গান গাইলে রোগীদের শরীর-মনের উন্নতি হয় | অন্বেষণ | DW | 23.02.2021
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

অন্বেষণ

গান গাইলে রোগীদের শরীর-মনের উন্নতি হয়

সুন্দর গান শুনলে কার না মন ভালো হয়? একাধিক গবেষণা অনুযায়ী গান গাইলে শরীর-মন-স্বাস্থ্যেরও উপকার হয়৷ এমনকি কঠিন রোগের চিকিৎসার সময়েও রোগীদের দিয়ে গান গাওয়াচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা৷

ইয়োসেফিনে ও তার মা স্পিচ থেরাপিস্টের কাছে যাচ্ছেন৷ জন্মের সময়েই তার হৃৎপিণ্ডে ত্রুটি ধরা পড়েছিল৷ ফলে স্বাভাবিক বিকাশে বিলম্ব ঘটছে৷ একেবারে শিশু বয়স থেকেই ইয়োসেফিনে থেরাপির জন্য এফা ক্যোস্টার্সের কাছে আসছে৷ তিনি বলেন, ‘‘ইয়োসেফিনের মতো অনেক শিশুর জন্য গানের মাধ্যমে থেরাপি অনেক সহজ হয়৷ কারণ খেলাচ্ছলে এমন অনুশীলন মোটেই থেরাপির মতো মনে হয় না৷ গান গাইলে সুর ও তালের মাধ্যমে মস্তিষ্কের অনেক অংশ সত্যি সক্রিয় হয়ে ওঠে৷ একদিকে সেটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ৷ সেগুলি মস্তিষ্কের অ্যাকুস্টিক, অডিটিভ, ভিশুয়াল ও মোটরের মতো অংশ৷ বিশেষ করে শিশুদের থেরাপির সময় এগুলি অত্যন্ত কাজে লাগে, কারণ এর মাধ্যমে তাদের মনোনিবেশ করার ক্ষমতা সত্যি বেড়ে যায়, তারা আরও দ্রুত সাড়া দেয়৷ শব্দভাণ্ডার বাড়ানোর মতো থেরাপির ক্ষেত্রে এই প্রক্রিয়া কাজে লাগানো হয়৷’’

এদিকে শিয়াল চুরি করতে গিয়ে ধরা পড়েছে৷ গানের মধ্যেই সেই গল্প বলা হচ্ছে৷ ইয়োসেফিনে গোটা বিষয়টা বেশ উপভোগ করছে৷ এফা ক্যোস্টার্স এ প্রসঙ্গে মনে করিয়ে দিলেন, ‘‘গান গাইতে হলে কিছু শব্দ ও পংক্তি মনে রাখতে হয়৷ গানে একই অংশ বার বার ফিরে আসে বলে নতুন শব্দ ভালো করে শেখানো যায়৷’’

তবে শুধু ইয়োসেফিনের মতো কম বয়সি রোগীর ক্ষেত্রেই গান কাজে লাগে না৷ একের পর এক হাসপাতালে গান গাওয়ার থেরাপির চল বেড়ে চলেছে৷ গান গেয়ে কারো মনে আনন্দ হয়, তারুণ্য জেগে ওঠে৷ অনেকের মন হালকা হয়ে যায়৷

গান গাওয়ার মাধ্যমে চিকিৎসার সময়ে রোগীদের মনোযোগ অন্য বিষয়ে সরিয়ে নেওয়া যায়, তাদের মনে সাহস জোগানো যায়৷ এর বাড়তি কিছু সুবিধাও রয়েছে৷ ক্যানসার বিশেষজ্ঞ প্রোফেসর মাইকে ডে ভিট মনে করেন, ‘‘আসলে গান গাইলে সব রোগীরই উপকার হয়৷ বিশেষ করে যে সব রোগীর শ্বাসপ্রশ্বাসের সমস্যা রয়েছে, তাদের জন্য তো বটেই৷ গান গাওয়ার সময় গভীর শ্বাস নিতে হয়৷ অনেক সময় জুড়ে নিঃশ্বাস বের করতে হয়, শ্বাসপ্রশ্বাস ভালোভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হয়৷’’

বিশেষ করে ফুসফুস ক্যানসারের রোগীদের জন্য প্রোফেসর ডে ভিট গানের থেরাপি প্রয়োগ করতে চান৷ প্রো. ডে ভিট বলেন, ‘‘আমি এমন অনেক রোগীকে চিনি, টিউমারের কারণে অনেক মানুষের সঙ্গে গান গাইতে যাদের বেশ ভয় করে৷ তারা নিজেদের এবং বাকিদের কণ্ঠ শোনে৷ এমন সমবেত অনুভূতির ফলে তাদের মন থেকে ভয় দূর হয়৷ সংগীতের সার্বিক অভিজ্ঞতার মধ্যে তারা নিজেদের দুর্বলতা ভুলে যায়৷ অসাধারণ ব্যাপার৷’’

অসংখ্য গবেষণায় একই ফল উঠে এসেছে৷ গান গাইলে আমাদের স্বাস্থ্য নানাভাবে উপকৃত হয়৷

অ্যানি হফমান/এসবি

নির্বাচিত প্রতিবেদন

ইন্টারনেট লিংক

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন