করোনা গুজব ও সরকারি ফরমান | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 26.03.2020
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

সংবাদভাষ্য

করোনা গুজব ও সরকারি ফরমান

‘এ যুগে খবর ঘটে না, হয় নির্মাণ/ প্রয়োজন শুধু ফোরম্যান আর ফরমান’ চার দশকের বেশি আগে লিখেছিলেন, শওকত ওসমান৷ দিন পাল্টেছে৷

প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

এখন কবির আর কষ্ট করে বোঝানোর দরকার নাই৷ লাইন মতো খবর পেতে বা খবরকে লাইনে রাখতে প্রায়ই আসছে নতুন নতুন ফরমান৷

সবশেষটির দিকে আপনাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি৷

টেলিভিশনগুলোতে করোনা ভাইরাস সংক্রান্ত গুজব মনিটরিং করার জন্য তথ্য মন্ত্রণালয় তার ১০ উপসচিব এবং চার সরকারি সচিব এবং একজন সিস্টেম অ্যানালিস্টকে দায়িত্ব দিয়েছে৷ তাদের নাম ও পদবি বলে টিভি-২ শাখা থেকে ২৪ মার্চ জারি করা চিঠির শেষে বলা হয়েছে কোনো বেসরকারি টিভিতে করোনা ভাইরাস সংক্রান্ত গুজব চলছে দেখা গেলে তা বন্ধ করতে মন্ত্রণালয়ের কর্তৃপক্ষকে সাথে সাথে জানানোর জন্য ওই ১৫ কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে৷

এই চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে আমাদের মনে কিছু প্রশ্ন তৈরি হয়েছে৷ একজন পেশাদার হিসেবে আমি তথ্য মন্ত্রণালয়ের কাছে এর জবাব দাবি করি৷

Khaled Muhiuddin

খালেদ মুহিউদ্দীন, প্রধান, ডয়চে ভেলে বাংলা বিভাগ

এক: কোন সংবাদের ভিত্তিতে মনে হলো যে, বেসরকারি টিভিগুলো করোনার গুজব ছড়ায়?

দুই: গুজব প্রতিরোধে কমিটির সদস্যদের গুজব যাচাই করার জন্য কোন টুল ব্যবহার করবেন? এই প্রশিক্ষণ তারা কোন কারিকুলামে পেয়েছেন?

তিন: করোনা ভাইরাস বিষয়ে গুজব নিয়েই তারা কেন কাজ করবেন? দায়িত্বশীলদের কাছ থেকে অজস্র তথ্য পাওয়া যায়, টিভিগুলো তা প্রচারও করে; সেসব প্রতিরোধক কমিটি কেন করা হবে না?

রাজনৈতিক গালগপ্প বাদ দিলে টিভি খবরে গুজব প্রচার করা খুব কঠিন, কারণ, তাদের ছবি বা শব্দ ব্যবহার করতে হয়৷ ইচ্ছা করে সেরকম কিছু করলে খুব তাড়াতাড়ি দর্শক তা ধরেও ফেলতে পারবে৷

তারপরও এই কাজটি করতে জারি সরকারি ফরমানে আমার শ্বাসকষ্ট হচ্ছে, মনে হচ্ছে আমার গলা চেপে ধরেছে কেউ৷

 লক্ষণগুলো মিলে গেলেও বলে রাখি হে সদাশয়, আমি কিন্তু করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত নই৷ 

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন