কৃত্রিম পা নিয়ে খেলাধুলায় সাফল্য | অন্বেষণ | DW | 08.08.2016
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

অন্বেষণ

কৃত্রিম পা নিয়ে খেলাধুলায় সাফল্য

শারীরিক প্রতিবন্ধকতা অনেক মানুষকেই দমিয়ে রাখতে পারে না৷ একদিকে মনের জোর, অন্যদিকে প্রযুক্তির উন্নতি কাজে লাগিয়ে তাঁরা অসম্ভবকে সম্ভব করে দেখান৷ এমনই এক অ্যাথলিট-এর কাহিনি অনুপ্রেরণা যোগাতে পারে৷

খেলাধুলাই হাইনরিশ পপফ-এর ধ্যানজ্ঞান৷ ২৮ বছর বয়স্ক এই যুবক প্রতিবন্ধীদের অলিম্পিক প্রতিযোগিতায় সেরা অ্যাথলিটদের একজন৷ ন'বছর বয়সে এক টিউমারের কারণে তাঁর বাঁ পায়ের একটা অংশ হারাতে হয়৷ ফলে বাধ্য হয়ে তাঁকে পেশাদারি ফুটবল খেলোয়াড় হবার স্বপ্ন ত্যাগ করতে হয়৷ পপফ বলেন, ‘‘অ্যাম্পুটেশনের পর হাসপাতালের জানালার বাইরে তাকিয়ে বাচ্চাদের ফুটবল খেলা দেখতে খুব কষ্ট হয়েছিল৷ বাইরে যেতে না পারার কষ্ট মনকে যতটা পীড়া দিত, কেমোথেরাপি ততটা কষ্টকর ছিল না৷ অঙ্গহানি মেনে নেবার এটাই ছিল প্রথম ধাপ৷ খেলার মাঠে আমার আর জায়গা নেই৷ এতে কার না মেজাজ খারাপ হয়! তখন হাড়ে হাড়ে টের পাওয়া যায়, যে আর খেলা যাবে না৷ দু'টো না একটা পা আছে, তাতে কিছুই এসে যায় না৷ তখন খেলার আকাঙ্ক্ষা বেড়ে গেল৷ নিজের প্রতিবন্ধকতা সম্পর্কে আরও সচেতন হয়ে পড়লাম৷''

হাইনরিশ পপফ সেই প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও হার মানেননি৷ বছরের পর বছর ধরে অনুশীলন ও কৃত্রিম অঙ্গের ক্ষেত্রে আধুনিক প্রযুক্তির দৌলতে তাঁর মুভমেন্ট বাকি খেলোয়াড়দের থেকে আলাদা নয়৷ ২০১২ সালের গ্রীষ্মে পপফ লন্ডনে প্যারালিমপিক্স-এর জন্য অনুশীলন করেছেন৷ ১০০ মিটার দৌড়ে তিনিই ছিলেন ফেভারিট৷ পপফ বলেন, ‘‘এথেন্সে তৃতীয় ও বেইজিং-এ দ্বিতীয় স্থান পেয়েছি৷ আমার মটো হলো ৩-২-১৷ এভাবেই গুনতে শিখেছি৷ লন্ডনে জিততেই যাচ্ছি৷ দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান আগেই পেয়েছি৷ এবার আমি জয় চাই৷''

পপভ ১০০ মিটার দৌড়ে স্বর্ণপদক পেয়েছিলেন৷ তাঁর জন্য বিশেষভাবে কার্বনের তৈরি কৃত্রিম অঙ্গই এমন ক্ষমতা নিশ্চিত করছে৷ পপফ বলেন, ‘‘এই কৃত্রিম অঙ্গের বৈশিষ্ট্য হলো, এর উপর পুরোপুরি নির্ভর করা যায়৷ মাঝরাস্তায় বিকল হয়ে যায় না৷ একশ' শতাংশ আস্থা করা যায়৷''

অটো বক কোম্পানি বিশ্বের সবচেয়ে আধুনিক অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ প্রস্তুত করে৷ প্রত্যেকটি আলাদা করে ব্যবহারকারীর বিশেষ প্রয়োজন অনুযায়ী তৈরি করা হয়৷ ফলে তাঁরা স্বাভাবিক জীবনে ফেরার সুযোগ পান৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

ইন্টারনেট লিংক

সংশ্লিষ্ট বিষয়