কাশ্মীর নিয়ন্ত্রণরেখায় আবারো গোলাগুলি | বিশ্ব | DW | 17.08.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

কাশ্মীর

কাশ্মীর নিয়ন্ত্রণরেখায় আবারো গোলাগুলি

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকের মধ্য দিয়েই আবারো কাশ্মীর নিয়ন্ত্রণরেখায় গুলিবিনিময় করেছে ভারত ও পাকিস্তান৷ এতে এক ভারতীয় সেনা মারা গেছেন৷ এদিকে, নিরাপত্তা পরিষদ দুইপক্ষকে পারস্পরিক বিবাদ মেটানোর পরামর্শ দিয়েছে৷

শনিবার হিমালয় ঘেঁষা কাশ্মীরের নিয়ন্ত্রণ রেখা বা ‘লাইন অফ কন্ট্রোল' বরাবর ব্যাপক গোলাবর্ষণ হয় দুই প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সেনাদের মধ্যে৷ বার্তা সংস্থা এএফপিকে ভারতের এক সরকারি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে৷ এতে এক ভারতীয় সেনাসদস্য মারা গেছেন বলে জানা গেছে৷ তবে পাকিস্তানের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি৷

এদিকে, ১৯৭১ সালের পর জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে কাশ্মীর নিয়ে এই প্রথম আলোচনা হয়েছে৷ শুক্রবার রুদ্ধদ্বার এই বৈঠকে নানা বিষয়ের মধ্যে চীনের অনুরোধে ১৫ সদস্যের কাউন্সিল কাশ্মীর নিয়েও আলোচনা করে৷ তাতে ভারত ও পাকিস্তানকে দ্বিপাক্ষিকভাবে সমস্যা সমাধানের আহ্বান জানানো হয়৷ তবে তারা কোনো লিখিত বিবৃতি দেয়নি৷

এদিকে, বৈঠককে একেকভাবে ব্যাখ্যা করেছে একেক পক্ষ৷ বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের চীনের জাতিসংঘের দূত ঝ্যাং জুন বলেন, ‘‘তাঁরাও (নিরাপত্তা পরিষদের সদস্যরা) সেখানকার (কাশ্মীর) মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন এবং সাধারণভাবে বিশ্বাস করেন যে, কেউ যেন এককভাবে কোনো সিদ্ধান্ত চাপিয়ে না দেয়৷ তাতে উত্তেজনা বাড়বে যেহেতু এরই মধ্যে উত্তেজনা অনেক বেড়েছে এবং ভয়ঙ্কর আকার ধারণ করেছে৷''

তবে ভারতের জাতিসংঘের দূত সৈয়দ আকবরউদ্দিন নয়াদিল্লির অবস্থানকেই তুলে ধরে বলেন, কাশ্মীর কোনো আন্তর্জাতিক সংকট নয়৷ ঝ্যাং নিজের বক্তব্যকে ‘আন্তর্জাতিক মহলের বক্তব্য' বলে চাপিয়ে দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি৷

‘‘যদি সংকট তৈরি হয়, সেটা আমরা আলোচনা করব, আমাদের আদালত আছে, সেখানে আলোচনা হবে৷ শতব্যস্ততার মাঝে তারা আমাদের বলবেন যে, আমরা আমাদের জীবন কীভাবে যাপন করব, তার প্রয়োজন নেই৷ আমরা একশ কোটির বেশি মানুষ,'' সাংবদিকদের বলেন আকবরউদ্দিন৷

পাকিস্তান কাশ্মীর ইস্যু সমাধানের জন্য জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের আনুষ্ঠানিক হস্তক্ষেপ চায়৷ কিন্তু শুক্রবারের বৈঠকে সে ইঙ্গিত মেলেনি৷

জেডএ/কেএম (এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

বিজ্ঞাপন