করোনা সংক্রমণ কমে চলায় জার্মানিতে স্বস্তি | বিশ্ব | DW | 26.05.2021
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

জার্মানি

করোনা সংক্রমণ কমে চলায় জার্মানিতে স্বস্তি

গত অক্টোবরের পর জার্মানিতে এই প্রথম করোনা সংক্রমণের হার নির্দিষ্ট মাত্রার নীচে নেমে গেছে৷ ইইউ শীর্ষ নেতারাও সার্বিকভাবে গ্রীষ্মে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন৷

TABLEAU | Berlin Impfungen | Aufhebung der Priorisierung

বার্লিনে করোনা টিকা নিতে আগ্রহীদের লম্বা লাইন

জার্মানিতে করোনা সংক্রমণের হার ধারাবাহিকভাবে কমে চলেছে৷ প্রতি এক লাখ মানুষের মধ্যে সাপ্তাহিক গড় সংক্রমণের হার বুধবার ছিল পঞ্চাশের নীচে৷ গত বছর অক্টোবর মাসের পর এই প্রথম পরিস্থিতির এমন উন্নতি দেখা গেল৷ তবে সোমবারের ছুটির কারণে দীর্ঘ সপ্তাহান্তে করোনা টেস্টের সংখ্যা কমে যাবার কারণে সংখ্যা এত কমে গেছে কিনা, তা স্পষ্ট নয়৷ আগামী কয়েক দিনেও এমন প্রবণতা চলতে থাকলে তবেই সাফল্য সম্পর্কে নিশ্চিত হতে পারবেন বিশেষজ্ঞরা৷

করোনা সংক্রমণের সার্বিক প্রবণতার প্রেক্ষাপটে জার্মানির একাধিক রাজ্যে কড়াকড়ি শিথিল করা হচ্ছে৷ করোনা টিকার দুটি ডোজ অথবা করোনায় আক্রান্ত হয়ে আরোগ্যের প্রমাণের পাশাপাশি নেগেটিভ করোনা টেস্টের ফল দেখিয়ে মানুষ দোকানবাজার, রেস্তোঁরায় যেতে পারছেন৷ একের পর এক রাজ্যে পর্যটনের সুযোগও খুলে দেওয়া হচ্ছে৷ সংক্রমণের হার ২০-এর নীচে নেমে গেলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ইয়েন্স স্পান আরও ছাড়ের ইঙ্গিত দিয়েছেন৷ করোনা টিকাদান কার্যক্রমে আরও গতি এলে সাফল্য আরও স্থায়ী হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন৷

কমে চলা করোনা সংক্রমণের পরিপ্রেক্ষিতে ইউরোপীয় স্তরেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হচ্ছে৷ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা গ্রীষ্মে কোভিড-১৯ পাস চালু করার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন৷ ১লা জুলাইয়ের মধ্যে এই একক সার্টিফিকেট চালু হলে গ্রীষ্মের ছুটির আগেই ভ্রমণের সুযোগ খুলে যাবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন৷ ইইউ-র বাইরে থেকে করোনা টিকা পাওয়া মানুষের প্রবেশ সহজ করতেও জুন মাসে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে৷ ফলে বিপর্যস্ত পর্যটন ক্ষেত্র আবার ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ পাবে৷ ব্রাসেলসে শীর্ষ সম্মেলনে ইইউ নেতারা  করোনা পরিস্থিতির পর্যালোচনা করেন৷

ইইউ কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডেয়ার লাইয়েন সদস্য দেশগুলিতে টিকাদান কর্মসূচি সম্পর্কে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন৷ তিনি বলেন চলতি সপ্তাহের শেষের মধ্যেই ৩০ কোটি টিকা দেওয়া হয়ে যাবে৷ আগামী মাসের মধ্যে সংখ্যাটি ৪০ কোটি ছোঁয়ার কথা৷ জুলাই মাসের মধ্যে প্রায় ৭০ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্কদের টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন৷ সে ক্ষেত্রে বাধানিষেধ তুলে নিয়ে আবার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে যাওয়া সম্ভব হবে, বলেন ফন ডেয়ার লাইয়েন৷

এই মুহূর্তে করোনা পরিস্থিতির উন্নতি সত্ত্বেও বিপদ পুরোপুরি কেটে গেছে বলে মনে করছেন না ইইউ নেতারা৷ জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেল বলেন, করোনা ভাইরাসের কোনো নতুন সংস্করণ হুমকি হয়ে উঠলে দ্রুত পদক্ষেপ নেবার ব্যবস্থা রাখতে হবে৷ সেইসঙ্গে বুস্টার ডোজের প্রয়োজনীয়তার কথা ভেবে আগামী দুই বছরের জন্য ৪৪০ কোটি পর্যন্ত টিকা অর্ডার দিয়ে রেখেছে ইইউ কমিশন৷ ইউরোপীয় ইউনিয়নের ৪৫ কোটি মানুষের পাশাপাশি বিশ্বের অন্যান্য প্রান্তের মানুষের জন্যও টিকা পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে৷ উল্লেখ্য, চাপের মুখে জি-টোয়েন্টি দেশগুলি উন্নয়নশীল দেশগুলির জন্য চলতি বছরেই ১০ কোটি টিকা সরবরাহের অঙ্গীকার করেছে৷

এসবি/কেএম (ডিপিএ, এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়