গাজায় প্রাণহানি বাড়ছে, যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা | বিশ্ব | DW | 19.11.2012
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বিশ্ব

গাজায় প্রাণহানি বাড়ছে, যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা

গাজায় ইসরায়েলি রকেটের আঘাতে সোমবার ১৮ জন নিহত হয়েছে৷ ফলে গত ছয়দিনে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ৯৫এ৷ এদিকে মিশরে চলছে যুদ্ধবিরতির আলোচনা৷ সেখানে শিগগির সফলতা আশা করছেন বিশ্লেষকরা৷ এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে গিয়েছেন ভেস্টারভেলে৷

ইসরায়েলি রকেটের আঘাতে গাজার একটি পরিবারের নয় সদস্য নিহত হয়েছে৷ ইসরায়েলেরই একটি পত্রিকা বলছে, হামাসের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে লক্ষ্য করে চালানো ঐ হামলা ভুল করে ঐ পরিবারের বাড়িতে আঘাত হানে৷ ইসরায়েলের সেনাবাহিনী অবশ্য ঐ প্রতিবেদনের ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করেনি৷

এদিকে ইসরায়েলি সেনাসূত্র বলছে, তারা সারা রাতে কমপক্ষে ৮০টি স্থাপনায় আঘাতে করেছে৷ এর মধ্যে হামাসের পুলিশ সদর দপ্তরও রয়েছে৷

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে যুদ্ধবিরতি কার্যকর করতে কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে৷ মিশর এতে মূল ভূমিকা পালন করছে৷ দেশটির প্রধানমন্ত্রী হিশাম কান্দিল একটি চুক্তিতে পৌঁছানো সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন৷

Palestinians inspect the rubble in a house destroyed on Sunday by an Israeli strike in Gaza City, Monday, Nov. 19, 2012. The Palestinian civilian death toll mounted Monday as Israeli aircraft struck densely populated areas in the Gaza Strip in its campaign to quell militant rocket fire menacing nearly half of Israel's population. (Foto:Hatem Moussa/AP/dapd)

গাজায় গত ছয়দিনে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ৯৫এ

মিশরের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসি'র কার্যালয় বলছে, হামাস প্রধান খালেদ মেশাল ও ইসলামিক জেহাদের প্রধান আব্দুল্লাহ সালাহ'র সঙ্গে কথা বলেছেন প্রেসিডেন্ট মুরসি৷

এছাড়া কয়েকজন হামাস ও ইসরায়েলি কর্মকর্তা আলোচনার জন্য মিশরে রয়েছেন৷

ইসরায়েলি প্রশাসনের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছেন যে, তাঁর দেশ সমস্যার কূটনৈতিক সমাধান চায়৷

যুদ্ধবিরতির শর্ত হিসেবে হামাস গাজার উপর থেকে ইসরায়েলের অবরোধ তুলে নেয়ার দাবি জানিয়েছে বলে জানা গেছে৷ আর ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আভিগডোর লিবারমান বলেছেন, যুদ্ধবিরতির প্রধান ও একমাত্র শর্ত হচ্ছে গাজা থেকে রকেট হামলা বন্ধ করা৷

জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি মুন অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি কার্যকর করার আহ্বান জানিয়েছেন৷ সোমবার তাঁর কায়রোয় পৌঁছনোর কথা রয়েছে৷ এরপর তিনি ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনি এলাকা সফর করবেন৷

ISRAEL/GAZA BORDER, ISRAEL- NOVEMBER 19: (ISRAEL OUT) An Israeli soldier sits in his tank in a deployment area on November 19, 2012 on Israel's border with the Gaza Strip. The death toll has risen to at least 85 killed in the air strikes, according to hospital officials, on day six since the launch of operation 'Pillar of Defence.' (Photo by Uriel Sinai/Getty Images)

চীন উভয়পক্ষ বিশেষ করে ইসরায়েলকে ‘সর্বোচ্চ ধৈর্য' দেখাতে বলেছে৷

জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেলও যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছেন৷ এদিকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিডো ভেস্টারভেলে মধ্যপ্রাচ্যের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়েছেন৷ দিনের শেষে তাঁর ইসরায়েলি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনার কথা রয়েছে৷

ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্র বিষয়ক প্রধান ক্যাথরিন অ্যাশ্টন মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, একমাত্র দীর্ঘমেয়াদি সমাধানই পারে ঐ অঞ্চলে শান্তি ফিরিয়ে আনতে৷ তিনি বলেন, গাজা থেকে ইসরায়েলের দিকে রকেট হামলা অবশ্যই বন্ধ করতে হবে৷

এদিকে চীন উভয়পক্ষ বিশেষ করে ইসরায়েলকে ‘সর্বোচ্চ ধৈর্য' দেখাতে বলেছে৷

আফগান তালেবান ফিলিস্তিনিদের উপর নির্যাতনের জবাব দিতে মুসলমানদের প্রতি এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছে৷

জেডএইচ / এসবি (এএফপি, রয়টার্স, ডিপিএ)

নির্বাচিত প্রতিবেদন