করোনা টিকা আবিষ্কারের পথ দেখাতে চায় ইউরোপ | বিশ্ব | DW | 05.05.2020
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

টিকা

করোনা টিকা আবিষ্কারের পথ দেখাতে চায় ইউরোপ

করোনা ভাইরাসের টিকা, আরও উন্নত চিকিৎসা ও পরীক্ষা পদ্ধতি আবিষ্কারের লক্ষ্যে বিশাল অঙ্কের অর্থ অঙ্গীকার করেছে বিশ্বের অনেক দেশ ও প্রতিষ্ঠান৷ ইইউ-র নেতৃত্বে এমন আন্তর্জাতিক সহযোগিতা নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে৷

বেশিরভাগ বিশেষজ্ঞের মতে, করোনা সংকট কাটিয়ে গোটা বিশ্বে ‘স্বাভাবিক’ পরিস্থিতি ফিরিয়ে আনার একমাত্র উপায় টিকা৷ শুধু আবিষ্কার নয়, যত দ্রুত সম্ভব সেই টিকা ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সবার নাগালে নিয়ে আসতে হবে৷ মানবজাতির সামনে এমন চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করতে গবেষণার জন্য প্রায় ৭৫০ কোটি ইউরোপ প্রয়োজন, এমনটাই ধরে নেওয়া হচ্ছে৷ টিকা আবিষ্কার হওয়া পর্যন্ত নতুন চিকিৎসা পদ্ধতি ও আরও ভালো পরীক্ষার ব্যবস্থা করতেও এই অর্থ ব্যয় করা হবে৷ জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস অবশ্য বলেন, সব মানুষের হাতে এই গবেষণার সুফল পৌঁছে দিতে এই অঙ্কের পাঁচ গুণ প্রয়োজন হতে পারে৷

সোমবার ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতৃত্বে একাধিক বিশ্বনেতা ও সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা ৭৪০ কোটি ইউরো ব্যয়ের অঙ্গীকার করলেন৷ ইইউ-র মতে, আগামী কয়েক দিনে সামান্য এই ঘাটতিও পূরণ হয়ে যাবে৷ ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডেয়ার লাইয়েনের নেতৃত্বে এক ভিডিও কনফারেন্সে বিশ্ব নেতা ও শীর্ষ কর্মকর্তারা বক্তব্য রাখেন৷ তাঁদের মতে, এই উদ্যোগ সবে শুরু হচ্ছে৷ করোনা ভাইরাস পরাস্ত করতে বেশ কিছুকাল সংগ্রাম চালিয়ে যেতে হবে৷ প্রায় তিন ঘণ্টার সম্মেলনের পর ফন ডেয়ার লাইয়েন বলেন, এই অর্থ দিয়ে অভূতপূর্ব আন্তর্জাতিক সহযোগিতা শুরু হচ্ছে৷

সমালোচকেরা অবশ্য মনে করিয়ে দিচ্ছেন, যে এই অঙ্কের অর্থ মোটেই কোনো তহবিলে জমা হচ্ছে না৷ এর একটা অংশ সরাসরি ব্যয় করা হলেও বাকি অর্থ ঋণ ও জাতীয় খাতে উদ্যোগের অংশ হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে৷

বিশ্বের প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ দেশ একযোগে করোনা ভাইরাস মোকাবিলার অঙ্গীকার করলেও সম্মেলনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার অনুপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো৷ চীন অংশ নিলেও কোনো শীর্ষ নেতার বদলে রাষ্ট্রদূতের মাধ্যমে বক্তব্য রেখেছে৷ ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাক্রোঁ বলেন, এ হলো সময়ের বিরুদ্ধে এক লড়াই৷ ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন টিকা আবিষ্কারের ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতার বদলে বিভিন্ন দেশের মধ্যে সবচেয়ে জরুরি সহযোগিতার উল্লেখ করেন৷ বিল ও মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশনের সহ সভাপতি মেলিন্ডা গেটস মনে করিয়ে দেন, যে বিশ্বের সব জায়গায় মানুষের কাছে প্রতিষেধক পৌঁছে না দিলে এই মহামারি শেষ হবে না৷

চলতি সপ্তাহে ইউরোপসহ বিশ্বের নানা প্রান্তে লকডাউন ও কড়াকড়ি শিথিল করা হচ্ছে৷ আরও বেশি মানুষ বাসা ছেড়ে কাজের জায়গা বা কেনাকাটার জন্য বের হবার ফলে নতুন সংক্রমণের হার বেড়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে৷ এমনকি প্রথমবারের তুলনায় আরও মারাত্মক এক ‘দ্বিতীয় ঢেউ' নিয়েও জল্পনাকল্পনা চলছে৷ এমনটা হলে কোনো দেশের স্বাস্থ্য পরিষেবা অবকাঠামো বিপর্যস্ত হয়ে পড়তে পারে৷ 

এসবি/কেএম (এপি, এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন