কয়েক দশকের মধ্যে ভয়াবহ দুর্ভিক্ষের মুখে ইয়েমেন | বিশ্ব | DW | 09.11.2017

ডয়চে ভেলের নতুন ওয়েবসাইট ভিজিট করুন

dw.com এর বেটা সংস্করণ ভিজিট করুন৷ আমাদের কাজ এখনো শেষ হয়নি! আপনার মতামত সাইটটিকে আরো সমৃদ্ধ করতে পারে৷

  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

ইয়েমেন

কয়েক দশকের মধ্যে ভয়াবহ দুর্ভিক্ষের মুখে ইয়েমেন

সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটগুলো ইয়েমেনের উপর থেকে অবরোধ তুলে না নিলে দেশটির লাখ লাখ মানুষ ভয়াবহ দুর্ভিক্ষের কবলে পড়বে বলে হুঁশিয়ারি করেছেন জাতিসংঘের ত্রাণ সংস্থা৷ তাই ইয়েমেনে ত্রাণ প্রবেশের দাবি জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের৷ 

জাতিসংঘ এবং আরও ২০টিরও বেশি মানবাধিকার সংগঠন সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোটের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, যাতে তারা ইয়েমেনের বিমানবন্দর, সমুদ্রবন্দর ও ভূমিতে অবরোধের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে৷ এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হলে ইয়েমেনে লাখ লাখ মানুষ মৃত্যু ও ক্ষুধার মুখে পতিত হবে বলে আশংকা করছে তারা৷

‘কেয়ার', ‘সেভ দ্য চিলড্রেন' এবং ‘ইসলামিক রিলিফ' জানিয়েছে, ইয়েমেনের দুই তৃতীয়াংশ মানুষ আমদানিকৃত সরবরাহের উপর নির্ভরশীল৷ তারা বলছে, ২ কোটিরও বেশি মানুষের মানবিক সাহায্যের প্রয়োজন, যাদের মধ্যে ৭০ লাখ ‘প্রায় দুর্ভিক্ষের' কবলে রয়েছে৷ আগামী ৬ সপ্তাহের মধ্যে তাদের খাওয়ার মতো কোনো দ্রব্য থাকবে না৷ এছাড়া একমাসের মধ্যে সব ধরনের ‘ভ্যাকসিন' শেষ হয়ে যাবে৷ বৃহস্পতিবারের এক বিবৃতিতে অবিলম্বে এই অবরোধ তুলে নেয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে৷

গত শনিবার সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে ইয়েমেনের শিয়া বিদ্রোহীরা ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ায় এই নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সৌদি আরব ও তার সামরিক জোটভুক্ত দেশগুলো৷

অবরোধের আগ থেকেই  ইয়েমেনে ত্রাণ সরবরাহ যথেষ্ট ছিল না৷ জাতিসংঘের ত্রাণ সংস্থার প্রধান মার্ক লোকক নিউ ইয়র্কে সাংবাদিকদের বলেন, ‘‘দক্ষিণ সুদান, সোমালিয়ার চেয়েও ইয়েমেনের অবস্থা ভয়াবহ৷ গত কয়েক দশকের মধ্যে দুর্ভিক্ষে সবচেয়ে বেশি মানুষের ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে দেশটিতে, যা হয়ত বিশ্বে আর কোথাও দেখা যায়নি৷''

তিনি আরও জানান, বুধবার সকালে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ফোনে ইয়েমেনে বাণিজ্যিক বিমান চলাচল এবং ত্রাণ সরবরাহের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন৷

ইয়েমেনে ১ কোটি ৭০ লাখ মানুষ খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে এবং বছরের শুরু থেকে সেখানে কলেরার প্রকোপ বাড়ার পর এখন তা মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়েছে৷ বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি প্রতি দ্বিতীয় মাসে ৭০ লাখ মানুষের খাদ্য সহায়তা দিয়ে আসছে সেখানে৷

শনিবারের হামলার পেছনে ইরানের হাত রয়েছে বলে মনে করছে সৌদি আরব৷ ইরান ইয়েমেনের বিদ্রোহীদের ক্ষেপণাস্ত্র এবং অন্যান্য অস্ত্র সরবরাহ করে আসছে বলে দাবি করছে তারা৷

এপিবি/ডিজি (এপি, এএফপি, রয়টার্স, ডিপিএ)

সংশ্লিষ্ট বিষয়