খাবার চুরির দায়ে গেল কোটি টাকার চাকরি | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 06.02.2020
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

যুক্তরাজ্য

খাবার চুরির দায়ে গেল কোটি টাকার চাকরি

অফিস ক্যান্টিন থেকে খাবার চুরির দায়ে কোটি টাকা বেতনের চাকরি খোয়ালেন সিটিগ্রুপের লন্ডনে কর্মরত এক ব্যাংকার৷ তাকে ভারতীয় হিসেবে উল্লেখ করেছে ভারতের গণমাধ্যমগুলো৷

ব্রিটিশ মুদ্রায় সাত অঙ্কের বেতন ছিল বছরে৷ ভারতীয় মুদ্রায় নয় কোটি রুপির বেশি৷ চাকরি করছিলেন লন্ডনে সিটিব্যাংকের ইউরোপীয় হেডকোয়ার্টারে৷ ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য এবং আফ্রিকার ‘হাই ইল্ড বন্ড ট্রেডিংয়ে' প্রধানের পদে ছিলেন তিনি৷ নাম পারস শাহ৷

ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, অফিস ক্যান্টিন থেকে খাবার চুরির দায়ে গত মাসে তিনি চাকরি থেকে বরখাস্ত হন৷ সহকর্মীদের ভাষ্য অনুযায়ী, নিজের দায়িত্বে বেশ দক্ষ ও সফল ছিলেন পারস৷ ২০১৭ সালে যোগ দেন সিটিগ্রুপে৷ এর আগে সাত বছর ছিলেন আরেক বহুজাতিক ব্যাংক এইচএসবিসিতে৷ সিটিগ্রুপ তাদের জ্যেষ্ঠ কর্মীদের বোনাস ঘোষণা করার কয়েক সপ্তাহ আগেই চাকরিটি খোয়াতে হল তাকে৷

তবে ঠিক কতবার পারস ক্যান্টিন থেকে খাবার চুরি করেছেন সেই বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি৷ এই বিষয়ে গণমাধ্যমের কাছে কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি পারস কিংবা সিটিগ্রুপের কেউই৷ 

ফিন্যান্সিয়াল টাইমস বলছে, ৩১ বছর বয়সী পারস গোটা ইউরোপের মধ্যে তার পদে সর্বোচ্চ বেতনধারীদের একজন ছিলেন৷ গেল বছরের শেষ প্রান্তিকে সিটির ট্রেডিং বিভাগের লেনদেন বেড়েছে ৪৯ ভাগ৷ যা কোম্পানির লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি ছিল৷ তারপরও কেবল খাবার চুরির দায়েই চাকরিটি হারাতে হয়েছে পারসকে৷

এদিকে পারসের বরখাস্ত হওয়ার খবর প্রকাশ করেছে ভারতীয় বিভিন্ন গণমাধ্যম৷ তাকে ভারতীয়  হিসেবে উল্লেখ করেছে আনন্দবাজার পত্রিকা এবং ইন্ডিয়া টুডে৷ তবে এ বিষয়ে কোন তথ্য দেয়নি মূল খবরটি প্রকাশকারী ফিন্যান্সিয়াল টাইমস৷

যুক্তরাজ্যের আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে কর্মকর্তাদের বরাবরই কঠোর নিয়মকানুনের মধ্য দিয়ে যেতে হয়৷ ব্যক্তিগত বিভিন্ন আচরণের কারণে সেখানে জ্যেষ্ঠ কর্মীদের এমন চাকরি হারানোর খবরও নতুন নয়৷ ২০১৬ সালে সহকর্মীর বাইকের পাঁচ পাউন্ড মূল্যের একটি যন্ত্রাংশ চুরির দায়ে জাপানের মিজুহো ব্যাংকও লন্ডনে তাদের এক ব্যাংকারকে বরখাস্ত করে৷

এফএস/এডিকে (ফিন্যান্সিয়াল টাইমস, ইন্ডিয়া টুডে, আনন্দবাজার পত্রিকা) 

নির্বাচিত প্রতিবেদন

বিজ্ঞাপন