কোণঠাসা হয়েও ঘুরে দাঁড়াতে চাইছে ম্যার্কেলের শিবির | বিশ্ব | DW | 14.09.2021
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

জার্মান নির্বাচন

কোণঠাসা হয়েও ঘুরে দাঁড়াতে চাইছে ম্যার্কেলের শিবির

রোববারের টেলিভিশন বিতর্কে আক্রমণাত্মক অবস্থান নিয়ে চাঙ্গা বোধ করছেন জার্মানির ইউনিয়ন শিবিরের প্রার্থী লাশেট৷ সাধারণ নির্বাচনের দুই সপ্তাহ আগেও এসপিডি প্রার্থী শলৎস এখনো এগিয়ে আছেন৷

ঘুরে দাঁড়াতে চাইছে ম্যার্কেলের শিবির

ঘুরে দাঁড়াতে চাইছে ম্যার্কেলের শিবির

জার্মানির সাধারণ নির্বাচনের আর দুই সপ্তাহও দেরি নেই৷ জনমত সমীক্ষার ফলাফল শেষ পর্যন্ত সত্য প্রমাণিত হলে আগামী সরকারের নেতৃত্ব দিতে চলেছে সামাজিক গণতন্ত্রী এসপিডি দল৷ এমন সম্ভাবনার মুখে মরিয়া হয়ে একেবারে শেষ মুহূর্তে ঘুরে দাঁড়াতে চাইছে বিদায়ী চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেলের ইউনিয়ন শিবির৷ রোববারের টেলিভিশন বিতর্কে আক্রমণাত্মক ভূমিকা নিয়ে চাঙ্গা বোধ করছেন শিবিরের চ্যান্সেলর পদপ্রার্থী আরমিন লাশেট৷ সোমবার লোয়ার স্যাক্সনি রাজ্যে স্থানীয় নির্বাচনে সিডিইউ দলের জয়ের ফলে তিনি আরও উৎসাহ বোধ করছেন৷ সাধারণ নির্বাচনেও জয়ের আশা নিয়ে লাশেট জনমত সমীক্ষার বদলে নির্বাচনের ফলাফলের উপর বেশি জোর দিচ্ছেন৷ ধারাবাহিকভাবে জনপ্রিয়তা হারানোর ফলে নির্বাচনি প্রচারে বিদায়ী চ্যান্সেলর ম্যার্কেলকে আরও বেশি শামিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিডিইউ ও সিএসইউ দল৷

টেলিভিশন বিতর্কে রাজনৈতিক শক্তিগুলির মধ্যে পার্থক্য আরও স্পষ্ট হবার পর ইউনিয়ন শিবির ক্ষমতায় এলে প্রথম একশো দিনের কর্মসূচি তুলে ধরেছে৷ তবে উদারপন্থি এফডিপি দল চার পাতার সেই তালিকার সমালোচনা করে সেটিকে তাদের দলীয় কর্মসূচির ‘দুর্বল নকল' হিসেবে দাবি করেছে৷

লাশেট একাই টেলিভিশন বিতর্ক সম্পর্কে সন্তুষ্টি প্রকাশ করছেন না৷ তার দুই প্রতিদ্বন্দ্বী এসপিডি দলের চ্যান্সেলর পদপ্রার্থী ওলাফ শলৎস ও সবুজ দলের চ্যান্সেলর পদপ্রার্থী আনালেনা বেয়ারবকও এই সংঘাতের পর বাড়তি উৎসাহ পাচ্ছেন৷ বিশেষ করে আক্রমণের মুখেও শলৎস এখনো সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য প্রার্থী হিসেবে জনমত সমীক্ষার শীর্ষে রয়েছেন৷ তবে আগামী দিনগুলিতেও তিনি নিজের জনপ্রিয়তা ধরে রাখতে পারবেন কিনা, তার উপর তার দলের সাফল্য নির্ভর করবে৷ ইউনিয়ন শিবিরের আক্রমণ নস্যাৎ করে এসপিডি দলের এক নেতা বলেছেন, গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে স্পষ্ট অবস্থানের অভাব ঢাকতেই এমন নোংরামির আশ্রয় নিচ্ছে ম্যার্কেলের শিবির৷

সোমবার সন্ধ্যায় জার্মানির অপেক্ষাকৃত ছোট চারটি দলের নেতাদের মধ্যে এক টেলিভিশন বিতর্ক অনুষ্ঠিত হয়েছে৷ উদারপন্থী এফডিপি, বামপন্থি ‘ডি লিংকে', কট্টর দক্ষিণপন্থি এএফডি ও বাভেরিয়ার সিএসইউ দলের নেতারা নিজস্ব অবস্থান তুলে ধরেন৷ সেই বিতর্কে বিভিন্ন বিষয়ে দলগুলির মধ্যে মৌলিক পার্থক্য উঠে এসেছে৷ বিশেষ করে পররাষ্ট্র নীতির ক্ষেত্রে অনমনীয় অবস্থানের কারণে বামপন্থি দল আগামী জোট সরকারের শরিক হতে পারবে কিনা, সে বিষয়ে সংশয় আরও বেড়ে গেছে৷ এর আগে এসপিডি ও সবুজ দলও এমন নীতির ক্ষেত্রে কোনো আপোশের সম্ভাবনা উড়িয়ে দিয়েছিল৷ ফলে বাম ‘জুজু' দেখিয়ে বাকি দলগুলির পক্ষে ভোটারদের সমর্থন আদায় করা কঠিন হয়ে উঠতে পারে৷

এসবি/কেএম (ডিপিএ, এএফপি)

 

সংশ্লিষ্ট বিষয়