করোনায় আক্রান্ত ডনাল্ড ও মেলানিয়া ট্রাম্প | বিশ্ব | DW | 02.10.2020

ডয়চে ভেলের নতুন ওয়েবসাইট ভিজিট করুন

dw.com এর বেটা সংস্করণ ভিজিট করুন৷ আমাদের কাজ এখনো শেষ হয়নি! আপনার মতামত সাইটটিকে আরো সমৃদ্ধ করতে পারে৷

  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

যুক্তরাষ্ট্র

করোনায় আক্রান্ত ডনাল্ড ও মেলানিয়া ট্রাম্প

ঘনিষ্ঠ এক কর্মকর্তা করোনায় আক্রান্ত হবার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ও তাঁর স্ত্রীর শরীরেও কোভিড-১৯ ধরা পড়লো৷ এতকাল করোনা ভাইরাসের হুমকি অবজ্ঞা করে এসে নিজেই আক্রান্ত হলেন ট্রাম্প৷

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ও তাঁর স্ত্রী মেলানিয়া করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন৷ শুক্রবার সকালে পরীক্ষার ফলাফল জানা গেছে৷ প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের এক মাস আগে এমন ঘটনা বাড়তি গুরুত্ব পাচ্ছে৷ ট্রাম্প নিজে এক টুইট বার্তায় এই খবর দিলেন৷ অবিলম্বে কোয়েরেন্টাইন ও আরোগ্য প্রক্রিয়া শুরুর ঘোষণা করেন তিনি৷

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা বৃহস্পতিবার সংবাদ সংস্থা এপি-কে জানিয়েছিলেন, যে ডনাল্ড ট্রাম্পের দীর্ঘদিনের উপদেষ্টা ও আস্থার পাত্র হোপ হিক্স বুধবার সন্ধ্যায় কোভিড-১৯-এর উপসর্গ টের পান৷ মিনেসোটা রাজ্যে ট্রাম্পের এক জনসভার পর তিনি তখন বিমানে ছিলেন৷ সেখানেই তাঁকে বাকি যাত্রীদের থেকে বিচ্ছিন্ন রাখা হয়৷ বৃহস্পতিবার পরীক্ষার ফল জানা যায়৷ এক টুইট বার্তায় ট্রাম্প নিজে সেই খবর দিয়ে জানান, যে হোপ হিক্স অক্লান্ত পরিশ্রম করে চলেছিলেন৷ ফলে ফার্স্ট লেডি ও তিনি পরীক্ষার ফল আসা পর্যন্ত কোয়ারেন্টাইন প্রক্রিয়া শুরু করছেন বলে তিনি জানিয়েছিলেন৷

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প শুরু থেকেই করোনা ভাইরাসের হুমকি লঘু করে দেখানোর চেষ্টা চালিয়ে এসেছেন৷ সমালোচকদের মতে, ঠিক সময়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিলে অ্যামেরিকার অনেক মানুষ সংক্রমণ ও মৃত্যু থেকে বাঁচতে পারতেন৷ নির্বাচনি প্রচারের সময়েও তিনি বড় জনসভা আয়োজন করেছেন, যেখানে মাস্ক পরা বা সামাজিক ব্যবধানের কোনো নির্দেশিকা ছিল না৷ এমনকি দুই প্রার্থীর মধ্যে প্রথম টেলিভিশন বিতর্কের সময়েও ট্রাম্প শিবিরের বেশিরভাগ সদস্যকে মাস্ক পরতে দেখা যায় নি৷ এবার প্রেসিডেন্ট ও ফার্স্ট লেডি করোনায় আক্রান্ত হলেন৷

করোনা পরীক্ষার নিশ্চিত ফলাফল পাওয়া পর্যন্ত ট্রাম্প বাস্তবে নিজেকে কতটা বিচ্ছিন্ন রাখবেন, সে বিষয়ে সংশয় দেখা যাচ্ছিল৷ কারণ তাঁর টুইট বার্তার কয়েক মিনিট পরেই হোয়াইট হাউস প্রেসিডেন্টের শুক্রবারের কর্মসূচি বিতরন করেছে৷ তাতে দেখা যাচ্ছে যে ট্রাম্প শুক্রবারই নিজের প্রচারের জন্য অর্থ সংগ্রহ করতে ওয়াশিংটনের এক হোটেলে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন এবং ফ্লোরিডা রাজ্যে এক রাজনৈতিক জনসভায় ভাষণ দেবেন৷ ফক্স নিউজের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প শুধু নিজেদের করোনা পরীক্ষার কথা জানিয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে স্পষ্ট কিছু বলেননি৷

প্রেসিডেন্টের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে যথেষ্ট সাবধানতা অবলম্বন করা হয়েছিল কিনা, সে বিষয়েও প্রশ্ন উঠছে৷ কবে ট্রাম্পের শেষ পরীক্ষা হয়েছিল, তিনি হিক্সের সঙ্গে গত কয়েক দিন কতটা সময় কাটিয়েছেন, বাকি কর্মকর্তাদেরও কোয়ারেন্টাইনে যেতে হচ্ছে কিনা, হোয়াইট হাউস এমন সব প্রশ্নের উত্তর দেয় নি৷ হিক্সের স্বাস্থ্য নিয়ে দুশ্চিন্তার কথা জানার পরেও ট্রাম্প কেন বৃহস্পতিবার নিউ জার্সিতে এক ফান্ডরেজার অনুষ্ঠানে যোগ দিলেন, সেই প্রশ্নেরও সদুত্তর পাওয়া যায় নি৷ প্রেসিডেন্ট ও তাঁর ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে সরকারি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা হয় বলে হোয়াইট হাউস দাবি করেছিল৷ প্রেসিডেন্টের ডাক্তার বলেছেন, যে করোনায় আক্রান্ত হওয়া সত্ত্বেও ট্রাম্প তাঁর কাজ চালিয়ে যাবেন৷

এসবি/এসিবি (রয়টার্স, এপি)

২০১৮ সালের জুলাইয়ের ছবিঘরটি দেখুন...

সংশ্লিষ্ট বিষয়