ করলে বহিরাগতরা তাদের উপর হামলা চালায়

পরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে একটি তদন্ত কমিটি করে ইউজিসি৷ তদন্ত প্রতিবেদনে উপাচার্যের পদ থেকে নাসিরউদ্দিনকে সরানোর সুপারিশ করলে ২৯ সেপ্টেম্বর ক্যাম্পাস ছাড়েন তিনি, পরদিন পদত্যাগ করেন৷

নাসিরউদ্দিনের পদত্যাগের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর, চট্টগ্রাম, বরিশাল, ইসলামিক আরবী, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়,  শেরেবাংলা কৃষি, বেগম রোকেয়া, হাজী দানেশ এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিদের বিরুদ্ধে অভিযোগের তদন্ত শুরু করে ইউজিসি৷ তবে এসব বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন এখনও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জমা পড়েনি৷

এসআই/কেএম (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন