‘খালেদা জিয়া মুক্তি পাবেন না′ | পাঠক ভাবনা | DW | 09.05.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

পাঠক মতামত

‘খালেদা জিয়া মুক্তি পাবেন না'

 ‘‘এ মামলার শুনানি শেষে জামিন হলেও খালেদা জিয়া মুক্তি পাবেন না৷'' ডয়চে ভেলের ফেসবুক পাতায় এমন মন্তব্যই করেছেন এক পাঠক৷ অন্য পাঠকরাও এ সম্পর্কে তাঁদের মতামত জানিয়েছেন৷ 

পাঠক সাজ্জাদ সাবের লিখেছেন,‘‘বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জামিনের বিষয়ে আওয়ামী লীগের সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগ শাখায় শুনানি আগামীকাল পর্যন্ত মূলতবি করা হয়েছে৷ পূর্ব বরাদ্দ তারিখ অনুযায়ী সকালে শুনানি শুরু হয়৷ জামিনের বিরুদ্ধে আপিলকারী দুর্নীতি দমন কমিশনের আইনজীবী শুনানি শুরু করেছেন৷ সরকার পক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল শুনানি করবেন৷ তারপর শুনানি করবেন বেগম খালেদা জিয়ার আইনজীবী৷ তারপর আদেশের জন্য আবার একটা দিন ধার্য্য হতে পারে৷ সেই ধার্য্য করা তারিখে আওয়ামী লীগের আপিল বিভাগ শাখা তাদের সিদ্ধান্ত জানাবে৷''

তিনি আরো লিখেছেন, ‘‘এখন ধরে নিলাম সব কিছুর পর আওয়ামী লীগের আপিল বিভাগ শাখা জামিন বহাল রাখল৷ অর্থাৎ হাইকোর্ট বিভাগ যেই জামিন দিয়েছিল, সেটা বহাল থাকল৷ জামিনের বেলবন্ড গেল কারা কতৃপক্ষের কাছে৷ তাতে কি তিনি মুক্তি পাবেন? এই শুনানির বিষয়ে অনেকের উচ্ছ্বাস দেখে আমার মনে প্রশ্নটির উদয় হয়েছে৷ এর উত্তর যদিও আমি নিজেই খুঁজে পেয়ে গেছি৷ এ মামলার শুনানি শেষে জামিন হলেও তিনি মুক্তি পাবেন না৷''

এমন ধারণার পেছনের কারণ জানাতে গিয়ে সাজ্জাদ সাবের লিখেছেন, ‘‘এটার কারণ হচ্ছে, কুমিল্লার একটি মামলায় তাঁকে ইতোমধ্যেই গ্রেফতার দেখানো হয়েছে৷ওই মামলায় জামিনের আবেদন ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট না-মঞ্জুর করেছে৷ সেখানে  শুনানির পর বিচারক বলেছেন, তিনি আরো অধিকতর শুনানি গ্রহণ করতে চান৷ তাই আগামী ৭ জুন পরবর্তী শুনানীর দিন ধার্য্য করা হয়৷ এতে বলা যায়, আপিল বিভাগে জামিন হলেও অপেক্ষা করতে হবে কুমিল্লার মামলার সিদ্ধান্তের জন্য৷ কুমিল্লার মামলার সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির কোনো সম্ভাবনা আপাতত নেই৷ যদি কোনো অস্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় মুক্তি হয়, সেটা ভিন্ন কথা৷ তবে আইনের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া হলো মুক্তি পেতে কুমিল্লার মামলায় জামিন লাগবে৷ এখন আসেন কুমিল্লার মামলায় সিদ্ধান্ত হতে কতদিন লাগতে পারে৷ আগামী ৭ জুন শুনানি হবে৷ তারপর আদেশের জন্য একটি তারিখ ধার্য্য হবে৷ সেই তারিখে আদেশ হবে৷ যদি জামিন সেখানে না-মঞ্জুর হয়, আপিল করতে হবে হাইকোর্টে৷ এর জন্য লাগবে কুমিল্লার আদালতে আদেশের সার্টিফায়েড কপি৷ ঢাকায় সার্টিফায়েড কপি পেতে দেখা গেছে কতদিন লাগে৷ কুমিল্লায় তো অন্তত এর অর্ধেক সময় লাগবে!''

তবে পাঠক শাহীন আক্তার খুব ছোট্ট করে তার মত জানাতে গিয়ে লিখেছেন,‘‘ হায়রে আইন আদালত, প্রতিহিংসার বাস্তবায়নে পুরা গোজামিলের রায়!''

আর পাঠক নাফিজ মনে করেন, বাংলাদেশের রাজনীতির মারপ্যাঁচ নিয়ে আলোচনা না করে বরং ইরান, সিরিয়া নিয়ে আলোচনা করা উচিত৷ 

সংকলন:  নুরুননাহার সাত্তার

সম্পাদনা: আশীষ চক্রবর্ত্তী

নির্বাচিত প্রতিবেদন