কল সেন্টার ব্যবসায় শীর্ষে এখন ফিলিপাইন্স | বিজ্ঞান পরিবেশ | DW | 07.12.2010
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিজ্ঞান পরিবেশ

কল সেন্টার ব্যবসায় শীর্ষে এখন ফিলিপাইন্স

কল সেন্টারের ব্যবসায় এতদিন শীর্ষে ছিল ভারত৷ তবে ভারতকে পেছনে ফেলে এগিয়ে গেছে ফিলিপাইন্স৷ ফিলিপাইন্সকে বলা বলা হচ্ছে কল সেন্টারের রাজধানী৷ ফিলিপাইন্সের সরকারের পক্ষ থেকে এই তথ্য দেওয়া হয়েছে৷

default

কল সেন্টার ব্যবসায় ভারতের আধিপত্য আর থাকছে না (ফাইল ফটো)

কল সেন্টারের মাধ্যমে কী করা হয়? টেলিফোনে বিভিন্ন ধরণের সেবা প্রদান করা হয়৷ এছাড়া ব্যবহারযোগ্য কিছু কিনলে তার ব্যবহারবিধির সঙ্গে থাকে বিশেষ একটি ফোন নম্বর৷ সেখানে লেখা থাকে কোন সমস্যা হলে বা কোন কিছু না বুঝলে এই নম্বরে ফোন করলে সাহায্য পাওয়া যাবে৷ এই নম্বরটিই হল যে কোন কল সেন্টারের৷ প্রশ্ন-উত্তর পর্বও চলে কল সেন্টারে৷ পথ হারিয়ে ফেললে, একটি চিঠি আসার কথা - কিন্তু সেটা না এলে সোজা ফোন করা হয় কল সেন্টারে – এক কথায় কল সেন্টার হল এক ধরণের টেলি মার্কেটিং৷ ভারত এতদিন চুটিয়ে ব্যবসা করেছে কল সেন্টারের, এখনও করছে তবে বিশ্বের এক নম্বর স্থানটি আর ধরে রাখতে পারেনি৷ এক নম্বর স্থানটি চলে গেছে ফিলিপাইন্সের কাছে৷

ফিলিপাইন্সের প্রেসিডেন্ট বেনিনো আকিনো অত্যন্ত আনন্দিত যে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার একটি দেশ এই কল সেন্টার ইন্ডাস্ট্রির শীর্ষে রয়েছে এবং সেটি তাঁর নিজেরই দেশ৷

২০০১ সালে ফিলিপাইন্সে কল সেন্টারের ব্যবসা প্রতিষ্ঠিত হয়৷ খুব ধীরে ধীরে এগিয়ে যায় ব্যবসা৷ দশ বছরেরও কম সময়ের মধ্যে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে যায় ফিলিপাইন্সের কল সেন্টারের ব্যবসা৷

গত সপ্তাহে আইবিএম-এর একটি সেন্টার উদ্বোধনের সময় প্রেসিডেন্ট আকিনো আশ্বাস প্রদান করে বলেন, আমরা আশা করছি আগামী বছর প্রায় ১২ থেকে ১৩ মিলিয়ন ডলার মুনফা করতে সক্ষম হবে ফিলিপাইন্স৷ এবং ২০২০ সালের মধ্যে তা বছরে একশো বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে৷

ফিলিপাইন্সের প্রযুক্তি কমিশনের প্রধান ইভান উই জানান, গত বছর বিভিন্ন কল সেন্টার থেকে ভারতের মুনাফা ছিল ৫.৩ বিলিয়ন ডলার আর ফিলিপাইন্সের মুনাফা ছিল ৫.৫ বিলিয়ন ডলার৷

ফিলিপাইন্সের কনটাক্ট সেন্টার এসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট বেনেডিক্ট হেরনানডেস জানান, ফিলিপাইন্সে প্রায় পাঁচ লক্ষ মানুষ কল সেন্টারে কাজ করছে৷ ভারতে কাজ করছে প্রায় সাড়ে তিন লক্ষ মানুষ৷ সেদিক থেকেও ফিলিপাইন্স এগিয়ে৷ এর মূল কারণ হল ইংরেজি ভাষার দক্ষতা৷ অর্থাৎ বাচনভঙ্গি এবং উচ্চারণে আঞ্চলিক টান তেমন না থাকায় ফিলিপাইন্স ভাষাগত দিক থেকে এগিয়ে গেছে বলে হেরনানডেস জানান৷

প্রতিবেদন: মারিনা জোয়ারদার

সম্পাদনা: আবদুল্লাহ আল-ফারূক

নির্বাচিত প্রতিবেদন