ক্রসফায়ারের নামে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হত্যা | বিশ্ব | DW | 24.11.2012
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বিশ্ব

ক্রসফায়ারের নামে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হত্যা

বাংলাদেশে একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তানকে ক্রসফায়ারের নামে হত্যার প্রমাণ পেয়েছে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়৷ মন্ত্রণালয় তদন্তের পর ব়্যাবের ৯ জন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা করার নির্দেশ দিয়েছে পুলিশ সদর দফতরকে৷

ঢাকার মিরপুরে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স থেকে যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা মো. আক্কাস আলির ছেলে নুর আলম বাবুকে ব়্যাব সদস্যরা ধরে নিয়ে যায় ২০০৯ সালের ১৩ই এপ্রিল৷ দু'দিন পর তার লাশ পাওয়া যায় সবুজবাগ এলাকায়৷ ব়্যাব তখন দাবি করে, সে অপরাধী এবং পালাতে গিয়ে ক্রসফায়ারে নিহত হয়৷

কিন্তু স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের দীর্ঘ তদন্তে জানা গেছে বাবু নিরপরাধ ছিল৷ আইউব আলী নামে একজনের অপকর্ম এবং মাদক ব্যবসায় বাধা দেয়ার কারণেই বাবুকে কৌশলে ব়্যাব দিয়ে আটক এবং ক্রসফায়ারে হত্যা করা হয়৷ তদন্ত রিপোর্টে বলা হয়েছে, কথিত ক্রসফায়ারের সময়ে কোন গোলাগুলির ঘটনা ঘটেনি৷ এক পাক্ষিকভাবে গুলি করা হয়েছে৷ তদন্ত শেষে গত ১১ নভেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ব়্যাব-৩-এর সে সময়ের কোম্পানি কমান্ডার মেজর মোস্তাফিজুর রহমানসহ ৯ ব়্যাব সদস্য এবং তাদের ৪ সহযোগীর বিরুদ্ধে পুলিশ সদর দফতরকে মামলা দেয়ার করার নির্দেশ দিয়েছে৷ নিহত বাবুর বাবা মুক্তিযোদ্ধা মো. আক্কাস আলি জানান, পুলিশ সদর দফতর এখনো মামলা করেনি৷

এ নিয়ে পুলিশ সদর দফতরের কোন বক্তব্য জানা না গেলেও জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মিজানুর রহমান ডয়চে ভেলেকে জানান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মামলার আদেশের একটি কপি তাদেরও দেয়া হয়েছে৷ পুলিশ সদর দফতর কী ব্যবস্থা নেয়, তারা এখন তা দেখার অপেক্ষা আছেন৷ তিনি জানান, সামনের মাসে তাদের কমিশনের বৈঠক আছে সেই বৈঠকে বিষয়টি পর্যালোচনা করা হবে৷

এদিকে নিহত বাবুর মা জাহানারা বেগম আজও তার ছেলেকে হারানোর ব্যথা ভুলতে পারেননি৷ তিনি চান তারা ছেলে হত্যার বিচার৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন