কেমনিৎসের ঘটনায় চাপে জার্মানির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী | বিশ্ব | DW | 05.09.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

জার্মানি

কেমনিৎসের ঘটনায় চাপে জার্মানির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সম্প্রতি জার্মানির কেমনিৎস শহরে এক জার্মান নাগরিকের হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে চরম ডানপন্থিরা বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন৷ এই সময় বর্ণবাদ ও বিদেশি বিদ্বেষের বহিঃপ্রকাশও ঘটে৷

ডানিয়েল এইচ. নামে ৩৫ বছর বয়সি ঐ জার্মান নাগরিকের হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে এক সিরীয় ও এক ইরাকি নাগরিককে আটক করা হয়েছে৷ আরো এক ইরাকি ব্যক্তিকে খুঁজছে পুলিশ৷

মঙ্গলবার ঐ সন্দেহভাজন ব্যক্তির পুরো নাম ও ছবি (এই প্রতিবেদনের সঙ্গেও যুক্ত করা হলো) প্রকাশ করেছে স্যাক্সনি রাজ্যের পুলিশ৷ তাকে ধরার জন্য পোস্টারও ছাপা হয়েছে৷ ঐ ব্যক্তির নাম ফরহাদ রমাজান আহমেদ, বয়স ২২৷ তিনি ইরাকের নাগরিক৷

পুলিশ বলছে, আহমেদের কাছে অস্ত্রও থাকতে পারে৷

Verdächtiger Farhad RAMAZAN AHMAD (Polizei Sachsen)

ফরহাদ রমাজান আহমেদ

পরিচয় নিয়ে বিভ্রান্তি

জার্মান নাগরিককে হত্যার দায়ে ইতিমধ্যে আটক হওয়া দুই ব্যক্তির পরিচয় নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে৷ কারণ, পুলিশ বলছে, সন্দেহভাজন ইরাকি ব্যক্তির নাগরিকত্বের পরিচয়পত্র ও অন্যান্য নথিপত্র ‘পুরোপুরি নকল'৷

অপর সন্দেহভাজন ব্যক্তি সিরীয় শরণার্থী হিসেবে জার্মানিতে নিবন্ধিত আছেন৷ তবে শুধুমাত্র তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতেই তাকে সিরীয় হিসেবে দেখানো হয়েছে৷

চাপে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জার্মানির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হর্স্ট সেহোফার অভিবাসনবিরোধী বলে পরিচিত৷ ফলে এই সময়ে দু'জন সহিংস ব্যক্তি কীভাবে শরণার্থী হিসেবে জার্মানিতে আছেন - স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে এখন সেই প্রশ্নের উত্তর জানতে চাইছেন অনেকে৷

উত্তরে সেহোফার জার্মানির অভিবাসন বিষয়ক কার্যালয় ‘বাম্ফ'-এর বক্তব্য তুলে ধরেছেন৷ বাম্ফ জানিয়েছে, কাগজপত্রের সত্যতা যাচাই করার মতো পর্যাপ্ত প্রশিক্ষিত জনবলের অভাব রয়েছে৷ তাই ঐ দুই ব্যক্তির কাগজপত্র খতিয়ে দেখতে ‘অনেক বেশি সময়' লেগেছে৷

বাম্ফের এই বক্তব্য তুলে ধরে সেহোফার জানান, তিনি ছয় মাস আগেই বাম্ফকে জনবল বাড়ানোর অনুরোধ করেছিলেন৷

সম্পাদকের নোট: ডয়চে ভেলে জার্মান প্রেস কোড অনুসরণ করে৷ এই কোড অনুযায়ী একজন সন্দেহভাজন অপরাধী কিংবা ভুক্তভোগীর গোপনীয়তা রক্ষার উপর গুরুত্ব দেয়া হয়৷ ফলে তাদের পুরো নাম প্রকাশ করা যায় না৷ কিন্তু এক্ষেত্রে যেহেতু পুলিশ সন্দেহভাজনকে খুঁজছে এবং সেজন্য পোস্টারও ছাপিয়েছে, তাই এই প্রতিবেদনের সঙ্গে সন্দেহভাজনের পুরো নাম প্রকাশ করা হলো৷

এলিজাবেথ শুমাখার/জেডএইচ

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন