কিশোরদের বিরুদ্ধে চার্জশিট, তাসনিম খলিলদের অব্যাহতির আবেদন | বিশ্ব | DW | 09.02.2021
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ

কিশোরদের বিরুদ্ধে চার্জশিট, তাসনিম খলিলদের অব্যাহতির আবেদন

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় গ্রেপ্তার কার্টুনিস্ট আহমেদ কবির কিশোর, লেখক মুশতাক আহমেদ ও ‘রাষ্ট্রচিন্তা’র সদস্য দিদারুল ইসলাম ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দিয়েছে পুলিশ৷

কিশোরের আঁকা একটি কার্টুন

কিশোরের আঁকা একটি কার্টুন

অনলাইনে রাষ্ট্রবিরোধী প্রচারের এই মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে চার মাস কারাগারে থাকা মিনহাজ মান্নান ইমন, বিদেশে থাকা তাসনিম খলিলসহ অন্য আট আসামিকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতির আবেদন করা হয়েছে পুলিশের পক্ষ থেকে৷

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)-এর সাবেক পরিচালক মিনহাজ মান্নান ব্রোকারেজ হাউজ বিএলআই সিকিউরিটিজের কর্ণধার৷ তার সঙ্গে মামলার আসামি নেত্র নিউজের সম্পাদক, সুইডেন প্রবাসী তাসনিম খলিল, জার্মানিতে থাকা ব্লগার আসিফ মহিউদ্দিন, যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী সাংবাদিক শাহেদ আলম, হাঙ্গেরি প্রবাসী জুলকারনাইন সায়ের খান, আশিক ইমরান, স্বপন ওয়াহিদ ও ফিলিপ শুমাখারকেও অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেওয়ার আবেদন জানায় পুলিশ৷

গত বৃহস্পতিবার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে এই মামলায় অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয় বলে ঢাকা মহানগর পুলিশের অপরাধ তথ্য ও প্রসিকিউশন বিভাগের কমর্চারী ফরহাদ হোসেন জানিয়েছেন৷ গত বছর ৬ মে কার্টুনিস্ট আহমেদ কবির কিশোর এবং ব্যবসায়ী-লেখক মুশতাক আহমেদকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব৷ পরে আরো ১১ জনকে আসামি করে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলা দায়ের করেন র‌্যাব-৩-এর ডিএডি আবু বকর সিদ্দিক ৷ পরেরদিন গ্রেপ্তার করা হয় মিনহাজ মান্নান ও দিদারুলকেও৷

ফেসবুক ব্যবহার করে জাতির জনক, মুক্তিযুদ্ধ, করোনাভাইরাস মহামারি সম্পর্কে গুজব, রাষ্ট্র/সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার অভিপ্রায়ে অপপ্রচার বা বিভ্রান্তি ছড়ানো, অস্থিরতা-বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির পাঁয়তারার অভিযোগ আনা হয় আসামিদের বিরুদ্ধে৷ র‌্যাবের দাবি ‘I am Bangladeshi’ পেইজ থেকে রাষ্ট্রের সুনাম ও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করতে বিভিন্ন পোস্ট দেওয়ায় পেইজে সম্পৃক্ত কিশোর, মুশতাক, দিদারুলকে গ্রেপ্তার করা হয়৷

হোয়াটস অ্যাপ ও ফেসবুক মেসেঞ্জারে কিশোর ও মুশতাকের সঙ্গে তাসনিম খলিল, জুলকারনাইন সায়ের খান, শাহেদ আলম, আসিফ মহিউদ্দিনের ‘ষড়যন্ত্রমূলক চ্যাটিংয়ের প্রমাণ’ পাওয়ার দাবিও করে র‌্যাব৷ দিদারুল ও মিনহাজ ফেসবুকে মুশতাকের ‘ফ্রেন্ড’ উল্লেখ করে মামলায় বলা হয়, ‘‘তাদের সাথে হোয়াটস অ্যাপ ও ফেসবুক মেসেঞ্জারে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক চ্যাটিংয়ের প্রমাণ পাওয়া গেছে৷’’

সে সময় গ্রেপ্তার হয়ে মিনহাজ মান্নান ও দিদার সেপ্টেম্বরে জামিনে ছাড়া পেলেও এখনো কারাগারে বন্দি আছেন কার্টুনিস্ট কিশোর ও লেখক মুশতাক৷

তবে কিশোর, মুশতাক ও দিদারের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিয়ে বাকিদের অব্যাহতির সুপারিশের কারণ হিসেবে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রমাণ না পাওয়ার কথা জানিয়েছে পুলিশ৷

এনএস/এসিবি (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)

ভিডিও দেখুন 58:18

আল জাজিরার প্রতিবেদন সত্য, আংশিক সত্য, নাকি মিথ্যা?

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়