করোনায় হুমকিতে একটি প্রজন্ম, ইউনিসেফের হুঁশিয়ারি | বিশ্ব | DW | 19.11.2020
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

করোনা সংকট

করোনায় হুমকিতে একটি প্রজন্ম, ইউনিসেফের হুঁশিয়ারি

একদিকে চাপ বাড়ছে স্বাস্থ্যসেবায়, অন্যদিকে বেড়ে চলেছে দারিদ্র্য৷ জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ বলছে, এর ফলে সবচেয়ে ঝুঁকিতে রয়েছে শিশুরা৷

বিশ্বজুড়ে কোভিড-১৯ মহামারি শিশুদের স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও শিক্ষায় ‘অপূরণীয় ক্ষতিসাধন’ করতে পারে বলে মনে করে ইউনিসেফ৷ এজন্য বিভিন্ন দেশের সরকারকে শিশুদের দিকে বিশেষ নজর রাখার আহ্বানও জানিয়েছে সংস্থাটি৷

ইউনিসেফের নির্বাহী পরিচালক হেনরিয়েটা ফোরে বলেছেন, ‘‘গুরুত্বপূর্ণ সেবাগুলো থমকে যাওয়া এবং দারিদ্র্য বাড়তে থাকায় সবচেয়ে বড় সমস্যায় পড়েছে শিশুরা৷ এই সংকট যত দীর্ঘায়িত হবে শিশুদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও সার্বিক উন্নয়নে তত বেশি প্রভাব পড়বে৷ একটি প্রজন্মের ভবিষ্যত হুমকিতে পড়ছে৷’’

শিশুমৃত্যু বাড়তে পারে অন্তত ২০ লাখ

১৪০টি দেশের ওপর চালানো জরিপ নিয়ে প্রকাশ করা ইউনিসেফের নতুন এই প্রতিবেদন বলছে এক-তৃতীয়াংশ দেশই স্বাস্থ্যসেবা অন্তত ১০ শতাংশ কমে গিয়েছে৷ এর মধ্যে রয়েছে টিকাদান কর্মসূচি এবং মাতৃস্বাস্থ্যসেবা৷

স্বাস্থ্যসেবার এমন অবনতির পাশাপাশি শিশুদের অপুষ্টিও বড় হুমকি হয়ে দেখা দিয়েছে৷ সব মিলিয়ে শিশুমৃত্যু ২০ লাখ বেড়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করেছে জাতিসংঘের এই সংস্থাটি৷ এছাড়া আরো দুই লাখ মৃত সন্তান প্রসবের ঘটনাও ঘটতে পারে বলে শঙ্কা ইউনিসেফের৷

মহামারির ফলে ১৩৫টি দেশে নারী ও শিশুর পুষ্টি সংক্রান্ত কার্যক্রম ৪০ শতাংশ কমে গেছে বলে প্রতিবেদনে জানিয়েছে ইউনিসেফ৷ অক্টোবরের সবশেষ তথ্য বলছে বিশ্বজুড়ে সাড়ে ২৬ কোটি শিশু স্কুলের খাবার পাচ্ছে না৷

পাশাপাশি পাঁচ বছরের কম বয়সি ২৫ কোটি শিশু ভিটামিন এ কর্মসূচি থেকে বঞ্চিত হচ্ছে৷ ইউনিসেফ জানিয়েছে, স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে ৬০-৭০ লাখ বেশি শিশু তীব্র অপুষ্টির শিকার হতে পারে৷

স্কুল বন্ধ থাকায় ৩৩ শতাংশ শিশুই নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি৷ শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, বাসস্থান, পুষ্টি, নিরাপদ পানির অভাবে থাকা শিশুর সংখ্যা বাড়তে পারে ১৫ শতাংশ৷

সহায়তার আহ্বান

এই সংকট থেকে বাঁচতে ছয়টি পরামর্শ দিয়েছে জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ৷ সরকারগুলোকে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ডিজিটাল বৈষম্য দূর করার আহ্বান জানানো হয়েছে৷ পুষ্টি, স্বাস্থ্যসেবা ও টিকা সহজলভ্য করা, শিশুর মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যের দিকে নজর দেয়া এবং নারীর প্রতি সহিংসতা বন্ধের দিকে বেশি নজর দেয়ারও পরামর্শ সংস্থাটির৷

সংঘাতপ্রবণ এলাকায় শিশুদের বিশেষ সহায়তা এবং শিশুদের দারিদ্র্য দূর করতে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের পরামর্শও দেয়া হয়েছে প্রতিবেদনে৷

অঙ্কিতা মুখোপাধ্যায়/এডিকে

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন