কারখানায় ধর্ষণ বন্ধের প্রতিশ্রুতি লেভির | বিষয় | DW | 16.08.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

যৌন নির্যাতন

কারখানায় ধর্ষণ বন্ধের প্রতিশ্রুতি লেভির

সাউথ আফ্রিকায় ডেনিম প্রস্তুতকারী একটি কারখানায় শীর্ষ কর্মকর্তারা নারী শ্রমিকদের যৌন নির্যাতন করেছেন বলে তদন্তে বেরিয়ে এসেছে৷

শ্রমিকদের অধিকার নিয়ে কাজ করা ওয়ার্কার রাইটস কনসোর্টিয়াম (ডব্লিউআরসি) পোশাক কারখানার নারী শ্রমিকদের যৌন নির্যাতনের বিষয়টি প্রকাশ করে৷

ডব্লিউআরসি বলছে, তাইওয়ানভিত্তিক আন্তর্জাতিক ডেনিম প্রস্তুতকারক নিয়ান হোসিং টেক্সটাইলের মালিকানাধীন তিনটি কারখানায় এই ঘটনা ঘটেছে৷ এই কোম্পানিটি যুক্তরাষ্ট্রের একটি ব্র্যান্ডের ডেনিম তৈরি করে৷

‘‘কারখানার ম্যানেজাররা নারী শ্রমিকদের তাদের সঙ্গে যৌন মিলনে বাধ্য করেন এবং এতে আপত্তি জানালে চাকরিচ্যুত করার হুমকি দেন৷''৷ পোশাক  শ্রমিকরা নিয়মিতভাবে যৌন হয়রানির মুখোমুখি হচ্ছেন৷

এক নারী কর্মীর বরাত দিয়ে ডব্লিউআরসি বলছে, "আমার বিভাগের সব নারী তাদের সুপারভাইজারের সাথে যৌনকর্মে বাধ্য হন, এছাড়া তাদের অন্য কোনো উপায় ছিল না৷' ...আপনি যদি না বলেন তবে আপনি কাজ পাবেন না অথবা আপনার চুক্তি নবায়ন হবে না৷''

প্রতিবেদনে বলা হয়, দক্ষিণ আফ্রিকার ওই কারখানায় বেশ কিছু বিদেশি উচ্চ পদে কাজ করেন৷ দেশি-বিদেশি উভয় কর্মকর্তারাই নারী শ্রমিকদের যৌন নির্যাতন করেছেন৷ গ্লোবাল ফান্ড ফর উইমেনের তথ্যানুযায়ী, বিশ্বের ৮০ শতাংশ পোশাক প্রস্তুতকারক শ্রমিকই নারী৷

কয়েকজন নারী শ্রমিক ডব্লিউআরসির কাছে তাদের উপর যৌন নির্যাতনের বর্ণনা দিয়েছেন৷ তারা বলছেন, এই যৌন হয়রানি নিয়ে আপত্তি জানালে তাদের প্রতি বৈষম্য এবং নির্যাতন করা হয়৷ সুপারভাইজারদের পাশাপাশি অন্য পুরুষ সহকর্মীরাও তাদের শ্লীলতাহানি করেছেন৷

এই প্রতিবেদন প্রকাশের পর লেভ স্ট্রস অ্যান্ড কো, কন্ডুর ব্র্যান্ডস পাঁচটি কারখানায় যৌন হয়রানির অবসানে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে৷

লেভি স্ট্রস অ্যান্ড কো-এর সহ-সভাপতি মাইকেল কোবরি বলেছেন, ডব্লিউআরসির  রিপোর্টের বিষয়ে অবহিত হওয়ার পরে তারা তাৎক্ষণিকভাবে তা নিয়ান হোসিং টেক্সটাইলকে জানিয়েছেন এবং বলেছেন, ‘‘এটি সহ্য করা হবে না''৷ এছাড়া কোম্পানিটি এই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে একটি সংশোধনমূলক কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করবে৷

এসআই/কেএম (এপি, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন