করোনা আক্রান্তের সংখ্যায় ব্রাজিলকে ছাড়ালো ভারত | বিশ্ব | DW | 12.04.2021
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

ভারত

করোনা আক্রান্তের সংখ্যায় ব্রাজিলকে ছাড়ালো ভারত

ভারতে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হলেন এক লাখ ৬৮ হাজার ৯১২ জন৷ মারা গেছেন ৯০৪ জন৷

দিল্লিতে রাতের কারফিউ। কনট প্লেসের ছবি।

দিল্লিতে রাতের কারফিউ। কনট প্লেসের ছবি।

ব্রাজিলকে ছাড়িয়ে গেল ভারত। সামনে এখন শুধু অ্যামেরিকা। ব্রাজিলে সবমিলিয়ে করোনা আক্রান্তের মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক কোটি ৩৪ লাখ। ভারতে এক কোটি ৩৫ লাখ। গত ২৪ ঘণ্টায় প্রায় এক লাখ ৬৯ হাজার মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। প্রতিদিনই করোনা আক্রান্তের সংখ্যার নিরিখে নতুন রেকর্ড হচ্ছে।

সব চেয়ে বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন মহারাষ্ট্রে, ৬৩ হাজার ২৯৪ জন। দিল্লিতে গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ১০ হাজার ৭৭৪ জন। কেরালা, কর্ণাটক, তামিনলনাড়ু ও অন্ধ্র প্রদেশেও করোনা দ্রুত ছড়াচ্ছে। গুজরাটে ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছেন সাড়ে পাঁচ হাজার মানুষ।

সুপ্রিম কোর্টের ৫০ শতাংশ কর্মী করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। তাই সুপ্রিম কোর্টের বিচার প্রক্রিয়া আপাতত পুরোপুরি ডিজিটাল করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এখন সুপ্রিম কোর্টের সব আদালত কক্ষ, অফিসঘর, চত্বর স্যানিটাইজ করা হচ্ছে।

করোনা এতটা দ্রুত ছড়ানো সত্ত্বেও করোনা বিধি শিকেয় তুলে হরিদ্বারের কুম্ভ মেলায় লাখো মানুষ সমবেত হয়েছেন। সেখানে গঙ্গাতীরে প্রচুর মানুষকে দেখা গেছে।


স্বাস্থ্য মন্ত্রক জানিয়েছে, কেন্দ্রীয় দল মহারাষ্ট্র, পাঞ্জাব, ছত্তিশগড়ের ৫০টি জেলাকে চিহ্নিত করেছে, যেখানে করোনা-বিধি মানা হচ্ছে না। কাকতালীয় হলেও তিনটিই বিরোধী দল বা জোট শাসিত রাজ্য। অথচ, হরিদ্বারে যে এই ভাবে করোনা বিধি শিকেয় তুলে লাখো মানুষ কুম্ভ মেলায় জড়ো হয়েছেন, তা নিয়ে কেন্দ্র কিছু বলছে না।
স্বাস্থ্য মন্ত্রক জানিয়েছে, ২৪ ঘণ্টায়  ২৯ লাখ ৩৩ হাজার মানুষকে ভ্যাকসিন দেয়া হয়েছে। তবে অনেকগুলি রাজ্যই অভিযোগ করেছে, তাদের হাতে যথেষ্ট সংখ্যায় ভ্যাকসিন নেই। কারো হাতে দুই দিনের, কারো হাতে তিনদিনের মতো ভ্যাকসিন মজুত আছে। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী কেজরিওয়াল জানিয়েছেন, তাদের হাতে সাত দিনের মতো ভ্যাকসিন আছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক অবশ্য জানিয়েছে, ভ্যাকসিনের কোনো অভাব নেই। সব রাজ্যের কাছে তা পৌঁছে দেয়া হবে।

তবে এর মধ্যেই কেন্দ্রীয় সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, রেমডেসিভির আর বিদেশে পাঠানো যাবে না। কারণ, দেশের মধ্যে এর চাহিদা এখন আকাশছোঁয়া। মহারাষ্ট্রে তা পাওয়া যাচ্ছে না। তাই এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

জিএইচ/এসজি (পিটিআই, এনডিটিভি)

সংশ্লিষ্ট বিষয়