‘খালেদার বিদেশে চিকিৎসা হাসিনার ইচ্ছা নয়, আইনের ব্যাপার’ | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 26.11.2021
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ

‘খালেদার বিদেশে চিকিৎসা হাসিনার ইচ্ছা নয়, আইনের ব্যাপার’

খালেদা জিয়াকে দেশের বাইরে পাঠানো প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছা-অনিচ্ছার উপর নির্ভর করে না, মনে করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম৷ তবে অধ্যাপক আসিফ নজরুলের মতে প্রধানমন্ত্রী চাইলে আইন আদালত কোন বাধা হতে পারবে না৷

খালেদা জিয়াকে বিদেশে নিতে তার পরিবারের পক্ষ থেকে সরকারের কাছে আবেদন করা হয়েছে৷ যদিও আইনমন্ত্রী থেকে শুরু করে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন আইনের মধ্যে যা করার ছিল তা ইতোমধ্যেই করেছে সরকার৷

‘ডয়চে ভেলে খালেদ মুহিউদ্দীন জানতে চায়’ ইউটিউব টকশোতে অংশ নিয়ে শ ম রেজাউল করিম বলেন, ‘‘বিএনপির পক্ষ থেকে যে কথাগুলো বলা হয় যে শেখ হাসিনা চাইলেই তিনি পাঠাতে পারেন৷ ...যে সেকশনটা ঘিরে সমস্ত আলোচনা হয় ফৌজদারি কার্যবিধির সেকশন ৪০১ সেটার লিডটাই হচ্ছে ‘পাওয়ার টু সাসপেন্ট ওর রিমিট দিস সেনটেন্স’৷ বিষয়টায় কিন্তু তার সাজা স্থগিত করা বা সাজার দণ্ড যেটা কমানো, বাড়ানো, ক্ষমা করা, এ জাতীয় ক্ষমতাটা ঐ ধারায় সরকারকে দেয়া হয়েছে৷ সেটা কোন কোন ধারায় কতটুকু হবে উপধারাগুলোয় ব্যক্ত করা হয়েছে৷ এই ক্ষেত্রে এক্সপ্রেসলি বিদেশে যাওয়ার ক্ষেত্রে কাউকে পারমিশন দেয়ার প্রভিশন এখানে নাই৷ ফলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে তাদের আবেদনে আইনগত একটা দিক থাকতে হবে, সেই আইনগত দিকটা নেই৷ আমার কাছে যেটা মনে হয়েছে এটা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছা-অনিচ্ছার বিষয় নয়, এর সঙ্গে কতগুলো আইনগত প্রশ্ন জড়িত আছে৷’’

পাল্টা যুক্তি দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল বলেন, ‘‘৪০১-এ বিদেশে পাঠানোর ব্যাপারে প্রকাশ্যে কিছু বলা নাই৷ আবার বিদেশে পাঠানোর বিরুদ্ধেও কিছু বলা নেই৷...বিদেশে পাঠানোর ব্যাপারে কোন বাধা নাই৷ একটা সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে যদি বলা হয় বাইরে পাঠাবো তাহলে বাংলাদেশের আইন আদালত বাধা সৃষ্টি করতে পারে এটা কি হতে পারে? এটা তো অসম্ভব ব্যাপার৷’’

তবে খালেদ জিয়ার সাজা মওকুফের আবেদন জানানোর যেসব সুযোগ আছে সেগুলো তুলে ধরে শ ম রেজাউল করিম বলেন, ‘‘আইনগতভাবে খালেদা জিয়ার সাজা মওকুফের ও বিদেশে যাওয়ার যে পদক্ষেপগুলো নেয়া যায় সেগুলো তারা (বিএনপি) নেননি৷ সেগুলো নেয়ার পর যদি তা নাকচ হতো তখন কথা বলার অবকাশ থাকে৷ ফলে আমার কাছে মনে হয় এটা শেখ হাসিনার ইচ্ছা অনিচ্ছার উপর নির্ভর করছে না, আইনগত অবস্থানের উপর নির্ভর করছে৷’’

শারীরিক পরিস্থিতির কথা তুলে ধরে আসিফ নজরুল খালেদা জিয়াকে বিদেশে পাঠাতে সরকারের দিক থেকেই উদ্যোগ নেয়ার উপর জোর দেন৷ তিনি বলেন, ‘‘ঝুঁকিটা প্রচণ্ড, উনি মারা যেতে পারেন৷ উনি মারা যাওয়া মানে এন্ড অব দ্য স্টোরি না৷... আমাদের পলিটিক্সে অনেক ভয়াবহ ঘটনা আছে৷ ২১ আগস্টের ঘটনা আছে, ১৫ আগস্টের ঘটনা আছে৷ উনি যদি পর্যাপ্ত চিকিৎসা না পেয়ে মারা যান এটা বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিভেদের, প্রতিহিংসার, হিংসার একটা নতুন কুৎসিত ইতিহাস তৈরি করবে৷’’

এফএস/এআই

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়