কলকাতায় হোয়াটসঅ্যাপ নিরাপত্তা | বিশ্ব | DW | 03.12.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

ভারত

কলকাতায় হোয়াটসঅ্যাপ নিরাপত্তা

সমস্যায় পড়লে হোয়াটসঅ্যাপে জানালেই পৌঁছে যাবে সাহায্য৷ হায়দ্রাবাদে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনার পর এমন এক গ্রুপ তৈরি করলেন কলকাতার মহিলারা৷

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

নিজেদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা নিজেদেরই করে নিতে হবে- এমনই স্লোগান সামনে রেখে কলকাতায় নতুন হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ চালু করেছেন তাঁরা৷

হায়দ্রাবাদে এক পশু চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুন করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তাল গোটা দেশ৷ দিল্লি থেকে পশ্চিমবঙ্গ সর্বত্রই প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে৷ উত্তাল সংসদও৷ কিন্তু এতেই সন্তুষ্ট নন কলকাতার একদল নারী৷ তাঁদের বক্তব্য, দিল্লিতে নির্ভয়া কাণ্ডের পরেও এভাবেই প্রতিবাদ হয়েছিল৷ কিন্তু তাতেও পরিস্থিতির বদল হয়নি৷ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ধর্ষণ, খুনের ঘটনা ঘটেই চলেছে৷ ফলে নিজেদের নিরাপত্তার দায়িত্ব নিজেদেরকেই নিতে হবে৷ দলের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সুমেধা জানান, হায়দ্রাবাদের ঘটনা ঘটার পরেই তিনি ঠিক করেন একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ তৈরি করতে হবে৷ এলাকার মহিলাদের আহ্বান করা হবে সেই দলে যোগ দেওয়ার জন্য৷

অডিও শুনুন 02:46

হায়দ্রাবাদের ঘটনার পরই হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ তৈরির চিন্তা করি: সুমেধা

সেই গ্রুপের কোনো মহিলা রাস্তায় সমস্যায় পড়লে হোয়াটসঅ্যাপে লোকেশন পাঠিয়ে দেবেন৷ বাকি সদস্যরা সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে সাহায্যের ব্যবস্থা করবেন৷ সুমেধার দাবি, তাঁদের আহ্বানে মাত্র ২ দিনেই আড়াই হাজারেরও বেশি মহিলা সাড়া দিয়েছেন৷ সংখ্যা বাড়ছে লাফিয়ে লাফিয়ে৷ কলকাতা ছাড়িয়ে শহরতলি এবং জেলাতেও গ্রুপ ছড়িয়ে পড়েছে৷

গ্রুপের সদস্যদের বক্তব্য, তাঁদের নতুন ভাবনা এতটাই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে যে, মূল গ্রুপের বাইরে আরো ছোট ছোট এলাকাভিত্তিক দল তৈরি করা হয়েছে৷ এর ফলে যে এলাকায় দলের সদস্যরা সমস্যায় পড়বেন, সেই অঞ্চলের এলাকাভিত্তিক গ্রুপ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যেতে পারবে এবং পুলিশ প্রশাসনের সাহায্য নিতে পারবে৷

প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কি পুলিশ প্রশাসনের উপর আর ভরসা রাখতে পারছে না নাগরিক সমাজ? কেন নিজেদের নিরাপত্তার দায়িত্ব নিজেদেরই নিতে হবে? পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য পুলিশের এক শীর্ষ কর্মকর্তা মনে করেন, যেভাবে এই গ্রুপ তৈরি হয়েছে, তা তাৎপর্যপূর্ণ৷ এতে প্রমাণিত হয় মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ছে৷ তিনি জানান, পুলিশ অবশ্যই সাহায্য করবে ওই নারীদের৷

নাগরিক সমাজের একাংশের বক্তব্য, একের পর এক ধর্ষণের ঘটনা ঘটেই চলেছে৷ কোনোটা ধামাচাপা পড়ে যায়, কোনোটা নিয়ে সাময়িক উত্তেজনা ছড়ায়৷ রাজনীতি হয়৷ কিন্তু মহিলাদের নিরাপত্তার কোনো উন্নতি হয় না৷ হায়দ্রাবাদের ঘটনার পরে কলকাতার মহিলারা যে উদ্যোগ নিয়েছেন, গোটা দেশে তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়া উচিত৷

গতবছরের জুনের ছবিঘরটি দেখুন...

নির্বাচিত প্রতিবেদন

বিজ্ঞাপন