কারাবন্দিকে বিষ প্রয়োগের অভিযোগে মামলা | বিশ্ব | DW | 05.03.2021
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ

কারাবন্দিকে বিষ প্রয়োগের অভিযোগে মামলা

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে এক বন্দিকে ‘বৈদ্যুতিক শক ও বিষাক্ত ইনজেকশন পুশ’ করার অভিযোগে জেল সুপার ও জেলারসহ চার জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে বলে ডয়চে ভেলের কন্টেন্ট পার্টনার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম জানায়৷

প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

কারাবন্দি রূপম কান্তি নাথের স্ত্রী বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের মহানগর দায়রা জজ শেখ আশফাকুর রহমানের আদালতে মামলাটি করেন৷ আদালত অভিযোগ গ্রহণ করে তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) নির্দেশ দিয়েছেন বলে বাদীর আইনজীবী ভুলন লাল ভৌমি জানিয়েছেন৷

অভিযোগের বিষয়ে কারা কর্মকর্তাদের কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি৷

আইনজীবী ভুলন লাল বলেন, নির্যাতন ও হেফাজতে মৃত্যু নিবারণ আইন ২০১৩ এর ১৩ (১)(২)-এর (ক)(খ) ও (গ) ধারায় মামলাটি করা হয়েছে৷ ৫০ বছর বয়সি রূপম কান্তি নাথ চট্টগ্রামের পাহাড়তলী থানার দক্ষিণ কাট্টলী উত্তর নাথ পাড়ার বাসিন্দা মৃত দেবেন্দ্র নাথ লালের ছেলে৷ তিনি ঠিকাদারি কাজে সরঞ্জাম সরবরাহের ব্যবসা করেন৷

রতন ভট্টাচার্য্য নামে এক ব্যক্তিকেও এই মামলার আসামি করা হয়েছে৷ তবে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জেল সুপার, জেলার ও কারাগারে কর্তব্যরত সহকারী সার্জনকে আসামি করা হলেও এজাহারে তাদের নাম উল্লেখ করা হয়নি৷ চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পিপি ফখরুদ্দিন চৌধুরী বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, আদালত চার আসামির বিরুদ্ধে করা মামলাটি গ্রহণ করে পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন৷

রতন ভট্টাচার্য্যের সঙ্গে রূপমের আর্থিক লেনদেন নিয়ে হওয়া একটি মামলায় ১৫ ডিসেম্বর থেকে রূপম কারাগারে৷ রূপমের স্ত্রী ঝর্ণা রানী দেবনাথ (৪২) মামলায় অভিযোগ করেন, ‘‘কারাগারে বন্দি অবস্থায় রতন ভট্টাচার্য্যের প্ররোচনায় ও আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ওই মামলায় সম্মতি আদায়ের জন্য এবং নির্যাতন করে হত্যার জন্য রূপমকে বৈদ্যুতিক শক দেয় ও রক্তাক্ত জখম করে৷’’ তিনি বলেন, ‘‘এরপর এই অপরাধ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য দুই হাতে দুটি বিষাক্ত ইনজেকশন দিয়ে হত্যার চেষ্টা করে৷’’ গত ২৪ থেকে ২৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে কোনো এক সময় এই ঘটনা ঘটেছে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়৷ রূপমের স্ত্রী গত সোমবার চট্টগ্রামের মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হোসেন মোহাম্মদ রেজার আদালতে একই অভিযোগ করেন৷

পরদিন আদালত এক আদেশে জানান, নির্যাতন ও হেফাজতে মৃত্যু নিবারণ আইন ২০১৩ এর ৭(১) ধারা অনুযায়ী আদালত কর্তৃক অভিযোগকারীর মামলাটি গ্রহণের এখতিয়ার না থাকায় মামলাটি যথাযথ আদালতে দাখিলের জন্য ফেরত দেয়া হোক৷

২৪ ফেব্রুয়ারি রাতে রূপমকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়৷ রূপমের আইনজীবী ভুলন লাল ভৌমিক জানান, আর্থিক লেনদেনের মামলাটি এখন অন্য একজন আইনজীবী পরিচালনা করছেন৷ ২৫ ফেব্রুয়ারি কারাগার থেকে ওই আইনজীবীকে ফোনে জানানো হয়, রূপম কান্তি নাথ হাসপাতালে আছেন৷ তার মুখে ও নিম্নাঙ্গে আঘাতের চিহ্ন আছে৷

বুধবার রূপমের পক্ষে জামিনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালত তার জামিন মঞ্জুর করলেও জামিননামা জমা না দেওয়ায় বৃহস্পতিবার আবার ওই জামিন বাতিল করা হয় বলে আইনজীবী ভুলন জানান৷

এনএস/এসিবি (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়