‘খালেদা জিয়াকে নির্বাচনের বাইরে রাখা যাবে না′ | বিশ্ব | DW | 09.02.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বাংলাদেশ

‘খালেদা জিয়াকে নির্বাচনের বাইরে রাখা যাবে না'

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর  বলেছেন,  খালেদা জিয়াকে নির্বাচনের বাইরে রাখা যাবে না৷ তিনি আইনগতভাবেই মুক্ত হয়ে আগামী নির্বাচনে অংশ নেবেন৷ তাঁকে নির্বাচনের বাইরে রাখতেই অন্যায়ভাবে কারাদন্ড দেয়া হয়েছে৷

সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়াকে জিয়া অর্ফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় আদালত পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেয়ার পর শুক্রবার বাংলাদেশে বিদেশি সংবাদ মাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে কথা বলেন দলের মাহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর৷ তিনি বলেন, ‘‘এই রায় দেয়া হয়েছে খালেদা জিয়াকে আগামী নির্বাচন থেকে সরিয়ে রাখার জন্য৷ তাঁকে যে ধারায় দণ্ড দেওয়া হয়েছে, সেটা দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) ধারা নয়৷ তাই দুর্নীতির দায়ে খালেদা জিয়াকে অভিযুক্ত করা যায়নি৷''

বিএনপি চেয়ারপার্সনের গুলশানের কার্যালয়ে বিকেলে এই ব্রিফিংয়ে আইনি দিকগুলো তুলে ধরে বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মওদুদ বলেন, ‘‘দুর্নীতির সঙ্গে খালেদা জিয়ার কোনও সংযোগ নেই৷ এই মামলার বাকি পাঁচ আসামির ক্ষেত্রে দুর্নীতির সংযোগের কথা বলা হলেও রায়ে খালেদা জিয়াকে কী কারণে সাজা দেয়া হয়েছে, তা বলা হয়নি রায়ে৷'' খন্দকার মোশাররফও একই কথা বলেছেন৷ মির্জা ফখরুল বলেন, ‘‘আমরা আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলেছি৷ তিনি (খালেদা জিয়া) আপিল করবেন এবং জামিনে বেরিয়ে আসবেন৷ এতে আইনগতভাবে কোনো বাধা নাই৷ সরকারের পক্ষে তাঁকে নির্বাচনের বাইরে রাখা সম্ভব হবে না৷''

ভিডিও দেখুন 01:51
এখন লাইভ
01:51 মিনিট

‘বিএনপি'র কোনো ক্ষতি হবে না, দলের জনসমর্থন আরো বাড়বে’

মির্জা ফখরুল সাংবাদিকদের জানান, ‘‘ তারেক রহমান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপার্সন হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন৷ তিনি দেশের বাইরে থাকলেও সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে কথা বলে দল চালাবেন৷ এটা দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী করা হয়েছে৷ তিনি দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান৷ আর তাকেও অন্যায়ভাবে শাস্তি দেয়া হয়েছে৷''

মির্জা ফখরুল মনে করেন, ‘‘খালেদা জিয়াকে কারাগারে নেয়ায় সরকারই ক্ষতিগ্রস্ত হবে৷ বিএনপি'র কোনো ক্ষতি হবে না৷ দলের জনসমর্থন আরো বাড়বে৷''

কারাগারে খালেদা জিয়া:

খালেদা জিয়াকে ঢাকার পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারে রাখা হয়েছে৷ এটাকে ‘সাবজেল' ঘোষণা করা হয়েছে৷ এই কারাগারে খালেদা জিয়া ছাড়া আর কোনো বন্দি নেই৷ কারাগারে খালেদা জিয়া বাসার খাবারই খাচ্ছেন৷ তবে তাঁর সঙ্গে গৃহকর্মী রাখার আবেদন গ্রহণ করেনি কারা কর্তৃপক্ষ৷ শুক্রবার দুপুরের পর তাঁর মেজ বোন সেলিমা রহমান ও ছোট ভাই শামীম ইস্কান্দার খাবার নিয়ে কারাগারে যান৷ শামীম ইস্কান্দারের স্ত্রী কানিজ ফাতেমা ও ছেলে অভীক ইস্কান্দারও কারাগারে যান খাবার নিয়ে৷

তবে সকালে বিএনপি'র কয়েকজন নারী সমর্থক কারগারের গেটে ফল নিয়ে গেলেও কারা কর্তৃপক্ষ তাদের ফিরিয়ে দেয়৷   মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর  অভিযোগ করেছেন, ‘‘কারাগারে তাঁকে ডিভিশন দেয়ার কথা থাকলেও তা দেয়া হয়নি৷''

বিক্ষোভ

এদিকে খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে বাদ জুমা ঢাকায় বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে বিএনপি৷ বিক্ষোভের সময় বায়তুল মোকাররম মসজিদের সামনে থেকে তিনজনকে আটব করে পুলিশ৷ মির্জা ফখরুল দাবি করেন, ‘‘খালেদা জিয়ার এই মামলার রায়কে কেন্দ্র করে এ পর্যন্ত বিএনপি'র সাড়ে তিন হাজার নেতা-কর্মীকে আট করেছে পুলিশ৷''

বিএনপি মহাসচিব জানান, খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য আইনি লড়াইয়ের পাশাপাশি নিয়মতন্ত্রিক আন্দোলনও চালিয়ে যাবেন তাঁরা৷

আপনিও কি মনে করেন খালেদা জিয়া নির্বাচন করতে পারবেন? লিখু নিচের মন্তব্যের ঘরে৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

এই বিষয়ে অডিও এবং ভিডিও

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন