কৃষক হত্যা: মন্ত্রীর ছেলে গ্রেপ্তার, মহারাষ্ট্রে বনধ | বিশ্ব | DW | 11.10.2021
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

ভারত

কৃষক হত্যা: মন্ত্রীর ছেলে গ্রেপ্তার, মহারাষ্ট্রে বনধ

লখিমপুর খেরি-তে কৃষক হত্যায় অভিযুক্ত কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর ছেলে অবশেষে গ্রেপ্তার। মহারাষ্ট্রে ১২ ঘণ্টার বনধ শুরু।

উত্তরপ্রদেশে যোগী আদিত্যনাথের কুশপুতুল পোড়াচ্ছেন কৃষকরা।

উত্তরপ্রদেশে যোগী আদিত্যনাথের কুশপুতুল পোড়াচ্ছেন কৃষকরা।

অবশেষে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ছেলে আশিস মিশ্রকে গ্রেপ্তার করলো উত্তরপ্রদেশ পুলিশ। ১৩ ঘণ্টা ধরে জেরা করার পর তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের আইজি উপেন্দ্র আগরওয়াল জানিয়েছেন, আশিস পুলিশের সঙ্গে সহযোগিতা করেনি এবং জেরার জবাবে সে যে উত্তর দিয়েছে তাতেও পুলিশ সন্তুষ্ট নয়। আশিসের বিরুদ্ধে অভিযোগ, গাড়ি চাপা দিয়ে সে চারজন কৃষককে হত্যা করেছে। আশিস ও তারা বাবা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অজয় মিশ্র দাবি করছেন, তারা ওই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত নন। 

তবে বিরোধীরা মনে করছেন, সুপ্রিম কোর্টের চাপেই আশিসকে গ্রেপ্তার করতে বাধ্য হলো উত্তরপ্রদেশ পুলিশ। কারণ, সুপ্রিম কোর্ট প্রশ্ন করেছিল, কতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়ে হয়েছে? সর্বোচ্চ আদালত জানিয়ে দিয়েছিল যে, তারা পুলিশের তদন্ত নিয়ে একেবারেই সন্তুষ্ট নয়। কেন আশিস মিশ্রকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়নি, সে প্রশ্নও উঠেছিল। 

মহারাষ্ট্রে বনধ

কৃষকদের সমর্থনে সোমবার ১২ ঘণ্টার মহারাষ্ট্র বনধ শুরু হয়ছে। কৃষক সংগঠনের ডাকা বনধকে সমর্থন করছে ক্ষমতাসীন তিন দল শিবসেনা, কংগ্রেস ও এনসিপি। বিজেপি এই বনধের বিরোধিতা করছে। এনসিপি নেতা ও রাজ্যের মন্ত্রী নবাব মালবিক জানিয়ে দিয়েছেন, অত্যাবশ্যকীয় পরিষেবা ছাড়া রাজ্যে বাকি সব কিছু বন্ধ থাকবে।

শিবসেনা নেতা সঞ্জয় রাউতও জানিয়েছেন, তারা পুরোদমে বনধকে সফল করতে মাঠে নামবেন। ক্ষমতাসীন তিন দলই বনধ সমর্থন করছে এবং তারা বনধ সফল করবে বলে তিনি জানিয়েছেন। ব্যবসায়ীদের একটি অ্যাসোসিয়েশন আগে বনধের বিরোধিত করেছিল। কিন্তু তারাও জানিয়ে দিয়েছে, তারা দোকানপট বন্ধ রাখবে।

বিজেপি অবশ্য হুমকি দিয়ে জানিয়েছে, জোর করে কোনো দোকানপাট বন্ধ করা যাবে না। তারাও বনধ ব্যর্থ করতে রাস্তায় নামবে বলে জানিয়েছে। দলের নেতা নীতীশ রানে বলেছেন, জোর করে দোকান বন্ধ করতে গেলে বিজেপি কর্মকর্তারাও সক্রিয় হবেন।

জিএইচ/এসজি (পিটিআই, এএনআই, এনডিটিভি)