কাবুলে মানবিক মিশনের মেয়াদ বাড়ালো জাতিসংঘ, ভোটে বিরত রাশিয়া | বিশ্ব | DW | 18.03.2022

ডয়চে ভেলের নতুন ওয়েবসাইট ভিজিট করুন

dw.com এর বেটা সংস্করণ ভিজিট করুন৷ আমাদের কাজ এখনো শেষ হয়নি! আপনার মতামত সাইটটিকে আরো সমৃদ্ধ করতে পারে৷

  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বিশ্ব

কাবুলে মানবিক মিশনের মেয়াদ বাড়ালো জাতিসংঘ, ভোটে বিরত রাশিয়া

আফগানিস্তানে মানবিক সাহায্য মিশনের মেয়াদ আরো একবছর বাড়ালো জাতিসংঘ। ভোটদানে বিরত থাকলো রাশিয়া।

আফগানিস্তানে এখন মানবিক ত্রাণ পৌঁছানো খুবই জরুরি।

আফগানিস্তানে এখন মানবিক ত্রাণ পৌঁছানো খুবই জরুরি।

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ বৃহস্পতিবার আফগানিস্তানে মানবিক সাহায্য মিশনের মেয়াদ আরো এক বছর বাড়ালো।

আফগানিস্তানে জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিনিধি ডেবরা লায়নস আরো এক বছর এই দায়িত্ব পালন করবেন।

নিরাপত্তা পরিষদে মোট ১৫টি সদস্য দেশের মধ্যে ১৪টি দেশ এই মিশন আরো এক বছর বাড়ানোর পক্ষে মত দিয়েছে। কেবল রাশিয়া ভোটদানে বিরত ছিল। তাদের বক্তব্য হলো, আফগানিস্তানের নতুন রাজনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে কিছুই না জেনে এই প্রস্তাব নেয়া হচ্ছে। আগে আফগানিস্তানের অনুমোদন নেয়া হোক। তারপর সিদ্ধান্ত নিক নিরাপত্তা পরিষদ।

জাতিসংঘে অ্যামেরিকার ডেপুটি চিফ অফ মিশন জানিয়েছেন, এটা একটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। আফগানিস্তানের মানুষের জরুরি ভিত্তিতে সাহায্য দরকার। সেটা তারা পাবেন।

কেন সাহায্য দরকার?

জাতিসংঘের এই মিশন গত ২০ বছর ধরে কাজ করছে।

এখন মিশনের অগ্রাধিকারের তালিকায় থাকবে ত্রাণ পৌঁছে দেয়া, মানবাধিকার ও নারী অধিকার রক্ষা করা।

তালেবানের আগের শাসনে নারীদের কাজ করতে দেয়া হতো না। মেয়েদের জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দরজা বন্ধ ছিল। তাদের বাইরে বেরনোর ক্ষেত্রেও নানা বিধিনিষেধ ছিল। ফলে তাদের মূলত বাড়িতেই বন্দি থাকতে হতো।

রাশিয়ার আপত্তি কেন?

রাশিয়ার দাবি ছিল, আফগানিস্তান আগে এই মিশন অনুমোদন করবে, জানাবে এটা তাদের জন্য জরুরি, তারপর তা এক বছরের জন্য বাড়ানো হোক।

কিন্তু প্রস্তাবে আফগানিস্তানের অনুমোদনের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়নি। তাই ভোটদানে বিরত থেকে রশিয়ার দূত ভ্যাসিলি নেবেনজিয়া বলেছেন, তালেবান নিয়ন্ত্রণে থাকা আফগানিস্তানের নয়া বাস্তবতা সম্পর্কে অজ্ঞতাই এই প্রস্তাবে প্রকাশ পাচ্ছে।

ইউক্রেনে আগ্রাসনের পর রাশিয়া এখন ভূরাজনৈতিকভাবে অনেকটাই নিঃসঙ্গ। এই অবস্থায় তারা জাতিসংঘের এই প্রস্তাব নিয়েও ভোটদানে বিরত থাকলো।

জিএইচ/এসজি (এপি, এএফপি, রয়টার্স)