করোনায় সচেতনতা ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন | আলাপ | DW | 13.03.2020
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ

করোনায় সচেতনতা ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন

তিনজন শনাক্ত হওয়ার পর  বাংলাদেশে করোনা পরিস্থিতি দ্রুত পাল্টাতে শুরু করে৷ সাধারণ মানুষের প্রাত্যহিক কাজকর্ম থেকে শুরু করে রাষ্ট্রীয় পর্যায়েও পরিবর্তনের প্রভাব স্পষ্ট৷

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

করোনার প্রভাব যেমন অর্থনীতিতে আছে, তেমনি আছে স্বাস্থ্য সেবা ও ব্যবসায়৷ সচেতনতার জন্য নানা উদ্যোগের কথা বলা হচ্ছে৷ বলা হচ্ছে কার্যকর ব্যবস্থার কথা৷ কিন্তু এত আয়োজনের মাঝেও আছে বিভ্রান্তি৷ আছে ‘অতি সচেতনতার’ বাড়াবাড়ি৷

কিন্তু অতি প্রয়োজনীয় হলেও বিদেশ থেকে আসা অনেকেই সেল্ফ কোয়ারেন্টাইন ব্যবস্থা মানতে চাইছেন না৷ এ কারণে পরিস্থিতি জটিল হতে পারে৷ তাই জেল-জরিমানার কথাও বলছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর৷ তবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও প্রস্ততি নিয়েও প্রশ্ন আছে৷

প্রস্তুতিতে পিছিয়ে বাংলাদেশ

করোনা বাংলাদেশে বড় আকারে আলোচনায় আসে যখন চীনের উহানে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা আটকে পড়েন৷ তখন তাদের ফিরিয়ে আনার দাবি ওঠে৷ আর ফিরিয়ে আনাও হয়৷ গত ১ ফেব্রুয়ারি চীনের উহান সিটি থেকে বিশেষ বিমানে করে ৩১২ জন বাংলাদেশি নাগরিককে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়৷ তাদের ১৪ দিন রাখা হয় আশকোনা হজ ক্যাম্পে৷ তাদের কেউই করোনায় অক্রান্ত ছিলেন না৷ফলে প্রত্যেকেই ফিরে গেছেন বাড়িতে৷

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিদেশ থেকে আসা যাত্রীদের স্ক্রিনিং শুরু হয় ২১ জানুয়ারি ৷ আর চীনে প্রথম করোনা শনাক্ত হয় ৩১ ডিসেম্বর৷

স্ক্রিনিংয়ের শুরুকে শুধু চীন থেকে আসা যাত্রীদেরই এর আওতায় নেয়া হয়৷ পরে সব যাত্রীকেও নেয়া হয় এর আওতায়৷ এখন সব বিমানবন্দর এবং স্থল বন্দরেই স্ক্রিনিং করা হচ্ছে বলে সরকারের দাবি৷ তবে বাস্তবে তার প্রমাণ মেলে না৷ কারণ, বিদেশ থেকে আসা কেউ কেউ স্ক্রিনিং ছাড়াই দেশে ঢুকে যাচ্ছেন৷ এলাকায় গিয়ে ঘুরছেন৷ স্থানীয় লোকজন আবার সেই কথা জেনে পুলিশে খবর দিচ্ছেন৷ 

অডিও শুনুন 03:05

‘বিশেষ ব্যবস্থাপনায় কোয়ারেন্টাইনের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন৷’

মানা হচ্ছে না সেল্ফ কোয়ান্টোইন নীতি

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহেদ মালেক বৃহস্পতিবারও বিদেশ থেকে আসা সবাইকে ১৪ দিন সেল্ফ কোয়ারেন্টাইনে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন৷  জাতীয় রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)  আগেই এই আহ্বান জানিয়েছে৷ বৃহস্পতিবার তারা দেশে ফেরা সবাইকে যতটা সম্ভব নিজের অবস্থানে থাকার আহ্বান জানিয়েছে৷  এমনকি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও বৃহস্পতিবার বিদেশ ফেরতদের নিজ উদ্যোগে কোয়ারেন্টাইনে থাকতে বলেছেন৷

বৃহস্পতিবার সংক্রামক ব্যাধি এবং এ সংক্রান্ত আইন ও নীতিমালা নিয়ে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়৷  তবে বলা হয়েছে, সংক্রামক ব্যাধির তথ্য গোপন করলে ২ মাসের কারাদণ্ড হতে পারে৷

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিদেশ থেকে আসা কিছু প্রবাসী বা তাদের সংর্স্পশে যারা আসছেন, তারা কোয়ারেন্টাইনের শর্ত সঠিকভাবে মানছেন না৷ অনেকেই মিথ্যা ও গুজব রটিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন৷ অধিদপ্তর তাদের সবাইকে আইন অনুযায়ী এবং সংক্রামক রোগ প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল আইন ২০১৮-এর শর্ত পালন করার অনুরোধ করছে, এর ব্যত্যয় হলে শাস্তিমূলক ধারা প্রয়োগ করা হবে৷

যদি কেউ সংক্রামক রোগ সর্ম্পকে মিথ্যা বা ভুল তথ্য দেয়, তাহলে সেটি অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে৷ আর তার জন্য দুই মাসের কারাদণ্ড বা ২৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন৷

জেলায় জেলায় সিভিল সার্জন এবং প্রশাসন এখন বিদেশ থেকে যারা আসছেন তাদের খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন৷ যাকেই পাচ্ছেন সেল্ফ কোয়ারেন্টাইনে পাঠাচ্ছেন৷ কিন্তু অনেকেই এটা এড়িয়ে যেতে চাইছেন, যা বড় ধরণের সংকট তৈরি করতে পারে৷

আরো নিবিড় কোয়ারেন্টাইন প্রয়োজন

আইইডিসিআর-এর সাবেক পরিচালক ডা. মাহমুদুর রহমান মনে করেন, শুধু সেল্ফ কোয়ারেন্টাইন নয়, আরো নিবিড় কোয়ারেন্টাইন প্রয়োজন৷  তিনি বলেন, ‘‘সেল্ফ কোয়ারেন্টাইন ব্যক্তি বা তার পরিবারের সদস্যদের সদিচ্ছার ওপর নির্ভর করে৷ তাই এটা তদারকি করা প্রয়োজন৷ এখন প্রশ্ন হলো, এটার সক্ষমতা এবং নেটওয়ার্ক আমাদের আছে কিনা৷’’ তিনি মনে করেন, ব্যক্তির ইচ্ছার ওপর ছেড়ে না দিয়ে প্রয়োজনে বিশেষ ব্যবস্থাপনায় কোয়ারেন্টাইনের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন৷

সবাইকে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘‘কোয়ারেন্টাইন করা হয় পর্যবেক্ষণের জন্য৷ যারা করোনায় আক্রান্ত দেশ ও এলাকা থেকে এসেছেন, তা জানতেই কোয়ারেন্টাইন৷ এটা সফল না হলে করোনা ছড়িয়ে পড়বে৷ আর আইসোলেশন হলো পরের ধাপ৷ কেউ আক্রান্ত হলে হাসপাতালে তাকে আইসোলেশনে নেয়া হয়৷’’ 

কত যাত্রীকে স্ক্রিনিং করা হয়েছে

বাংলাদেশের স্থল ও বিমান বন্দরে ২১ জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত মোট পাঁচ লাখ ৬৬ হাজার ৯১৩ জন যাত্রীকে স্ক্রিনিং করা হয়েছে৷ আর বৃহস্পতিবার করা হয়েছে ১৪ হাজার ১৭৬ জনকে৷ এই সংখ্যা এই সময়ে বিদেশ থেকে আসা মোট লোকজনের তুলনায় অনেক কম৷

 আর শুধুমাত্র শাহজালাল বিমান বন্দরে স্ক্রিনিংয়ের জন্য থার্মাল স্ক্যানার থাকলেও তা এখন নষ্ট৷

হটলাইনে কল বাড়ছে হাজার গুন

আইইডিসিআর-এর ১৭টি হটলাইন এখন করোনা সংক্রান্ত তথ্য গ্রহণ এবং সহায়তার জন্য কাজ করছে৷ করোনা রোগী শনাক্ত হওয়ার পর গত কয়েকদিনে হটলাইনে কলের সংখ্যা  হাজার গুনেরও বেশি আসছে৷ আগে যেখানে দিনে করোনা সংক্রান্ত সর্বোচ্চ ২০০ কল আসতো, বৃহস্পতিবার কল সেরকম এসেছে চার হাজার ৩২৯টি৷ 

বাংলাদেশে করোনা পরিস্থিতি

বৃহস্পতিবার জাতীয় রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান ( আইইডিসিআর) তাদের সর্বশেষ ব্রিফিংয়ে জানিয়েছে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে আইসোলেশনে আছেন ১০ জন৷  আর কোয়ারেন্টাইনে আছেন চারজন৷

করোনা আক্রান্ত ৩ জনের মধ্যে ২ জন সুস্থ আছেন৷ তাদের পরপর দু'টি পরীক্ষায় করোনা পাওয়া যায়নি৷ এদের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিরাও কোয়ারেন্টাইনে ভালো আছেন৷

সিঙ্গাপুর, আরব আমিরাত, ইটালি ছাড়া অন্য কোনো দেশে এখনো পর্যন্ত কোনো প্রবাসী বাংলাদেশি করোনায় আক্রান্ত হননি৷ সিঙ্গাপুরে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন বাংলাদেশি রোগীর অবস্থার উন্নতি হয়নি৷ দিল্লিতে উহান থেকে আগত ২৩ জন বাংলাদেশি নাগরিক দিল্লি মহানগরি থেকে ৪০ মাইল দূরে একটি কোয়ারেন্টাইনে আছেন৷

এ পর্যন্ত করোনার ১৬৩টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে৷ বৃহস্পতিবার একদিনে পরীক্ষা করা হয়েছে ১৬টি নমুনা৷

চিকিৎসার প্রস্তুতি

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, করোনার চিকিৎসার জন্য ঢাকা মহানগরীর ৬টি হাসপাতালে ৪০০ শয্যা, চট্টগ্রাম মহানগরীতে ২টি হাসপাতালে ১৫০ শয্যা, সিলেট মহানগরীতে ২টি হাসপাতালে ২০০ শয্যা, বরিশাল মহানগরীতে ২টি হাসপাতালে ৪০০ শয্যা এবং রংপুর মহানগরীতে ২টি হাসপাতালে ২০০ শয্যা কোভিড-১৯ সংক্রমিত ব্যক্তিদের আইসোলেশনের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে৷

মাস্ক ও স্যানিটাইজার

বাংলাদেশে এখন মাস্ক ও স্যানিটাইজারের রমরমা ব্যবসা চলছে৷ সাধারণ মানুষ করোনা থেকে বাঁচতে বিভিন্ন ধরনের মাস্ককে উপায় হিসেবে বিবেচনা করছেন৷ আর হাত পরিষ্কার রাখার জন্য সানিটাইজার৷ মাস্কের ব্যাপক চাহিদার মুখে অসাধু ব্যবসায়ীরা ৩০ টাকার মাস্ক ৫০০ টাকায় বিক্রি করেন৷ তা-ও আবার পাওয়া কঠিন হয়ে যায়৷ ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযানে নেমে গোডাউন থেকেও মাস্ক উদ্ধার করে৷ সরকার এখন মাস্কের দাম সর্বোচ্চ ৩০ টাকা বেঁধে দিয়েছে৷ আর বেঁধে দিয়েছে স্যনিটাইজারের দামও৷ তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন যারা সুস্থ তাদের মাস্ক ব্যবহারের প্রয়োজন নেই৷ করোনায় আক্রান্তদের এবং তাদের চিকিৎসায় নিয়োজিতদের মাস্ক দরকার৷ আর হ্যান্ড ওয়াশ বা সাবান দিয়ে ২০ সেকেন্ড সময় নিয়ে হাত ধুলেই হবে৷

আইইডিসিআর-এর প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. এ এস এম আলমগীর জানান, ‘‘মাস্ক নিয়ে বিভ্রান্ত হচ্ছেন অনেকেই৷ করোনা থেকে রক্ষা পেতে সুস্থ মানুষের জন্য মাস্কের কোনো প্রয়োজন নেই৷ তবে কেউ যদি ধুলোবালি থেকে রক্ষা পেতে মাস্ক পরতে চান, সেটা আলাদা কথা৷ আর গ্লিসারিন নেই এমন যেকোনো সাবান ও ডিটারজেন্ট দিয়ে হাত ধুলেই জীবাণুমুক্ত ও ভাইরাসমুক্ত থাকা যায়৷ 

অডিও শুনুন 04:15

‘সুস্থ মানুষের জন্য মাস্কের কোনো প্রয়োজন নেই’

বিচ্ছিন্ন হচ্ছে বাংলাদেশ?

