‘ক্যাসিনো′ চালানোর অভিযোগে যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার | বিশ্ব | DW | 18.09.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ

‘ক্যাসিনো' চালানোর অভিযোগে যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার

অবৈধভাবে ক্যাসিনো চালানোর অভিযোগে যুবলীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়াকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব৷

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত শনিবার আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় যুবলীগ নেতাদের নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন৷

বুধবার দুপুরের পর ঢাকার ফকিরাপুল ইয়ংমেনস ক্লাবে অবৈধভাবে ক্যাসিনো চালানোর অভিযোগে গুলশান ২ নম্বরের ৫৯ নম্বর সড়কে খালেদের বাসা এবং ফকিরাপুলের ইয়ংমেনস ক্লাবে অভিযান শুরু করেন র‌্যাব সদস্যরা৷ র‌্যাবের গণমাধ্যম শাখার পরিচালক সারোয়ার বিন কাশেম ডয়চে ভেলের কন্টেন্ট পার্টনার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, বুধবার সন্ধ্যায় গুলশানের বাসা থেকে খালেদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে৷ তিনি আরো জানান, ওই বাসা থেকে একটি অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র এবং লাইসেন্সের শর্ত ভঙ্গের অভিযোগে দুটি অস্ত্র জব্দ করা হয়েছে৷সারোয়ার বিন কাশেম জানান, সন্ধ্যায় ফকিরাপুল ইয়ংমেনস ক্লাবে মদ আর জুয়ার বিপুল আয়োজন চলছিল৷ সেখান থেকে দুই নারীকর্মীসহ ১৪২ জনকে আটক করা হয়, ২৪ লাখ টাকাও উদ্ধার করা হয়৷

শাহজাহানপুরের রেলওয়ে কলোনিতে বেড়ে ওঠা খালেদ মাহমুদ ভুঁইয়া ফকিরাপুলের ওই ক্লাবের সভাপতি৷

শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত শনিবারের ওই বৈঠকেই জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নয়ন প্রকল্পে চাঁদা দাবির অভিযোগে সমালোচনার মুখে থাকা রেজাওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও গোলাম রাব্বানীকে ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়৷ উপস্থিত আওয়ামী লীগ নেতাদের ভাষ্য অনুযায়ী সেদিনের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যুবলীগের ঢাকা মহানগরের একজন নেতা যা ইচ্ছে করে বেড়াচ্ছে, চাঁদাবাজি করছে৷ আরেকজন এখন দিনের বেলায় প্রকাশ্যে অস্ত্র উঁচিয়ে চলেন৷ সদলবলে অস্ত্র নিয়ে ঘোরেন৷ এসব বন্ধ করতে হবে৷ যারা অস্ত্রবাজি করেন, যারা ক্যাডার পোষেন, তারা সাবধান হয়ে যান, এসব বন্ধ করুন৷ তা না হলে যেভাবে জঙ্গি দমন করা হয়েছে, একইভাবে তাদেরকেও দমন করা হবে৷

এসিবি/এআই (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন