কাঠবিড়ালির ছবি তোলেন যে ফটোগ্রাফার | অন্বেষণ | DW | 09.08.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

অন্বেষণ

কাঠবিড়ালির ছবি তোলেন যে ফটোগ্রাফার

ফটোগ্রাফারদের নানা পছন্দের বিষয়বস্তু রয়েছে৷ এক সুইডিশ-ডাচ আলোকচিত্রী আপাতত কাঠবিড়ালি নিয়ে মেতে রয়েছেন৷ এই প্রাণীর অসাধারণ সব ছবি তুলে তিনি অসংখ্য পুরস্কারও পেয়েছেন৷

এই সব ছবি লাজুক স্বভাবের লাল কাঠবিড়ালিগুলিকে খুদে তারকা করে তুলেছে৷ মানানসই জিনিসপত্রের পাশে তাদের একেবারে পেশাদারী মডেলের মতো দেখাচ্ছে৷ সুইডিশ-ডাচ আলোকচিত্রী খেয়ার্ট ভেখেন শুধু কাঠবিড়ালির ছবি তোলার কাজে মন দিয়েছেন৷ তিনি বলেন, ‘‘তাদের আচরণও অনেকটা মানুষের মতো৷ ঈর্ষা, ক্রোধ, কর্তৃত্ব, ভালোবাসা, কৌতুক – এমন নানা অভিব্যক্তি ও আচরণ তাদের মধ্যে দেখা যায়৷ অসাধারণ মনে হয়, কখনো একঘেয়ে হয় না৷''

প্রায় ছয় বছর ধরে খেয়ার্ট ভেখেন কাঠবিড়ালি নিয়ে মেতে রয়েছেন৷ সুইডেনের মধ্যভাগে বিস্পগার্ডেন শহরে নিজের বাসার সামনেই তিনি এক আউটডোর স্টুডিও গড়ে তুলেছেন৷ শুটিং-এর জন্য তিনি নিত্যনতুন মোটিফ পরখ করেন৷ কাঠবিড়ালি আকর্ষণ করতে তিনি বাদাম ও সূর্যমুখীর বীজ ছড়ান৷ প্রয়োজন অনুযায়ী বস্তুর মধ্যে, পাশে বা উপরে সেগুলি রাখেন তিনি৷ খেয়ার্ট বলেন,  ‘‘আমি কী চাই, তা আগে থেকেই জানি৷ সবসময়ে তা পাওয়া যায় না৷ নির্দিষ্ট জায়গায় কাঠবিড়ালি চাই, তাই সেই অনুযায়ী খাবার রাখতে হবে৷''

এবার তাঁকে গভীর মনোযোগ দিয়ে দ্রুত কাজ সারতে হবে৷ তা না হলে সঠিক মুহূর্ত হাতছাড়া হয়ে যেতে পারে৷ আজ তাঁর ভাগ্য সত্যি ভালো বলতে হবে৷ খেয়ার্ট ভেখেন বলেন, ‘‘প্রায় সব কাঠবিড়ালি জুতোর মধ্যে ঢুকে সেখানে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করতে ভয় পায়৷ সেটা একটা চ্যালেঞ্জ৷ একটি কাঠবিড়ালিকে জুতোয় আনতে কয়েক দিন সময় লাগতে পারে৷ অথবা সকালে যখন আমি থাকবো না, তখন তারা জুতোয় ঢুকতে পারে৷''

ছয় থেকে ১৪টি কাঠবিড়ালি নিয়মিত খেয়ার্ট ভেখেনের কাছে আসে৷ বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দিনে দু'বার তাদের দেখা যায়৷ কখনো আবার পুরোপুরি বেপাত্তা থাকে৷ তাই তিনি ছবি তোলার কোনো সুযোগ হাতছাড়া করতে চান না৷

ভিডিও দেখুন 04:22

মডেল যখন কাঠবিড়ালি

কখনো কাঠবিড়ালি কয়েক ঘণ্টার জন্য আসে, কখনো বা কয়েক মিনিটের জন্য৷ বেশি সময় নষ্ট না করতে ভেখেন একটি লাইভ ক্যামেরা বসিয়েছেন৷ ফলে তিনি দ্রুত কাজে হাত দিতে পারেন৷ খেয়ার্ট বলেন, ‘‘তাদের মনমেজাজও চ্যালেঞ্জ বটে৷ কখনো পাঁচ-ছ'টি কাঠবিড়ালি একসঙ্গে চলে এসে সবকিছু ঘেঁটে দেয়৷ এত অস্থির থাকে, যে এক জায়গায় তাদের পাওয়া বা নির্দিষ্ট বস্তুর আশেপাশে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায় না৷ প্রাণী হিসেবে তাদের নিজস্ব ব্যক্তিত্ব রয়েছে৷ অনেকটা আমারই মতো৷ তাদের মতো আমিও একা থাকতে ভালোবাসি৷ তারা নির্বিঘ্নে খাবার খেতে ও নিজেদের কাজ করতে চায়৷''

সবচেয়ে সুন্দর মোটিফগুলির জন্য খেয়ার্ট ভেখেন অসংখ্য পুরস্কার পেয়েছেন৷ নিয়মিত কাঠবিড়ালিদের পর্যবেক্ষণ ও তাদের ছবি তোলা সত্ত্বেও এখনো তিনি তাদের পুরোপুরি বুঝে উঠতে পারেন নি৷ তিনি বলেন, ‘‘এই প্রাণী সবসময়ে আমাদের অবাক করে৷ প্রতিদিনই আমার মনে বিস্ময় জাগে৷ কোন কাঠবিড়ালি কী করবে, তা আন্দাজ করা অসম্ভব৷''

কোনো একদিন কাঠবিড়ালিগুলি আসা বন্ধ করে দিলে খেয়ার্ট ভেখেন নতুন বিষয়বস্তু বেছে নেবেন৷ যেমন পাখি৷ তাঁর বাগানে নিয়মিত পাখির সমাগম হয়৷

ডরোটে গ্র্যুনার/এসবি

নির্বাচিত প্রতিবেদন

ইন্টারনেট লিংক

এই বিষয়ে অডিও এবং ভিডিও

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন