কোণঠাসা গোয়েন্দা প্রধানের পদোন্নতি মেনে বিপাকে ম্যার্কেল | বিশ্ব | DW | 19.09.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

জার্মানি

কোণঠাসা গোয়েন্দা প্রধানের পদোন্নতি মেনে বিপাকে ম্যার্কেল

জার্মানির অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান তাঁর পদ খোয়ালেন৷ কিন্তু একই সঙ্গে তাঁর পদোন্নতিও হলো৷ ফলে চারিদিক থেকে সমালোচনার মুখে পড়েছেন ম্যার্কেল ও তাঁর জোট সরকারের নেতারা৷

সাপও মরবে, লাঠিও ভাঙবে না – জার্মানির জোট সরকার তার অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে এমনই এক সমাধানসূত্রের খোঁজ করছিল৷ তিন শরিক দল নিজেদের মুখরক্ষা করতে মঙ্গলবার এমনই এক সমঝোতায় পৌঁছালো৷ বিশেষ করে এসপিডি দলের দাবি মেনে অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান হান্স গেয়র্গ মাসেনকে বিদায় নিতে হলো৷ কেমনিৎস-কাণ্ডের পর তাঁর বিতর্কিত ভূমিকার জোরালো সমালোচনা শোনা যাচ্ছিল৷

প্রকাশ্যে না বললেও চ্যান্সেলর ম্যার্কেলের সিডিইউ দলও এমনটাই চাইছিল৷ অন্যদিকে বাভেরিয়ার সিএসইউ দলের প্রধান ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হর্স্ট সেহোফার এই দাবির বিপক্ষে ছিলেন৷ শেষ পর্যন্ত মাসেনকে তাঁর পদ থেকে সরিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে নিযুক্ত করে তিনিও নিজের মুখরক্ষা করতে পারলেন৷ ফলে আপাতত সরকারের মধ্যে সংকট দূর হলো৷ বাভেরিয়া রাজ্যে আসন্ন নির্বাচনের পরিপ্রেক্ষিতে সরকারের শরিক দলগুলি ১১ দিন ধরে সংকটের পর অনেকটা বাধ্য হয়ে এমন আপোশ মীমাংসা করতে বাধ্য হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে৷

কিন্তু শাস্তির বদলে পদোন্নতির এই সিদ্ধান্তের জোরালো সমালোচনা করছে অনেক মহল৷ গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান হিসেবে আস্থা হারানো সত্ত্বেও মাসেনকে নিরাপত্তার সঙ্গে সম্পর্কিত আরো গুরুত্বপূর্ণ পদ দেওয়ার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে৷ বিরোধী সবুজ ও বাম দল এমন পদক্ষেপের জোরালো সমালোচনা করেছে৷ বাম দলের মতে, এর ফলে জার্মানির অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা সংস্থার বিশ্বাসযোগ্যতার ক্ষতি হবে৷ সরকারের শরিক দল হিসেবে এসপিডি কীভাবে এমন আপোশ মীমাংসা মেনে নিলো, তা নিয়েও ঘরে-বাইরে প্রশ্ন উঠছে৷ মাসেন চ্যান্সেলর ম্যার্কেলকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ করা সত্ত্বেও কীভাবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ পদে নিযুক্ত হলেন, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে৷ একমাত্র চরম দক্ষিণপন্থি এএফডি দল বিতর্কের শুরু থেকে মাসেনের প্রতি সমর্থন জানিয়ে আসছে৷

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে জার্মানির চরম দক্ষিণপন্থি শক্তি আখেরে ফায়দা তুলবে বলেও মনে করছেন অনেক পর্যবেক্ষক৷ কেমনিৎস শহরে বিদেশি বিদ্বেষের ঘটনাকে কিছুটা লঘু করে দেখিয়ে তাদের প্রতি প্রচ্ছন্ন সহানুভূতি প্রকাশ করেছেন, এমন সমালোচনা সত্ত্বেও মাসেন নিজের ভুল স্বীকার করেননি৷ এএফডি দলও তাঁর প্রতি সমর্থন প্রকাশ করে আসছে৷ ২০১৫ সালে শরণার্থীদের ঢলের মুখে চ্যান্সেলর ম্যার্কেল যে ‘উদার' নীতি গ্রহণ করেছিলেন, মাসেন এর আগেও তার সমালোচনা করেছেন৷

এসবি/এসিবি (ডিপিএ, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন