কাকাতুয়া নাচতে ভালোবাসে | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 13.07.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

সমাজ সংস্কৃতি

কাকাতুয়া নাচতে ভালোবাসে

শুধু মানুষ নয়, এক গবেষণায় দেখা গেছে কাকাতুয়াও নাচতে খুব ভালোবাসে৷ একটি কাকাতুয়া তো নাচে এমন দক্ষ যা দেখে বিজ্ঞানীরা অবাক!

কয়েক বছর আগে একবার সাড়া ফেলেছিল স্নোবল নামের এক কাকাতুয়া৷ সেই কাকাতুয়া নাচতে জানে৷ ইউটিউবে আপলোড করা একটা ভিডিওতে দেখা গেল ব্যাকস্ট্রিটবয়েজ-এর ‘এভরিবডি' গানের তালে তালে স্নোবল চুটিয়ে নাচছে৷ সেই থেকে সোশালমিডিয়ায় স্নোবল খুব জনপ্রিয়৷ ব্যাকস্ট্রিটবয়েজ-এর ‘এভরিবডি'-র পর সিন্ডি লপারের ‘গার্লস জাস্ট ওয়ান্ট টু হ্যাভ ফান', কুইন-এর ‘অ্যানাদার ওয়ান বাইটস দ্য ডাস্ট'-এর সঙ্গেও নেচেছে সে এবং সেই ভিডিওগুলোও দেখা হয়েছে কয়েক কোটিবার

তাই স্নোবল এবং তার কারণে কাকাতুয়া পাখিও হয়ে গেছে গবেষণার বিষয়৷ গবেষকরা বলছেন, কাকাতুয়া মানুষের মতোই নাচতে ভালোবাসে, কারণ, মানুষের মতো তাদেরও মস্তিষ্ক এবং কানের মধ্যে যোগাযোগটা এমন যে তারাও শুনে শিখতে পারে এবং শুনে আনন্দ প্রকাশ করতে পারে৷ বিজ্ঞান বিষয়ক জার্নাল কারেন্ট বায়োলজি-তে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বিজ্ঞানীরা এ তথ্য জানিয়েছেন৷

প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘‘সুরের তালে স্বতঃস্ফূর্তভাবে নড়াচড়া করা সব মানুষেরই সংস্কৃতির অংশ এবং এটাই নাচের ভিত্তি৷ কাকাতুয়াও সুরের তালে তালে স্বতস্ফূর্তভাবেই নড়েচড়ে ওঠে এবং ওভাবেই সে আনন্দ প্রকাশ করে৷''

স্নোবলের সবগুলো ভিডিও বিশ্লেষণ করেছেন বিজ্ঞানীরা৷ বিশ্লেষণ করে তারা দেখেছেন, নেচে নেচে তারকা বনে যাওয়া পাখিটি ১৪টি নাচের মুদ্রা জানে! ফলে তারা মনে করছেন, কাকাতুয়াদের মাঝেও সৃষ্টিশীলতা রয়েছে৷টাফটস ইউনিভার্সিটি এবং হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির মনোবিজ্ঞানী অনিরুদ্ধ প্যাটেল এর আগেও স্নোবলকে নিয়ে গবেষণা করে পাখিটির অনন্য দিকগুলো তুলে ধরেছেন, কারেন্ট বায়োলজিতেই তা প্রকাশিত হয়েছে৷ তিনি মনে করেন কোনো প্রশিক্ষণ ছাড়া স্নোবল যে এভাবে বিভিন্ন ধরনের গানের সঙ্গে অনায়াসে নাচতে পারছে তা প্রমাণ করে যে তার নৃত্যপ্রতিভা মানুষের চেয়ে খুব কম নয়৷

এসিবি/কেএম (এএফপি, ডিপিএ)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

বিজ্ঞাপন