কাতারকে দ্বীপ বানিয়ে দিচ্ছে সৌদি আরব? | বিশ্ব | DW | 01.09.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

সৌদি আরব-কাতার

কাতারকে দ্বীপ বানিয়ে দিচ্ছে সৌদি আরব?

একজন জ্যেষ্ঠ সৌদি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, প্রস্তাবিত একটি খাল খননের বিষয়ে দেশটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে৷ এই খালটি কাতারকে মূল ভূখণ্ড থেকে আলাদা করে দেবে৷ অবশ্য গেল এক বছর ধরে মধ্যপ্রাচ্যে কূটনৈতিকভাবে একঘরেই আছে কাতার৷

কাতার-সৌদি সীমান্তের সৌদি অংশে এই খালটি খনন করা হলে নিশ্চিতভাবেই কাতার হয়ে পড়বে আলাদা একটি দ্বীপ৷ বিষয়টি নিয়ে অনেক দিন ধরেই কথাবার্তা হচ্ছিল৷

টুইট বার্তায় সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের এক জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা সৌদ আল-কাহতানি লেখেন, ‘‘সালওয়া দ্বীপ প্রকল্পটি কীভাবে বাস্তবায়িত করা হচ্ছে তা জানতে আমি অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি৷ এই প্রকল্প এখানকার ভূগোলই পাল্টে দেবে৷''

এই খালটির খবর প্রথম প্রকাশ করে সাবক নামের একটি অনলাইন পত্রিকা৷ সৌদি রাজবংশের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ আছে এই পত্রিকাটির৷

সেখানে বলা হয়, প্রস্তাবিত খালটির দৈর্ঘ্য ৬০ কিলোমিটার ও এটি ২০০ মিটার প্রস্থ হবে৷ খরচ হবে ৭৫ কোটি মার্কিন ডলার৷ এর একটি অংশে পারমাণবিক বর্জ্য সংরক্ষণের ব্যবস্থা থাকবে৷

মক্কা পত্রিকায় প্রকাশিত আরেকটি প্রতিবেদনে বলা হয় যে, পাঁচটি ঠিকাদার কোম্পানি দরপত্র জমা দেয়৷ সেপ্টেম্বরে বিজয়ী ঠিকাদার কোম্পানির নাম ঘোষণা করা হবে৷

কাতার ও সৌদি আরবের মধ্যকার সম্পর্কের অবনতির সবশেষ উদাহরণ হলো এই খাল৷ এর আগে ইরান ও বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে সম্পর্ক আছে এবং তাদের সহযোগিতা করছে কাতার, এমন অভিযোগে ২০১৭ সালের জুন মাস থেকে দেশটির সঙ্গে সব ধরনের কূটনৈতিক ও বাণিজ্য সম্পর্ক ছিন্ন করেছে সৌদি আরব ও তার আঞ্চলিক সহযোগী দেশ আরব আমিরাত, বাহরাইন ও মিশর৷

দোহা সবসময়ই এসব অভিযোগ অস্বীকার করে উল্টো দাবি করেছে যে, দেশটির সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত হানতেই এমন কাতারকে বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশগুলো৷

এসব দেশ গত বছর থেকেই কাতারের সঙ্গে স্থল যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছে৷ তাদের নাগরিকদের সেসব দেশ থেকে বিতাড়িত করা হয়েছে৷ এমনকি রাষ্ট্রীয় বিমানসংস্থা কাতার এয়ারওয়েজের বিমানগুলো এসব দেশের আকাশসীমা দিয়ে উড়তে পারবে না বলেও জানিয়ে দিয়েছে৷

যুক্তরাষ্ট্র ও কুয়েত মধ্যস্থতা করেও এই কূটনৈতিক টানাপোড়েন বন্ধ করতে পারেনি

জেডএ/এসিবি (এএফপি, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

বিজ্ঞাপন