কাশ্মীর জটের কূটনৈতিক সমাধান না যুদ্ধ? | বিশ্ব | DW | 16.08.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

ভারত

কাশ্মীর জটের কূটনৈতিক সমাধান না যুদ্ধ?

জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা সরানোর পর থেকেই বাড়ছে ভারত-পাকিস্তান সম্পর্কে চাপ৷ সীমান্তে গোলাগুলির খবরও গেছে৷

পাকিস্তানি সেনাসূত্রের বরাত দিয়ে বার্তাসংস্থা এপি জানিয়েছে, দুই দেশের মধ্যবর্তী ‘লাইন অফ কন্ট্রোল' বা নিয়ন্ত্রণসীমায় গোলাগুলি চালিয়েছে ভারতীয় সেনা৷ প্রাণ হারিয়েছেন তিন সেনাসদস্যসহ মোট ৬ জন৷ অন্যদিকে, ভারতীয় অংশেও ৫জন মারা গেছে, এমন দাবি পাক সেনার৷

কিন্তু প্রেস ট্রাস্ট অফ ইন্ডিয়া এক ভারতীয় সেনা সদস্যের বরাত দিয়ে বলছে অন্য গল্প৷ ভারতের দাবি, এমন কোনো ঘটনাই ঘটেনি নিয়ন্ত্রণসীমার আশেপাশে৷ কিন্তু আরেক ভারতীয় সেনাসদস্য স্বীকার করেছেন সীমান্তে মর্টার ও গোলাগুলি চালানোর কথা৷ কিন্তু হতাহতের সংখ্যা নিয়ে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি তাঁর থেকে৷

একই সাথে, আজ ভারতের সুপ্রিম কোর্টে মর্যাদা বদলের ঘোষণাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে দায়ের করা মামলার রায়ের দিন৷ কাশ্মীর টাইমস পত্রিকার সম্পাদক অনুরাধা ভাসিন ভারতের শীর্ষ আদালতে দায়ের করেছেন মামলাটি৷

এদিকে, সোমবার থেকে স্বাভাবিক করা হবে কাশ্মীরে যোগাযোগব্যবস্থা ও পরিবহন পরিস্থিতি৷ ফলে, সব মিলিয়ে, আবার উত্তেজনা কাশ্মীরকে ঘিরে৷ সাম্প্রতিক গোলাগুলির পর আসন্ন কি ভারত-পাক যুদ্ধ?

যুদ্ধের আশঙ্কা কতটুকু?

ভারত ও পাকিস্তানের কাশ্মীর সংলগ্ন সীমান্তে গোলাগুলি প্রায় দৈনন্দিন বিষয়ে পরিণত হয়েছে, কিন্তু এবারের বিষয়টি রূপ নিয়েছে আন্তর্জাতিক ইস্যুতে৷

চীন ও পাকিস্তানের থেকে লিখিত প্রস্তাব পাবার পর জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ সিদ্ধান্ত নিয়েছে কাশ্মীর ইস্যু নিয়ে বৈঠকে বসার৷ কিন্তু সেই বৈঠকে আমন্ত্রিত রাষ্ট্রের তালিকয় নেই ভারত বা পাকিস্তান কেউই৷ শুক্রবার সকালে আয়োজিত হবে এই রুদ্ধদ্বার বৈঠক, জানিয়েছে এপি৷ সম্প্রতি, চীনে একটি সম্মেলনে ‘কাশ্মীরের বিষয়টি ভারতের অভ্যন্তরীণ ইস্যু', এমন মন্তব্য করেছেন ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর, যা ভারতের বহু পরিচিত অবস্থান৷ শুক্রবার নতুন দিল্লিতে বৈঠকে বসছেন জয়শঙ্কর ও মার্কিন ডেপুটি সেক্রেটারি অফ স্টেট জন সুলিভান৷

অন্যদিকে, পাক অধিকৃত কাশ্মীরের মুজফফরাবাদে আইনসভায় পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান বলেন যে, ভারত কাশ্মীরের এই অংশ দখল করার মাধ্যমে পাকিস্তান দখল করার চেষ্টা করছে৷ নরেন্দ্র মোদীর উদ্দেশ্যে তাঁর কড়া বার্তা, ‘‘আমরা যুদ্ধ চাই না, কিন্তু ভারত সংলাপে রাজি নয়৷ যদি প্রয়োজন হয়, শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাব আমরা৷ সেই লড়াইয়ের শেষে অর্জিত হবে স্বাধীন কাশ্মীর৷''

নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যদের মধ্যে পাকিস্তানের পাশে চীন থাকলেও ভারতের পাশে দাঁড়িয়েছে আরেক স্থায়ী সদস্য, রাশিয়া৷ আলোচনাই সমাধান, এমন বার্তা রয়েছে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নেরও৷ কিন্তু, পিটিআই জানাচ্ছে, স্থায়ী সদস্য ফ্রান্সকে দলে টানার চেষ্টা চালানো হচ্ছে ভারতীয় কূটনৈতিক মহলে৷

কাশ্মীর ইস্যুকে ঘিরে বর্তমানে সবার নজর শুক্রবারের বৈঠকে৷ আন্তর্জাতিক আলোচনা কোন পথে যাবে, সেই আলোচনায় ভারতের ভূমিকা কেমন থাকবে, তার ওপরেই নির্ভর করছে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধের সম্ভাবনা৷

এসএস/কেএম (এপি, এএফপি, পিটিআই)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন