করোনায় জার্মানিতে আত্মহত্যার হার বাড়েনি | বিশ্ব | DW | 03.06.2020
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

জার্মানি

করোনায় জার্মানিতে আত্মহত্যার হার বাড়েনি

সামাজিক দূরত্ব ও একাকীত্বের কারণে লকডাউনে জার্মানিতে আত্মহত্যার হার বাড়ার আশঙ্কা করেছিলো অনেকেই, পরিসংখ্যান বলছে তা বাড়েনি৷ তবে মানসিক স্বাস্থ্য এখনও উদ্বেগজনক৷

মার্চ মাসের শুরুতে জার্মান মনোরোগ অ্যাসোসিয়েশন, সাইকোথেরাপি এবং নিউরোজলি সোসাইটি, করোনা মাহামারির মারাত্মক পরিণতি সম্পর্কে সতর্ক করেছিলো৷ স্যোশাল ডিসট্যান্সিং, আর্থিক উদ্বেগ এবং নিয়মিত থেরাপিতে না যেতে পারার কারণে জার্মানিতে আত্মহত্যার হার আরো বাড়তে পারে বলে মনোরোগ বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করেছিলো৷

তবে মে মাসে শুরুতে করা এক  পরিসংখ্যান থেকে জানা যায় জার্মানির সাতটি অঙ্গরাজ্যে আত্মহত্যার হার বাড়েনি৷ বরং করোনাকালীন সময়ে জার্মানির নর্থরাইন ওয়েস্টফালিয়া রাজ্যে গত বছরের তুলনায় শতকরা ২০ ভাগ আত্মহত্যার হার কমেছে৷ তথ্যটি প্রকাশ করে আউগ্সবুর্গার আলগেমাইনে পত্রিকা ৷

জার্মান ডিপ্রেশন লীগের উপ প্রধান থোমাস ফয়েগ্ট ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘আমরা নিজেরাই অবাক হয়েছি যে এই করোনার সংকটে রোগীদের সাহায্য ও পরামর্শের চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে কিন্তু ফল হয়েছে উল্টো, যা একটি প্যারাডক্স৷’’

 তিনি জানান, ডিপ্রেশন রোগীদের যে সাহায্যের প্রয়োজন ছিলোনা তা নয়! করোনাকালে ডাক্তারের কাছে যাওয়া বা কথা বলার জন্য যেরকম মানসিক শক্তির প্রয়োজন তা হয়তো তাদের ছিলোনা৷ তাছাড়া ডিপ্রেশনের রোগীরা সবসময় সরাসরি মানুষের সাথে কথা বলতে চায়, অনলাইন থেরাপিতে তারা তেমন স্বাচ্ছন্দবোধ করেনা৷

আত্মহত্যাকারীদের শতকরা ৯০ ভাগ হতাশা, পৃথিবীর সবকিছুর প্রতি নেতিবাচক মনোভাব এবং অন্যান্য মনোরোগজনিত অসুস্থতার কারণে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়৷ জার্মান ডিপ্রেশন এইড ফাউন্ডেশনের প্রধান উলরিশ হেগ্যার্ল ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘আমি যতদূর জানি, জার্মানিতে আত্মহত্যার হার যতটা কমেছে সে সংখ্যা এখনো বিবৃতি দেওয়ার জন্য যথেষ্ট নয়৷’’

এপ্রিলের শুরুতে জার্মানির হ্যানোভার মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩.৫৪৫ জন নিয়ে এক জরিপ করা হয়৷ অংশগ্রহণকারীদের অর্ধেকেরও বেশি জানায়, করোনাকালে তাদের মেজাজ আগের চেয়ে বেশি খিটখিটে আর শতকরা ২৯ জনের প্রতিক্রিয়া ছিলো খুবই অ্যাগ্রেসিভ৷

করোনাকালে স্যোশাল ডিসট্যান্সিং, বন্ধুবান্ধব ও আত্মীয় স্বজন ডিপ্রেশন রোগীদের দিকে সময়মতো সাহায্যে হাত বাড়িয়ে না দিলে পরিস্থিতে গুরুতর হতে পারে বলে গত এপ্রিল মাসে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উলরিশ হেগ্যার্ল সতর্ক করেছিলেন৷

বেন নাইট/এনএস

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন