কিউবার বিরুদ্ধবাদী ফারিনিয়াস পেলেন সাখারভ পুরস্কার | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 15.12.2010
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

কিউবার বিরুদ্ধবাদী ফারিনিয়াস পেলেন সাখারভ পুরস্কার

ইউরোপীয় সংসদের চলতি বছরের মানবাধিকার পুরস্কার - সাখারভ পুরস্কার দেয়া হলো কিউবার বিরুদ্ধবাদী গিলার্মো ফারিনিয়াসকে৷ বুধবার স্ট্রাসবুর্গে তাঁর অনুপস্থিতিতে পুরস্কারটি দেয়া হয়, কারণ কিউবার সরকার তাঁকে কিউবা ছাড়তে দেয়নি৷

default

গিলার্মো ফারিনিয়াস

বিরুদ্ধবাদী ও বিরোধী ব্যক্তিত্ব গিলার্মো ফারিনিয়াস দ্বীপরাষ্ট্র কিউবার রাজনৈতিক বিরোধীদের পক্ষে বহুবার আমরণ অনশন করেছেন৷ ৪৮ বছর বয়েসি মনোস্তাত্ত্বিক ও সাংবাদিক ফারিনিয়াস এ বছর ১৩৫ দিন অনশন করেন ২৬ জন অসুস্থ বিরোধী ব্যক্তির মুক্তির লক্ষ্যে৷ তিনি অনশন ভঙ্গ করেন সে দেশের ক্যাথলিক চার্চের সরকারের একটি সমঝোতা প্রস্তাব ঘোষণার পর৷ প্রস্তাবে বলা হয় পর্যায়ক্রমে রাজনৈতিক বিরোধীদের মুক্তি দেয়া হবে৷ এঁদের মধ্যে রয়েছেন ৭৫ জন বিরুদ্ধবাদী - যাঁদেরকে গ্রেফতার করা হয়েছিল দুই হাজার তিন সালে৷

ফারিনিয়াস অনশন ধর্মঘট শুরু করেন চলতি বছরের ২৩ ফেব্রুয়ারি রাজনৈতিক বন্দি অর্লান্ডো সাপাতা তামায়ো এর মৃত্যুর একদিন পর৷ তামায়ো ছিলেন একজন সাধারণ শ্রমিক৷ তিনি ৮৬ দিন অনশন করেন রাজনৈতিক বন্দিদের বন্দি জীবনের বিভিন্ন শর্তের উন্নতির জন্য৷

NO FLASH Kuba Guillermo Farinas

ফারিনিয়াস মোট ২৩টি অনশন ধর্মঘটে অংশ গ্রহণ করেন

ফারিনিয়াস অনশন ধর্মঘটের বেশির ভাগ সময় কাটান সান্টা ক্লারা নামক একটি হাসপাতালের ইনটেনসিভ স্টেশনে৷ এত কিছু সত্ত্বেও কিউবার সরকারের সমালোচক ফারিনিয়াস মনে করেন, তাঁর দেশে ইতিমধ্যে পরিবর্তন ঘটেছে৷

ফারিনিয়াস মোট ২৩টি অনশন ধর্মঘটে অংশ গ্রহণ করেন৷ প্রথমে কিউবার সাবেক প্রেসিডেন্ট ফিডেল কাস্ট্রো এবং পরে তাঁর ভাই রাউল এর সরকারের বিরুদ্ধে৷

এক বিপ্লবীর ছেলে হিসেবে ফারিনিয়াস ১৯৬৫ সালে কঙ্গো-সংকটের সময় চে গুয়েভারা এর পাশে থেকে লড়াই করেন৷ তিনি তাঁর সংগ্রামী জীবন শুরু করেন তাঁর বাবার মতই অস্ত্র হাতে এবং যুবা বয়সে অংশ গ্রহণ করেন কিউবার বিপ্লবে৷

মানবাধিকার ক্ষেত্রে তাঁর বিভিন্ন তত্পরতার স্বীকৃতি হিসেবে দুই হাজার ছয় সালে রিপোর্টার উইদাউট বডার্স ফারিনিয়াসকে মানবাধিকার পুরস্কার প্রদান করে৷ একই বছর তিনি লাভ করেন ভিয়েনা শহরের মানবাধিকার পুরস্কার৷

প্রতিবেদন: আবদুস সাত্তার

সম্পাদনা: আব্দুল্লাহ আল-ফারূক