কাশ্মীরে নিহত পাঁচ ভারতীয় সেনা | বিশ্ব | DW | 12.10.2021

ডয়চে ভেলের নতুন ওয়েবসাইট ভিজিট করুন

dw.com এর বেটা সংস্করণ ভিজিট করুন৷ আমাদের কাজ এখনো শেষ হয়নি! আপনার মতামত সাইটটিকে আরো সমৃদ্ধ করতে পারে৷

  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

কাশ্মীর

কাশ্মীরে নিহত পাঁচ ভারতীয় সেনা

সন্ত্রাসীদের সঙ্গে সংঘর্ষে পাঁচ সেনার প্রাণ গিয়েছে কাশ্মীরের পুঞ্চ সেক্টরে। সোফিয়ানে সেনার গুলিতে নিহত তিন লস্কর সদস্য।

গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই উত্তপ্ত কাশ্মীর। একদিকে সন্ত্রাসীদের হামলায় প্রাণ যাচ্ছে সাধারণ মানুষের। অন্যদিকে, সীমান্তে সেনার সঙ্গে সন্ত্রাসীদের তুমুল লড়াই হচ্ছে। সোমবার তেমনই এক গুলির লড়াই হয় পুঞ্চ সেক্টরে।

ভারতীয় সেনা সূত্র জানিয়েছে, সোমবার ভোরে পুঞ্চের সীমান্ত-সংলগ্ন একটি গ্রামে অপারেশন চালায় সেনা। গ্রামটির নাম ডেরা কি গলি। সেনার কাছে খবর ছিল, দিনকয়েক আগে সীমান্ত পেরিয়ে ওই গ্রামে এসে আশ্রয় নিয়ে চার-পাঁচজন সশস্ত্র সন্ত্রাসী। পাকিস্তান থেকে তারা ভারতে প্রবেশ করেছে। সোমবার ভোরে সেনা ওই গ্রামে পৌঁছালে গুলি চালাতে শুরু করে সন্ত্রাসীরা। জবাবে সেনাও গুলি চালাতে শুরু করে। দীর্ঘক্ষণ ধরে লড়াই চলতে থাকে। তাতেই গুলিবিদ্ধ হন সেনার এক অফিসার সহ চারজন। আহত অবস্থায় তাদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক তাদের মৃত বলে ঘোষণা করেন।

মঙ্গলবার সকালেও ওই অঞ্চলে গুলির লড়াই চলছে বলে সেনা সূত্র জানিয়েছে। গোটা এলাকা সেনা ঘিরে ফেলেছে বলে জানানো হয়েছে। ওই গ্রামের পার্শ্ববর্তী জঙ্গলে সন্ত্রাসীরা আশ্রয় নিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। সন্ত্রাসীদের কাছে অত্যাধুনিক অস্ত্র আছে বলে জানিয়েছে সেনা সূত্র।

এদিকে এদিনই কাশ্মীরের আরেক অঞ্চল সোফিয়ানে লস্কর-ই-তইবার তিন সদস্য সেনার গুলিতে নিহত হয়েছে বলে সেনা সূত্র জানিয়েছে।

নিহত সন্ত্রাসীদের ডেরা থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। ওই তিন সন্ত্রাসীর একজনের পরিচয় এখনো পর্যন্ত জানা গেছে। কিছুদিন আগে গান্ডেরবাল জেলা থেকে সোফিয়ানে এসেছিল সে। গান্ডেরবালে এক বিহারি হকারকে হত্যা করার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

গত কয়েক সপ্তাহে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে কাশ্মীর উপত্যকা। পাঁচ দিনে সাতজন সাধারণ মানুষ খুন হয়েছেন। সেনার সঙ্গে সীমান্ত পার করা সন্ত্রাসীদের লাগাতার সংঘর্ষ চলছে।

এসজি/জিএইচ (পিটিআই, এএনআই)