গণ করোনা পরীক্ষা: সাংহাইয়ের একটি এলাকায় লকডাউন | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 11.06.2022

ডয়চে ভেলের নতুন ওয়েবসাইট ভিজিট করুন

dw.com এর বেটা সংস্করণ ভিজিট করুন৷ আমাদের কাজ এখনো শেষ হয়নি! আপনার মতামত সাইটটিকে আরো সমৃদ্ধ করতে পারে৷

  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

চীন

গণ করোনা পরীক্ষা: সাংহাইয়ের একটি এলাকায় লকডাউন

করোনা মোকাবিলায় নানা ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে চীন৷ এবার তারা সাংহাইয়ের একটি এলাকার সব মানুষের করোনা পরীক্ষা করাতে ১১ জুন সেখানে লকডাউন দিয়েছে৷

সাংহাইয়ে লকডাউনের সময় কোভিড টেস্টের জন্য নমুনা নিচ্ছেন স্বাস্থ্যকর্মী

সাংহাইয়ে লকডাউনের সময় কোভিড টেস্টের জন্য নমুনা নিচ্ছেন স্বাস্থ্যকর্মী

মিনহাং নামের ওই শহরে২৭ লাখ মানুষের বাস৷ গত সপ্তাহে সেখানে করোনা বিধিনিষেধ শিথিল করা হয়েছিল৷ কেননা মার্চ থেকে শহরের ২৫ লাখ বাসিন্দা ঘর থেকে বের হননি৷ গত দুই বছরের মধ্যে করোনার ভয়াবহ সংকটে চীন৷

মার্চ থেকে মে পর্যন্ত চীনের কোন শহরেই লকডাউন পুরোপুরি উঠিয়ে নেয়া হয়নি৷ সেসময় চীনের বেশিরভাগ বড় শহরে অভিবাসীরা ঘরের ভেতরে অবস্থান করেছেন৷ বাড়ির কম্পাউন্ডের বাইরে বের হননি তারা৷

মিনহাং কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ১১ তারিখ সকাল থেকে সেখানকার সব অধিবাসীদের করোনা পরীক্ষা শুরু হবে৷ সবার স্যাম্পল সংগ্রহ করা হলে লকডাউন তুলে দেয়া হবে৷ তবে তার নির্দিষ্ট সময় জানায়নি তারা৷ পরীক্ষায় যাদের করোনা শনাক্ত হবে তাদের কি ব্যবস্থা নেয়া হবে সে বিষয়টিও পরিষ্কার করেনি তারা৷

দুই মাস পর সাংহাইয়ে প্রাণ ফিরলো

করোনার বিরুদ্ধে লড়তে চীন কঠোর নিয়ম চালু করেছে৷ করোনা হলে একেবারে বিচ্ছিন্ন থাকতে হবে৷ এমনকি যে বাড়ি বা অ্যাপার্টমেন্ট বা এলাকায় আক্রান্ত ব্যক্তি থাকবেন সেখানকার সব কোয়ারান্টাইনের আওতায় থাকবে৷ মিনহাং এর অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই লকডাউন নিয়ে তাদের আশংকার কথা জানিয়েছেন৷ তাদের আশংকা যদি ওই শহরে একজনেরও দেহে করোনা শনাক্ত হয়, তাহলে দীর্ঘ সময় লকডাউনে থাকতে হবে তাদের৷     

তবে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এমন কোন আশংকার কারণ নেই৷ পরীক্ষা হওয়া মাত্র ধীরে ধীরে এলাকা ধরে লকডাউন তুলে নেয়া হবে৷

এদিকে, সাংহাই শহর ধীরে ধীরে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসছে৷ সাবওয়ে, বাস চলাচল করছে৷ মানুষ অফিসে যাওয়া শুরু করেছে৷ বেইজিংও ফিরে এসেছে স্বাভাবিক জীবনে৷ 

 

             

এপিবি/কেএম (এএফপি, এপি)