করোনা সংকটে ধুকছে এয়ারলাইনস | বিশ্ব | DW | 05.04.2020
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

করোনা ভাইরাস ও অর্থনীতি

করোনা সংকটে ধুকছে এয়ারলাইনস

করোনা ভাইরাসে বিপর্যস্ত গোটা ‍পৃথিবীর অর্থনীতি আজ হুমকির মুখে৷  ইউরোপের বড় দুই এয়ারলাইন লুফথান্সা ও ব্রিটিশ এয়ারওয়েজ এরই মধ্যে কর্মী‍বাহিনীতে পরিবর্তন আনার ঘোষণা দিয়েছে৷

তাদের এ পরিকল্পনায় এক লাখের বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হবেন৷  করোনা ভাইরাসের কারণে ইউরোপের বেশিরভাগ দেশে বিমান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে৷  অভ্যন্তরীণ বিমান চলাচলও প্রায় বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জার্মানির লুফথান্সা ও যুক্তরাজ্যের ব্রিটিশ এয়ারওয়েজকে কোটি কোটি টাকার লোকসান ‍গুনতে হচ্ছে৷

এ ধকল সামলে উঠতে বৃহস্পতিবার এয়ারলাইন দুটি এক লাখের বেশি কর্মীকে বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠানোর পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করে৷

ব্রিটিশ এয়ারওয়েজ জানিয়েছে, তারা এর মধ্যে প্রায় ৩২ হাজার কর্মীর চুক্তি মে মাস পর্যন্ত স্থগিতের বিষয়ে তাদের শ্রমিক ইউনিয়নের সঙ্গে কথা বলেছে৷

এয়ারলাইনটির পাইলটদের বেতন আগেই অর্ধেক করে ফেলা হয়েছে৷  এবার ব্রিটিশ সরকারের ঘোষণা করা ফারলো স্কিম এর অধীনে কেবিন ও গ্রাউন্ড ক্রু, প্রকৌশলী এবং অফিস কর্মীদের চুক্তি স্থগিতের সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা৷ করোনা সংকটে ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্যই ব্রিটিশ সরকার ফারলো স্কিম ঘোষণা করেছে৷ স্কিমের অধীনে ক্ষতিগ্রস্ত কর্মীরা বেতনের ৮০ শতাংশ পাবেন৷

এদিকে, জার্মানির ফ্ল্যাগক্যারিয়ার লুফথান্সা বিশ্বজুড়ে তাদের ৮৭ হাজার কর্মীর কর্মঘণ্টা কমিয়ে দিয়েছে৷  সরকারের সমর্থন নিয়েই তারা এটা করেছে৷

যার ফলে তাদের ৬০ শতাংশ কর্মীর আয় ব্যাপকভাবে কমে যাবে৷  এই সংখ্যা প্রায় ৬২ হাজার, যাদের মধ্যে কেবিন ক্রু, গ্রাউন্ড ক্রু এবং পাইলটসহ সবাই আছেন৷

লুফথান্সার ৭৬৩টি উড়োজাহাজের মধ্যে প্রায় ৭০০টি বসে আছে৷

কোম্পানির প্রধান নির্বাহী কারস্টেন স্পোয়া গত মাসেই সতর্ক করে বলেছিলেন, "সংকট যত দীর্ঘস্থায়ী হবে, বিমানপরিবহন ব্যবস্থার ভবিষ্যত তত খারাপ হবে৷  রাষ্ট্রের সহায়তা ছাড়া এই খাতের অস্তিত্ব রক্ষা তত অনিশ্চিত হয়ে পড়বে৷ ”

বৈশ্বিকসংকট

করোনা ভাইরাসের ‍কারণে শুধু জার্মানি বা যুক্তরাজ্যের বিমান পরিবহণ খাতেরই নাজুক অবস্থা নয়৷  বরং পুরো বিশ্বজুড়ে একই অবস্থা দেখা যাচ্ছে৷

গত সপ্তাহে অস্ট্রেলিয়ার ‘কোয়ান্টাস এয়ারওয়েজ' ২০ হাজার কর্মীকে বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠিয়েছে৷  যা তাদের মোট কর্মীবাহিনীর দুইতৃতীয়াংশ৷  ব্রিটেন ভিত্তিক আরেক এয়ারলাইন ‘ইজিজেট' যুক্তরাজ্যে তাদের চার হাজার কেবিন ক্রুকে লে-অফে পাঠিয়েছে৷

যুক্তরাষ্ট্রের এয়ারলাইনগুলো আগামী ছয় মাস কর্মীদের বেতন দিতে সরকারের ‍কাছ থেকে আড়াই হাজার কোটি মার্কিন ডলার সহায়তার প্রতিশ্রুতি পেয়েছে৷  তারপরও কোম্পানিগুলো কর্মীবাহিনী হ্রাস করতে চাইছে৷  বিনা বেতনে ছুটি এবং আগেভাগে অবসরে পাঠানোর পরিকল্পনাও আছে তাদের৷

এসএনএল/কেএম (রয়টার্স, এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন