করোনার টিকা বিক্রি করে সেকেন্ডে লাভ হাজার ডলার | বিশ্ব | DW | 17.11.2021
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বিশ্ব

করোনার টিকা বিক্রি করে সেকেন্ডে লাভ হাজার ডলার

প্রতি সেকেন্ডে এক হাজার ডলার লাভ করছে করোনার টিকা প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলি। আর গরিব দেশের মাত্র দুই শতাংশ মানুষ টিকা পেয়েছেন।

ভ্যাকসিন বিক্রি করে প্রচুর লাভ করছে প্রস্তুতকারকরা।

ভ্যাকসিন বিক্রি করে প্রচুর লাভ করছে প্রস্তুতকারকরা।

ছবিটা ভয়ংকর। করোনার টিকা ধনী দেশের কাছে বিক্রি করে ফাইজার, বায়োনটেক, মডার্না প্রতি সেকেন্ডে এক হাজার ডলার লাভ করছে। প্রতিদিন তাদের সম্মিলিত লাভের পরিমাণ ৯ কোটি ৩৫ লাখ ডলারের মতো। পিপলস ভ্যাকসিন অ্যালায়েন্স (পিভিএ) নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা এই হিসাব দিয়েছে। তার পাশাপাশি তারা জানিয়েছে, ধনী দেশগুলি যখন অঢেল ভ্যাকসিন কিনে টিকা প্রস্তুতকারকদের লাভবান করছে, তখন গরিব দেশের মাত্র দুই শতাংশ মানুষ টিকা পেয়েছেন।

পিভিএ টিকা প্রস্তুতকারক কোম্পানিগুলির আয়ের রিপোর্ট বিশ্লেষণ করে তদের এই বিপুল লাভের কথা জানিয়েছে। অথচ, এই কোম্পানিগুলি শয়ে শয়ে কোটি টাকার সরকারি সাহায্যও পেয়েছে। বিভিন্ন সংস্থা ও ব্যক্তি তাদের অনুরোধ করেছিল যে, তারা যেন গরিব দেশগুলিকে প্রযুক্তি হস্তান্তর করে। তাহলে লাখ লাখ মানুষকে বাঁচানো সম্ভব হবে। সেই অনুরোধে কান দেয়নি এই কোম্পানিগুলি।

ওই কোম্পানিগুলির তুলনায় অ্যাস্ট্রাজেনেকা ও জনসন অ্যান্ড জনসনের মনোভাব একেবারেই আলাদা। তারা লাভ ছাড়াই ভ্যাকসিন বিক্রি করেছে। তবে তারাও এখন জানিয়েছে, করোনার প্রকোপ কমেছে। তাই তারা নীতিবদলের কথা ভাবছে।

পিভিএ-তে অক্সফার্ম, ইউএনএইডস, আফ্রিকান অ্যালায়েন্সেও সামিল হয়েছে। তারা দাবি করেছিল, কোভিড ১৯ ভ্যাকসিনের ক্ষেত্রে ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি রাইটস বা মেধাসত্ত্ব অধিকার বাতিল করা হোক। কিন্তু জার্মানি ও যুক্তরাজ্য তাতে রাজি হয়নি। 

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বারবার বলছেন, সব দেশের করোনা মোকাবিলার উপর সমান জোর দিতে হবে। কিন্তু ধনী ও গরিব দেশগুলির এই ছবিই বুঝিয়ে দিচ্ছে, বাস্তবে তা হচ্ছে না।

বিশ্ব স্বাস্থ্যসংস্থার মতে

বিশ্ব স্বাস্থ্যসংস্থা জানিয়েছে, এখন যে করোনা হচ্ছে, তার ৯৯ দশমিক পাঁচ শতাংশের ক্ষেত্রে ডেল্টা প্রজাতির করোনা ভাইরাস দায়ী। সারা বিশ্বের ছবি এক। করোনার অন্য ভাইরাসকে পিছনে ফেলে ডেল্টাই মারাত্মক হয়ে উঠেছে। 

একমাত্র দক্ষিণ অ্যামেরিকাতে গামা, লাম্বডা ও মু প্রজাতির ভাইরাসে মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন। সেটা বাদ দিলে বাকি সব দেশে ডেল্টারই তাণ্ডব চলছে।

জিএইচ/এসজি(এপি, এফপি, রয়টার্স)

সংশ্লিষ্ট বিষয়