খেলনার সেনাবাহিনী নিয়ে বিশাল গেমিং প্রতিযোগিতা | অন্বেষণ | DW | 21.10.2021
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

অন্বেষণ

খেলনার সেনাবাহিনী নিয়ে বিশাল গেমিং প্রতিযোগিতা

ভিডিও, কম্পিউটার বা মোবাইল গেম নিয়ে অনেকেই মেতে থাকেন৷ কিন্তু খেলনার সৈন্য ও অন্যান্য চরিত্র নিয়ে এলাহি আয়োজনের কথা শুনেছেন কি? জটিল এই গেমের আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতাও অনুষ্ঠিত হয়৷

 ১৪টি দেশের ১৪টি টিম ইউরোপিয়ান টিম চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নিয়েছে

১৪টি দেশের ১৪টি টিম ইউরোপিয়ান টিম চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নিয়েছে

গেমের মধ্যে বিশাল মনস্টার ও যোদ্ধাদের জীবনমরণের সিদ্ধান্ত হচ্ছে৷ লাইপসিশ শহরে কাঠের এক বোর্ডের উপর কাল্পনিক এক ব্রহ্মাণ্ডে দুই জেনারেলের মধ্যে সংঘাত চলছে৷ অন্যতম সেরা নাইনথ এজ গেমার হিসেবে টোমাস ম্যোলার বলেন, ‘‘এই গেমের মধ্যে নাইট ও জীবন্ত লাশের মধ্যে লড়াই চলছে৷ প্রত্যেক গেমার বলতে গেলে ছ'বার নিজস্ব সেনাবাহিনী সরানো এবং বর্মের আড়াল থেকে আক্রমণের সুযোগ পায়৷ সবার আগে নিজেকে কৌশলগত অবস্থানে আনতে হবে৷ মুভমেন্টের পাশাপাশি মুখোমুখি লড়াইয়ের পর্যায়ে আসতে হবে৷''

‘নাইনথ এজ’ নামের এই গেমে সাফল্য পেতে হলে সৌভাগ্যেরও প্রয়োজন হয়৷ সঙ্গে চাই কৌশলগত দক্ষতা৷ সব চরিত্র এবং তাদের অত্যন্ত জটিল নিয়মও মাথায় রাখতে হয়৷ টোমাস বিষয়টি ব্যাখ্যা করে বলেন, ‘‘এই চরিত্র কতদূর যেতে পারে, তা স্থির করতে তুমি একটা ভ্যালু দিয়ে দিয়েছো৷ যেমন নাইটরা ১৬ ইঞ্চি পর্যন্ত যেতে পারে৷ সেই এলাকার মধ্যে আমি যা খুশি করতে পারি৷ আমি ২০ বছর ধরে এই খেলা খেলছি, অথচ কোনও বার খেলা এক রকম হয় নি৷’’

সার্বিয়ার নোভি সাদ শহর যেতে বেলগ্রেড থেকে গাড়িতে এক ঘণ্টা সময় লাগে৷ ২০২১ সালের আগস্ট মাসে সেখানে গুরুত্বপূর্ণ এক নাইনথ এজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে৷ তিন দিন ধরে ১৪টি দেশের ১৪টি টিম ইউরোপিয়ান টিম চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নিয়েছে৷ প্রত্যেক ম্যাচে কয়েক'শো বার ডাইস রোল করা হয়েছে৷ যেমন কোনো চরিত্র তার প্রতিপক্ষকে আহত করতে পারে কিনা, তা স্থির করা হয়েছে৷

ভিডিও দেখুন 04:04

খেলনা গেমের আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা

জার্মানির টিম গত বছরের সাফল্য ধরে রাখতে আসরে নেমেছিল৷ তবে এই প্রতিযোগিতায় কোনো আর্থিক পুরস্কার নেই৷ আছে খানদানি এল্ফ পুতুল, ভিতু গবলিন্স, বদমাস ভ্যাম্পায়ার, প্রযুক্তিজ্ঞানসম্পন্ন বামন ও আরও অনেক কিছু৷

খেলায় শয়ে শয়ে নিয়ম রয়েছে৷ গেমার কমিউনিটির সদস্যরা নিজেরাই সে সব নিয়ম তৈরি করেছে৷ প্রতি বছর নতুন নিয়ম যোগ হচ্ছে৷ প্রতিযোগিতার শেষ দিনে উত্তেজনা একেবারে তুঙ্গে৷ প্রত্যেক টিমে আট জন করে সদস্য থাকেন৷ প্রত্যেকে নিজস্ব সেনাবাহিনী সঙ্গে নিয়ে আসেন৷ রণকৌশল, সম্ভাবনার হিসেব ও মনঃসংযোগই আসল কাজ৷

এ ক্ষেত্রে জার্মানির অবস্থান মাঝামাঝি৷ কিন্তু মন্টেনেগ্রোর প্রতিপক্ষের কাছে টোমাস ম্যোলারকে শেষ পর্যন্ত হার মানতে হলো৷ ডাইস বা ছক্কা ফেলার সময়ে তার ভাগ্য ভালো ছিলো না৷ তবে তার টিমের জয় হয়েছে৷ এবার প্রতিযোগিতার শেষ ম্যাচ৷ এবার প্রতিপক্ষ রাশিয়া৷ টোমাস ম্যোলার বলেন, ‘‘এই ম্যাচ-আপ আমার জন্য কঠিন৷ আমার সামান্য একটা অসুবিধা আছে৷ আপাতত না মারা পড়াই জরুরি৷’’

শেষ পর্যন্ত ষষ্ঠ স্থান পেয়ে টোমাস ম্যোলার বলেন, উত্থানপতন সত্ত্বেও প্রতিযোগিতা স্থিতিশীল ছিল৷ শেষে এই অবস্থানও সন্তুষ্টির যথেষ্ট কারণ বটে৷

এবার পরের সংঘাত পর্যন্ত খেলনা চরিত্রগুলি আবার বাক্সবন্দি করার পালা৷

মাক্সিমিলিয়ান মোডলার/এসবি

নির্বাচিত প্রতিবেদন

ইন্টারনেট লিংক

সংশ্লিষ্ট বিষয়