ক্যাপিটল হামলার নতুন ফুটেজ প্রকাশ | বিশ্ব | DW | 12.02.2021
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

অ্যামেরিকা

ক্যাপিটল হামলার নতুন ফুটেজ প্রকাশ

সেনেটে অভিশংসন বিচারে ক্যাপিটল হামলার নতুন ফুটেজ প্রকাশ করলেন ডেমোক্র্যাটরা। শুক্রবার থেকে রিপাবলিকানদের বলার কথা। 

ডনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে যদি কঠিন শাস্তির ব্যবস্থা করা না যায়, তাহলে তিনি আবার ক্ষমতায় ফিরতে পারেন। যা মার্কিন গণতন্ত্রের জন্য ভালো নয়। এই কথা বলেই সেনেটে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অভিযোগের বয়ান শেষ করেছেন ডেমোক্র্যাটরা। গত কয়েক দিন ধরে সেনেটে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের অভিশংসন বিচার শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ডেমোক্র্যাটরা তাঁদের অভিযোগ দায়ের করেছেন। শুক্রবার সকাল থেকে রিপাবলিকানরা ট্রাম্পের পক্ষে কথা বলতে শুরু করবেন।

এই নিয়ে দ্বিতীয়বার অভিশংসন বিচারের মুখে পড়তে হয়েছে ট্রাম্পকে। এর আগে মার্কিন কংগ্রেসে অভিশংসিত হলেও সেনেটে বেঁচে গিয়েছিলেন ট্রাম্প। এবারেও মার্কিন কংগ্রেস তাঁকে অভিশংসন করেছে। সেনেটে শুরু হয়েছে বিচার পর্ব। সেনেটে দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে ট্রাম্পকে ইমপিচ করা সম্ভব। কিন্তু তার জন্য ১৭ জন রিপাবলিকান সেনেটরকে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ভোট দিতে হবে। এখনো পর্যন্ত ১১ জন রিপাবলিকান ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ভোট দিতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে।

অভিশংসনের পক্ষে বিতর্কে ডেমোক্র্যাটরা বলেছেন, ক্যাপিটলে হামলার ঘটনা ট্রাম্পের উসকানিতেই হয়েছে। জনগণকে উত্তেজিত করেছিলেন ট্রাম্প। তাঁর বক্তৃতা শুনেই উত্তেজিত জনতা ক্যাপিটলের ভিতরে ঢুকে পড়েন এবং ভাঙাচুর শুরু করেন। ডেমোক্র্যাটদের অভিযোগ, এর আগেও জনতাকে উত্তেজিত করেছেন ট্রাম্প। নির্বাচনের পর থেকেই গণতান্ত্রিক নির্বাচনকে চ্যালেঞ্জ করতে শুরু করেছেন তিনি। জনতাও উত্তেজিত করেছেন। তারই ফলস্বরূপ ক্যাপিটলের ঘটনা ঘটেছে।

বৃহস্পতিবার সেনেটে কিছু নতুন ফুটেজ দেখান ডেমোক্র্যাটরা। সেখানে দেখা যাচ্ছে, মার্কিন পার্লামেন্ট সদস্যরা প্রাণ হাতে নিয়ে ক্যাপিটল থেকে পালাচ্ছেন। পিছনে উত্তেজিত জনতা তাঁদের ধাওয়া করেছে। এই ফুটেজ প্রথম জনসমক্ষে আনা হলো।

ডেমোক্র্যাটদের বক্তব্য, ট্রাম্পকে যদি অভিশংসন করা না হয়, তাহলে ভবিষ্যতে আবার তিনি ভোটে দাঁড়াতে পারবেন এবং জয়ী হয়ে ফের মার্কিন প্রেসিডেন্টও হতে পারবেন। সে ক্ষেত্রে ফের মার্কিন গণতন্ত্র প্রশ্নের মুখে পড়বে। ফলে সে কারণেই তাঁকে ইমপিচ করা উচিত। ট্রাম্প এর মধ্যেই ক্ষমতা হারিয়েছেন। তিনি এখন আর মার্কিন প্রেসিডেন্ট নন। এরপরেও যদি তাঁকে ইমপিচ করা হয়, তাহলে আর কখনো প্রেসিডেন্ট পদের জন্য লড়তে পারবেন না তিনি।

বৃহস্পতিবার জো বাইডেনও ইমপিচমেন্ট নিয়ে কথা বলেছেন। তাঁর বক্তব্য, বিষয়টি থেকে তিনি দূরে থাকতে চাইছেন। একটিও লাইভ ট্রায়াল তিনি দেখেননি। তবে খবর দেখছেন। খবরেই ক্যাপিটল হামলার নতুন ফুটেজ দেখেছেন। তাঁর বক্তব্য, দেশের মানুষ সবই দেখছেন। কীভাবে জনতাকে উত্তেজিত করা হয়েছিল, তা সকলের কাছে এখন পরিষ্কার। বাইডেন জানিয়েছেন, বিচারপর্ব শেষ হলে এ বিষয়ে তিনি তাঁর বক্তব্য জানাবেন। তবে এদিন তিনি বলেছেন, নতুন ফুটেজ দেখে রিপাবলিকানদেরও নিশ্চয় মত বদল হবে।

এদিকে ডেমোক্র্যাটদের বক্তব্য, এপ্রিল মাসে মিশিগানে রাজ্যের সরকারি ভবন আক্রমণ করেছিল দক্ষিণপন্থিরা। ওই ঘটনা ছিল ক্যাপিটল আক্রমণের স্টেজ রিহার্সল বা মহড়া। মিশিগানের মডেলেই ক্যাপিটল আক্রমণ হয়েছিল। এটিও এই ঘটনায় নতুন বক্তব্য।

এসজি/জিএইচ (রয়টার্স, এপি, এএফপি)