‘খালেদ মুহিউদ্দীন জানতে চায়′ নিয়ে পাঠকদের ভাবনা | পাঠক ভাবনা | DW | 20.02.2020
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

পাঠক ভাবনা

‘খালেদ মুহিউদ্দীন জানতে চায়' নিয়ে পাঠকদের ভাবনা

২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হচ্ছে ডয়চে ভেলের টকশো ‘খালেদ মুহিউদ্দীন জানতে চায়'৷ ডয়চে ভেলের ফেসবুক পাতায় নতুন টকশো নিয়ে অনেক পাঠক তাঁদের আশা এবং পরামর্শ তুলে ধরেছেন, জানিয়েছেন আন্তরিক শুভকামনা।

ডয়চে ভেলের নতুন টকশো-র মাধ্যমে ভালো কিছু পাবার আশায় থাকবেন, লিখেছেন পাঠক মোহাম্মদ রবিউল হাসান। আর অনুষ্ঠানের সাথে থাকবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন পাঠক হাফিজুর রহমান শাকিল।

প্রতি শুক্রবার রাত নয়টায় ইউটিউবে‘খালেদ মুহিউদ্দীন জানতে চায়' অনুষ্ঠানটি সঞ্চালন করবেন ডয়চে ভেলের বাংলা বিভাগের প্রধান খালেদ মুহিউদ্দীন৷ সঞ্চালককে অভিনন্দন এবং নতুন অনুষ্ঠানের জন্য শুভকামনা জানিয়েছেন মুস্তাফিজুর রহমান, রাজ আহমেদ, এজাজ খান, মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ, রনি মাহমুদ, খোরশেদুল আলম, হাফিজুর রহমান শেখ, আবদুর রহিম ভুইঞা, মিরাজ রহমানসহ  ডয়চে ভেলের অনেক পাঠক।

পাঠক মুনতাসির আজিজ আশা করছেন, ‘খালেদ মুহিউদ্দীন জানতে চায়' অনুষ্ঠানটি খুব জনপ্রিয় হবে।

এশিয়া বিভাগের প্রধান দেবারতি গুহ, খালেদ ভাই ও বাংলা বিভাগের সবাইকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছে অনুষ্ঠানটির সাফল্য কামনা করেছেন পাঠক বিজিত কুমার সিনহা৷

 সৃজন মোস্তাফিজ নিশ্চিত যে, ডয়চে ভেলে বাংলাভাষীদের জন্য আলাদা ধরনের ভালো একটি টকশো করতে যাচ্ছে। নতুন প্রয়াসের জন্য তারও শুভকামনা রয়েছে।

‘খালেদ মুহিউদ্দীন জানতে চায়'-এর কাছে পাঠক শিমুলের প্রত্যাশা, ‘‘মুক্তচিন্তা বলতে শুধু মাত্র নাস্তিকতাকে প্রমোট না করে , সকল ধর্মের সকল বর্ণের কথা বলার স্বাধীনতা, পোশাকের স্বাধীনতা ,খাবারের স্বাধীনতা, বাকস্বাধীনতাকে যেন মুক্তচিন্তার আওতাভুক্ত করা হয়৷''

ডয়চে ভেলের নতুন অনুষ্ঠানে সাধারণ দর্শকের প্রশ্ন করার এবং সে প্রশ্নের উত্তর জানার সুযোগে থাকা উচিত বলে মনে করেন ফকরুল ইসলাম৷ তার মতে, ‘‘নিজেদের সুবিধামতো প্রশ্ন করা অনাকাঙ্ক্ষিত।''

ফেসবুক পাতায় পাঠক শফিউল হক নাহিদ লিখেছেন, ‘‘ভালো লাগলো শুনে যে, ‘ ডয়চে ভেলে এমন একটা পোগ্রাম করতে যাচ্ছে, যেখানে আমাদের প্রশ্নকে হাইলাইট করা হবে।''

‘খালেদ মুহিউদ্দীন জানতে চায়' নিয়ে পাঠক আবদুল রহিমের প্রত্যাশা, ‘‘অনুষ্ঠানটি দুঃশাসনের বিরুদ্ধে জোরালো ভূমিকা রাখবে।''

সংকলন: নুরুননাহার সাত্তার

সম্পাদনা: আশাীষ চক্রবর্ত্তী

নির্বাচিত প্রতিবেদন