করোনার ফলে পুঁজিবাজারেও আতঙ্ক | বিশ্ব | DW | 25.02.2020

ডয়চে ভেলের নতুন ওয়েবসাইট ভিজিট করুন

dw.com এর বেটা সংস্করণ ভিজিট করুন৷ আমাদের কাজ এখনো শেষ হয়নি! আপনার মতামত সাইটটিকে আরো সমৃদ্ধ করতে পারে৷

  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

করোনা ভাইরাস

করোনার ফলে পুঁজিবাজারেও আতঙ্ক

গোটা বিশ্বে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ায় ব্যবসা-বাণিজ্য, উৎপাদন প্রক্রিয়া, পর্যটন ইত্যাদি খাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা বাড়ছে৷ ফলে পুঁজিবাজারে ধস নামছে৷ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা মহামারির আশঙ্কা উড়িয়ে দিচ্ছে না৷

চীন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, ইরান ও সিঙ্গাপুরের পর ইটালিতেও করোনা ভাইরাসে আক্রান্তদের সংখ্যা বাড়তে থাকায় আতঙ্কের সঙ্গে সঙ্গে বিশ্ব অর্থনীতির ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তাও বাড়ছে৷ সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া বন্ধ করতে চীনে যে সব কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তার ফলে কলকারখানা থেকে শুরু করে পুঁজিবাজার স্তব্ধ হয়ে গেছে৷ জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়াকেও বাধ্য হয়ে সেই পথেই অগ্রসর হতে হচ্ছে৷ ইটালির উত্তরে মিলান শহরকে ঘিরে প্রধান শিল্প-বাণিজ্য কেন্দ্রে অচলাবস্থা দেখা দেওয়ায় সে দেশের দুর্বল অর্থনীতির উন্নতির সম্ভাবনা বড় ধাক্কা খাচ্ছে৷ মোটকথা বিশাল পরিমাণ আমদানি-রপ্তানির উপর নির্ভরশীল বিশ্ব অর্থনীতির ছন্দ অনেকটাই বিঘ্নিত হয়েছে৷

এমন প্রেক্ষাপটে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে পুঁজিবাজারে সোমবার ধস নেমেছে৷ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, জার্মানি, ইটালি ইত্যাদি কিছু দেশে সূচক আচমকা নেমে গেছে৷ বিনিয়োগকারীরা বর্তমান পরিস্থিতিতে মুনাফার আশা দেখছেন না৷ শিল্পক্ষেত্রে মন্দার পাশাপাশি বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটনের ক্ষেত্রেও ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা দেখা যাচ্ছে৷ ফলে জার্মানির বিমান সংস্থা লুফটহানসার মতো বিমান সংস্থার শেয়ারের মূল্য কমে গেছে৷ বোয়িং কোম্পানি আরও লোকসানের আশঙ্কা করছে৷ এমনকি পেট্রোলিয়ামের মূল্যের উপর চাপ সৃষ্টি হচ্ছে৷ গাড়ি বা স্মার্টফোনের মতো পণ্যের উৎপাদনের ক্ষেত্রে একাদিক দেশের মধ্যে যন্ত্রাংশের আদানপ্রদানের যে প্রণালী রয়েছে, সেই প্রক্রিয়ায় ব্যাপক বিঘ্ন দেখা যাচ্ছে৷

এর মধ্যে সোমবার চীন জানিয়েছে, যে গত দুই সপ্তাহ পর করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা এই প্রথম কমতে শুরু করেছে৷ সে দেশের এক স্বাস্থ্য কর্মকর্তা পূর্ববাণী করে বলেছেন, সম্ভবত এপ্রিল মাসের মধ্যে এই সংকট কেটে যাবে৷ তবে এমন ইতিবাচক প্রত্যাশা নিয়ে চীনের মধ্যেই যথেষ্ট সংশয় রয়েছে৷

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এখনো মহামারির আশঙ্কা উড়িয়ে দিচ্ছে না৷ এমনকি করোনা ভাইরাসের প্রসারকে সন্ত্রাসবাদের হুমকির সঙ্গে তুলনা করেছে ডাব্লিউএইচও৷ ভাইরাসের প্রসারের গতি বর্তমানে কিছুটা কমে গেলেও যে কোনো পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকার পরামর্শ দিয়েছে জাতিসংঘের এই সংস্থা৷ সব দেশ এমন পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত কিনা, তা নিয়েও সংশয় প্রকাশ করেছে ডাব্লিউএইচও৷ করোনা ভাইরাসের প্রসার রুখতে গবেষণা ও উদ্ভাবন সংক্রান্ত দুই দিনের আলোচনার পর এই সমস্যার সমাধানের লক্ষ্যে উদ্যোগ আরও জোরালো হবে বলে আশা করা হচ্ছে৷ তবে চটজলদি কোনো ওষুধ বা টিকা আবিষ্কারের আশা দেখা যাচ্ছে না৷

এসবি/কেএম (ডিপিএ, রয়টার্স)

সংশ্লিষ্ট বিষয়