খাওয়া নিয়ে বেশি দুশ্চিন্তাও একটি রোগ | বিশ্ব | DW | 13.04.2016
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বিশ্ব

খাওয়া নিয়ে বেশি দুশ্চিন্তাও একটি রোগ

অল্প তেলের, স্বাস্থ্যসম্মত খাবার খাওয়া ভালো৷ কিন্তু টেবিলে একদম তাজা চিকেন-স্যালাড বা বার্গার থাকার পরও যদি আপনি ক্যালরির হিসেব কষেন, ভাবেন এতে কতটা প্রোটিন, ফ্যাট বা কার্বোহাইড্রেট আছে, তাহলে সেটাকে কী বলে জানেন কি?

স্বাস্থ্যকর খাবার-দাবারের প্রতি এই অস্বাভাবিক ‘অবসেশন' বা তীব্র আকর্ষণের পোশাকি নাম – ‘অর্থোরেক্সিয়া'৷ এটা একরকম মনের অসুখ৷ এই রোগ হলে সব সময়ই আপনার মনে হবে ‘এই বুঝি অস্বাস্থ্যকর কিছু খেয়ে ফেললাম', ‘এই বুঝি একটু বেশি খেয়ে ফেললাম'৷ অথবা ‘এই বুঝি শরীরের জন্য খারাপ এমন কিছু আমার পেটে চলে গেল', ‘এমন কিছু, যা আমার শরীরের জন্য একেবারে নতুন'৷

কথায় বলে, টাকা বাড়লে নাকি টাক বাড়ে৷ হ্যাঁ, অর্থের সাথে রোগের একটা সম্পর্কের কথা বলে থাকেন অনেকেই৷ এর মধ্যে হয়ত কিছুটা কল্পনা আছে, তবে আছে কিছু বাস্তবতাও৷ অর্থোরেক্সিয়ার ক্ষেত্রেও নাকি এমনটাই হয়েছে৷

কারণ এই রোগে আক্রান্তরা সাধারণত উচ্চবিত্ত৷ অর্থাৎ অরগ্যানিক বা একেবারে নির্ভেজাল খাবার কেনার সামর্থ তাদের আছে৷ এরা সস্তা, প্রক্রিয়াজাত খাবার একেবারে ছুঁয়েও দেখেন না৷ এমনকি একটু বেশি তাপমাত্রায় রান্না করা খাবার দেখলেও তারা নাক সিটকান৷ একটু বেশি তাপমাত্রায় যে খাবারের উপকারী উপাদানগুলো নষ্ট হয়ে যায়! শুধু তাই নয়, তারা খাবার গরম করার জন্য মাইক্রোওয়েভ ব্যবহার করেন না, ব্যাবহার করেন না প্লাস্টিক বা অ্যালুমিনিয়ামের থালা-বাসনও৷

পুষ্টি বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, খাওয়া নিয়ে এ রকম লক্ষণ দেখা দিলে তার অবিলম্বে চিকিৎসা করানো দরকার৷ তাদের কথায়, অশোধিত খাবার থেকে দূরে থাকা বা অরগ্যানিক খাবার খাওয়া খারাপ তো নয়-ই, বরং সত্যিই স্বাস্থ্যকর৷ কিন্তু এটা পাগলামির পর্যায়ে চলে গেলেই বিপদ, কারণ, এমনটা চলতে থাকলে এই অতিরিক্ত খাদ্যসচেতন মানুষগুলো বেছে বেছে খেতে খেতে একটা সময় কম খেতে শুরু করেন৷ ফলে তাদের ওজন কমতে থাকে এবং এক পর্যায়ে তারা সত্যিই অসুস্থ হয়ে পড়েন৷

তা আপনাদের এ সমস্যা নেই তো?

ডিজি/এসিবি

নির্বাচিত প্রতিবেদন

বিজ্ঞাপন