ক্রিকেটার নাসির ও তার স্ত্রীর বিচার শুরু
৯ ফেব্রুয়ারি ২০২২
ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতের অ্যাডিশনাল ম্যাজিস্ট্রেট তোফাজ্জল হোসেন আজ এ আদেশ দেন৷ দৈনিক প্রথম আলোকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বাদিপক্ষের আইনজীবী ইশরাত হাসান৷
এর আগে গত ২৪ জানুয়ারি অভিযোগ গঠন বিষয়ে শুনানি শেষ হয়।
সেদিন অভিযোগ গঠনের শুনানিতে ক্রিকেটার নাসিরের আইনজীবী কাজী নজিবুল্লাহ আদালতে বলেছিলেন, তামিমার সঙ্গে মামলার বাদি রাকিবের তালাক কার্যকর হয় ২০১৭ সালের ২২ এপ্রিল৷ আর নাসির তামিমাকে বিয়ে করেন এর চার বছর পর৷ সুতরাং নাসিরের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ টেকে না৷ আর তামিমা আইন মেনে রাকিবকে যথাযথভাবে তালাক দিয়েছেন, তালাক কার্যকর হয়েছে৷ তালাকের নোটিশ দেওয়ার দায়িত্ব কাজী অফিসের৷ তামিমার মায়ের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগও সঠিক নয়৷
পরে ক্রিকেটার নাসিরসহ তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের সপক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন বাদিপক্ষের আইনজীবী ইশরাত হাসান৷ তিনি আদালতকে বলেছিলেন, আসামিপক্ষ থেকে ২০১৭ সালে রাকিব ও তামিমার মধ্যে তালাক কার্যকর করার কথা সঠিক নয়৷ তামিমা ২০১৮ সালের পাসপোর্টে স্বামীর নাম হিসেবে রাকিবের নাম উল্লেখ করেন৷ জালিয়াতির আশ্রয় নিয়েছেন আসামিরা৷
এ মামলায় গত বছরের ৩১ অক্টোবর নাসির, তামিমা ও সুমি আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করলে সেদিন আদালত তাদের জামিন মঞ্জুর করেছিলেন৷
আর গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর নাসির, তামিমা ও সুমির বিরুদ্ধে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)৷ আদালত সেদিন পিবিআইয়ের প্রতিবেদন আমলে নেন৷ এছাড়া মামলার তিন আসামিকে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারির আদেশ দেন৷
গত বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর উত্তরার একটি রেস্তোরাঁয় নাসির ও তামিমার বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়৷ এরপর নতুন করে বিতর্ক ওঠে এই ক্রিকেটারকে ঘিরে৷ তামিমা তার আগের স্বামীকে তালাক না দিয়ে নাসিরকে বিয়ে করেছেন বলে অভিযোগ ওঠে৷ এ ঘটনায় মামলা করেন তামিমার আগের স্বামী রাকিব হাসান৷
এপিবি/কেএম (সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো)
২০১৮ সালের ছবিঘর দেখুন...