এরইমধ্যে কয়েকটি দেশ তাদের দেশে বাংলাদেশিদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে৷ এর মধ্যে রয়েছে সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত ও মালদ্বীপ৷ ৯ মার্চ বাংলাদেশসহ ১৪ দেশের নাগরিকদের কাতারে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ৷একই দিনে মালদ্বীপ সিভিল এভিয়েশন অথরিটি জানিয়েছে, ১৪ দিনের মধ্যে বাংলাদেশ ভ্রমণের ইতিহাস থাকা কাউকে মালদ্বীপে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না৷ ৭ মার্চ কুয়েত তাদের দেশে বাংলাদেশিদের এক সপ্তাহের জন্য বিমান চলাচল স্থগিত করেছে৷ বাংলাদেশ ফ্লাইট পরিচালনা করে কুয়েত এয়ারলাইন্স৷ এ এয়ারলাইন্সটি বাংলাদেশ, মিসর, লেবানন, সিরিয়া, ফিলিপাইন্স ও শ্রীলংকায় ফ্লাইট পরিচালনা স্থগিত করেছে৷  ২৭ ফেব্রুয়ারি বিদেশিদের ওমরাহ পালনে বন্ধ করে দেয় সৌদি আরব৷

এদিকে ভারত ১৫ মার্চ থেকে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত এক মাস সাধারণ ভিসা দেবে না৷ আগে দেয়া ভিসা বাতিল করবে৷ তাই ভারতের সাথে বিমান যোগাযোগ বন্ধ হচ্ছে৷ বন্ধ হচ্ছে সড়ক ও রেল যোগাযোগ৷

অর্থনীতিতে বিরূপ প্রভাব, প্রভাব সবখানে

করোনার নেতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে অর্থনীতি, ব্যবসা ও সমাজ জীবনে৷ বিশেষ করে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে পোশাক শিল্প৷ কারণ, কাঁচামালেও জন্য চীনের ওপর নির্ভরশীলতা৷ শেয়ার বাজারে ধস নেমেছে৷ এরই মধ্যে রাস্তাঘাটে মানুষের উপস্থিতি কমতে শুরু করেছে৷ শপিংমলে ভিড় কমছে৷ স্কুল কলেজ বন্ধ না হলেও অ্যাসেম্বলি ও খেলাধুলা বন্ধ করা হয়েছে৷ আন্তর্জাতিক বিভিন্ন টুর্নামেন্ট বাতিল হয়েছে৷ আর মুজিববর্ষে ১৭ মার্চে প্যারেড গ্রাউন্ডে সবচেয়ে বড় অনুষ্ঠান হচ্ছে না৷ আসছেন না নরেন্দ্র মোদীসহ বিদেশি মেহমানরা৷ আর প্রস্তুতি নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক বিতর্ক৷

প্রয়োজন সমন্বিত ও ঐক্যবদ্ধ প্রস্তুতি

আইইডিসিআর-এর সাবেক পরিচালক ডা. মাহমুদুর রহমান মনে করেন, করোনার বিরুদ্ধে সার্বিক এবং সমন্বিত প্রস্তুতিতে ঘাটতি আছে৷ ঘাটতি আছে প্রশাসনিক, চিকিকৎসাসহ সার্বিক প্রস্তুতিতে৷ তিনি বলেন, ‘‘এর জন্য যে বিভিন্ন কমিটি করা হয়েছে তাতে বিশেষজ্ঞ পর্যায়ের সবাইকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি৷ টেকনিক্যাল কমিটিগুলোও ঠিকমতো হয়নি৷ এখানে সেনাবাহিনী ও পুলিশসহ আরো অনেক প্রতিষ্ঠানকে রাখা প্রয়োজন৷ আর সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে করোনাকে মোকাবেলা করতে হবে৷’’

তিনি জানান, ‘‘এর আগে এভিয়েন ফ্লু, সোয়াইন ফ্লু বা মার্স করোনা ভাইরাস সফলভাবে মোকাবেলা করেছি৷ কারণ, আমাদের সমন্বিত উদ্যোগ ছিল টেকনিক্যাল কমিটিগুলোতে প্রয়োজনীয় লোকজন ছিল৷’’ 

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়