কূটনীতিক স্তরে বেজিং অলিম্পিক বয়কট বাইডেনের | বিশ্ব | DW | 19.11.2021
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

অ্যামেরিকা

কূটনীতিক স্তরে বেজিং অলিম্পিক বয়কট বাইডেনের

২০২২ সালে বেজিংয়ে উইন্টার অলিম্পিকে অ্যামেরিকার কোনো কূটনীতিক যাবেন না বলে জানিয়ে দিলেন জো বাইডেন।

চীনের সঙ্গে সম্পর্ক আরো খারাপ হলো অ্যামেরিকার। বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন জানিয়ে দিলেন, বেজিংয়ে আয়োজিত উইন্টার অলিম্পিকে অ্যামেরিকার কোনো কূটনীতিক বা কর্মকর্তা যাবেন না। তবে খেলোয়াড়রা যাবেন।

মেক্সিকোর রাষ্ট্রপ্রধান এবং ক্যানাডার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এদিন বৈঠক করেছেন বাইডেন। তার আগেই চীন বিষয়ে কথা বলার সময় সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।

সম্প্রতি শি জিনপিংয়ের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক হয়েছে বাইডেনের। চীনের প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সঙ্গেও মার্কিন কর্মকর্তাদের লম্বা বৈঠক হয়েছে। কিন্তু সেখানে বেজিং অলিম্পিক নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি। হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, চীনে যেভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘন করা হচ্ছে, তার জেরেই অ্যামেরিকা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

বস্তুত, এর আগে শিনজিয়াং প্রদেশে উইঘুর মুসলিমদের উপর চীন অত্যাচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছিল অ্যামেরিকা। বিষয়টিকে গণহত্যার সঙ্গেও তুলনা করা হয়েছিল। যা নিয়ে কড়া জবাব দিয়েছিল চীন। বাইডেন না বললেও হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র সে বিষয়টিকেই ফের সামনে নিয়ে এসেছেন।

তবে হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, খেলোয়াড়দের বেজিং অলিম্পিকে যোগ দিতে কোনো বাধা থাকবে না। কিন্তু তাদের সঙ্গে কোনো কর্মকর্তা বা কূটনীতিক যাবেন না।

সম্প্রতি হংকং এবং তাইওয়ান নিয়েও চীনের সঙ্গে বিতর্ক হয়েছে অ্যামেরিকার। দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের ক্ষমতাবৃদ্ধি নিয়েও মন্তব্য করেছেন বাইডেন। তবে উইন্টার অলিম্পিক নিয়ে তার সিদ্ধান্ত দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে বিপুল প্রভাব ফেলবে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

এসজি/জিএইচ (রয়টার্স, নিউ ইয়র্ক টাইমস)