কিয়েভের দিকে এগোচ্ছে রুশ সেনারা | বিশ্ব | DW | 11.03.2022

ডয়চে ভেলের নতুন ওয়েবসাইট ভিজিট করুন

dw.com এর বেটা সংস্করণ ভিজিট করুন৷ আমাদের কাজ এখনো শেষ হয়নি! আপনার মতামত সাইটটিকে আরো সমৃদ্ধ করতে পারে৷

  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

ইউক্রেন

কিয়েভের দিকে এগোচ্ছে রুশ সেনারা

ইউক্রেনের বেশ কয়েকটি গুরুত্বর্পূণ শহরে হামলা চালানোর পর ধীরে ধীরে রাজধানী কিয়েভের দিকে অগ্রসর হচ্ছে রুশ সেনারা।

রাশিয়ার হামলার পর কিয়েভের কাছের একটি শহরের অবস্থা।

রাশিয়ার হামলার পর কিয়েভের কাছের একটি শহরের অবস্থা।

উপগ্রহ চিত্রে দেখা গেছে, রাশিয়া কিয়েভের কাছে তাদের সেনাকে নতুন করে সাজিয়েছে। তারা কাছের শহরগুলি ঘিরে ফেলেছে। লুবিয়াঙ্কার কাছে তারা পজিশন নিয়েছে। কাছেই তারা কামান নিয়ে গেছে। কিছু সাঁজোয়া যান অ্যান্টোনভ বিমানবন্দরের উত্তরে গেছে এবং কিছু যান কাছের জঙ্গলে ঢুকেছে।

গত সপ্তাহে রুশ সেনা আর কিয়েভের দিকে এগোয়নি। মনে করা হচ্ছে, তাদের খাবার ও জ্বালানির সংকট ছিল। এখন আবার তারা কিয়েভের কাছাকাছি আসছে।

মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইউক্রেনও কামান-বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়ছে।

কিয়েভের অবস্থা

কিয়েভের মেয়র জানিয়েছেন, শহরের অর্ধেক মানুষ চলে গেছেন। শহর এখন দুর্গের চেহারা নিয়েছে। শহরের মানুষ প্রতিজ্ঞা করেছেন যে, তারা কিছুতেই রুশ সেনাকে কিয়েভ অধিকার করতে দেবেন না।

সাবেক বক্সিং চ্যাম্পিয়ন ক্লিচকো বলেছেন, প্রতিটি রাস্তা, প্রতিটি বাড়ি, প্রতিটি চেকপয়েন্ট দুর্গের চেহারা নিয়েছে। সাধারণ মানুষ ইউনিফর্ম পরে মেশিনগান হাতে নিয়ে তা পাহারা দিচ্ছেন।

ইউক্রেনের দাবি

ইউক্রেন দাবি করেছে, তারা রাশিয়ার দশটি যুদ্ধবিমান ধ্বংস করেছে। সেই সঙ্গে তারা দুইটি বড় কনভয় ধ্বংস করেছে বলেও দাবি করেছে। একটি বিবৃতিতে তারা জানিয়েছে, এসইউ ২৫ ও এসইউ ৩৪ জেট ধ্বংস করা হয়েছে। ইউক্রেন অবশ্য জানায়নি, কোথায় তারা এই পাল্টা আঘাত করেছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ও এই নিয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। ইউক্রেনের এই দাবি এখনো পর্যন্ত যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

জেলেনস্কির অভিযোগ

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি অভিযোগ করেছেন, রাশিয়া মারিউপলে মানব করিডোরের উপর হামলা করেছে। এটা সন্ত্রাস ছাড়া আর কিছু নয়।

জেলেনস্কি জানিয়েছেন, গত দুই দিন যুদ্ধবিরতি থাকার সময় এক লাখ মানুষকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। কিছু শহরে বাসিন্দাদের পক্ষে অন্যত্র যাওয়া সম্ভব ছিল না। তাদের কাছে জল, খাবার, ওষুধ ভর্তি ট্রাক পাঠানো হয়েছে।

জিএইচ/এসজি (এপি, এএফপি, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন