গাজা ও ইসরায়েলের মধ্যে অস্ত্রবিরতি | বিশ্ব | DW | 06.05.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

মধ্যপ্রাচ্য

গাজা ও ইসরায়েলের মধ্যে অস্ত্রবিরতি

সপ্তাহান্তে গাজা ও ইসরায়েলের দক্ষিণে ব্যাপক সংঘর্ষ ও হিংসালীলার পর মিশরের মধ্যস্থতায় সোমবার পরিস্থিতি শান্ত হয়েছে৷ ইসরায়েল অবশ্য এখনো কোনো বোঝাপড়ার উল্লেখ করেনি৷

হামাস নিয়ন্ত্রিত গাজা ও ইসরায়েলের মধ্যে বিচ্ছিন্ন সংঘর্ষের ঘটনা বিরল নয়৷ ফিলিস্তিনি উগ্রপন্থিরা গাজা থেকে ইসরায়েলের দিকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করলে ইসরায়েল পালটা আঘাত হানে৷ কিন্তু গত শুক্রবার থেকে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ মারাত্মক আকার নিয়েছিল৷ এ দিন ইসলামি জিহাদ গোষ্ঠীর এক বন্দুকবাজ ইসরায়েলি সৈন্যদের দিকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়লে ২ জন সৈন্য আহত হয়৷ ২০১৪ সালের যুদ্ধের পর এত বড় আকারের সংঘর্ষ দেখা যায় নি৷ ২০০৮ সাল থেকে দুই পক্ষের মধ্যে ৩ বার যুদ্ধ হয়েছে৷

রবিবার গাজা থেকে ছোড়া রকেট ও ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ইসরায়েলে ৪ জন নিরীহ মানুষ নিহত হয়েছে৷ তাদের মধ্যে অন্তঃসত্ত্বা নারী ও শিশুও ছিল৷ ইসরায়েলি হামলায় গাজায় কমপক্ষে ১৯ জন নিহত হয়েছে৷ ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর সূত্র অনুযায়ী, গাজা থেকে ৬০০-রও বেশি রকেট, ক্ষেপণাস্ত্র ও অন্যান্য অস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে৷ এর মধ্যে ‘আয়রন ডোম' নামের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধ ব্যবস্থা ১৫০-টিরও বেশি অস্ত্রের আঘাত সামলাতে পেরেছে৷ অন্যদিকে ইসরায়েল গাজায় ৩২০টি লক্ষ্যবস্তুর উপর হামলা চালিয়েছে৷

হামাস নিয়ন্ত্রিত এক টেলিভিশন কেন্দ্রের কাছে দুই ফিলিস্তিনি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, যে স্থানীয় সময় সোমবার প্রায় ভোর সাড়ে চারটে নাগাদ দুই পক্ষের মধ্যে অস্ত্রবিরতি সংক্রান্ত বোঝাপড়া হয়েছে৷ ফলে আপাতত বড় সংকটের আশঙ্কা দূর হলো৷ ইসরায়েল অবশ্য এখনো এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করে নি৷ ইসরায়েলের দক্ষিণে সতর্কমূলক নিয়ন্ত্রণ এখনই দূর করা হচ্ছে না বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে৷ উল্লেখ্য, মিশর ও জাতিসংঘ মধ্যস্থতার উদ্যোগ চালিয়ে যাচ্ছিল৷

ইসরায়েল জানিয়েছে, হামাসের কাছে অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ করতেই অবরোধ তুলে নেওয়া হয় নি৷  ইসরায়েলের হামলায় হামাসের সশস্ত্র বাহিনীর এক কমান্ডার নিহত হয়েছে৷ সে দেশের সেনাবাহিনী এই হামলার কথা স্বীকার করে জানিয়েছে, সেই কমান্ডার ইরান থেকে গাজা ভূখন্ডের উগ্রপন্থি গোষ্ঠীগুলির জন্য অর্থ সরবরাহের দায়িত্ব পালন করছিল৷

ইসরায়েল ও মিশর  গাজা ভূখণ্ড কার্যত অবরোধ করে রাখার ফলে সেখানকার মানুষের জীবনযাত্রা দুর্বিষহ হয়ে পড়েছে৷ এমনকি বিদেশি উন্নয়ন সাহায্য ও পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের আর্থিক সাহায্যও বন্ধ হয়ে গেছে৷ অর্থনৈতিক সমস্যা কিছুটা লাঘব করতে এর আগে মিশরের মধ্যস্থতায় অবরোধ কিছুটা শিথিল করার বিষয়ে বোঝাপড়া হয়েছিল৷ হামাস ও ইসলামি জিহাদ গোষ্ঠীর অভিযোগ, ইসরায়েল সেই বোঝাপড়া কার্যকর করছে না৷ আগামী বুধবার থেকে ইসরায়েলের স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের আগে সে দেশের উপর চাপ বাড়াতেই গাজা থেকে হামলার মাত্রা বাড়ানো হয়েছিল বলে ধরে নেওয়া হচ্ছে৷ এছাড়া আগামী ১৪ থেকে ১৮ই মে ইউরোভিশন সংগীত প্রতিযোগিতা উপলক্ষ্যে হাজার হাজার মানুষ তেল আভিভে আসবেন৷

এসবি/এসিবি (রয়টার্স, এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন