করোনার টিকাছাড়াদের জার্মানিতে প্রবেশে কড়াকড়ি | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 01.08.2021
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

জার্মানি

করোনার টিকাছাড়াদের জার্মানিতে প্রবেশে কড়াকড়ি

করোনার টিকা নেওয়া না থাকলে জার্মানিতে প্রবেশের ক্ষেত্রে নেগেটিভ সনদ অথবা করোনা থেকে সেরে ওঠার প্রমাণ দেখাতে হবে৷ রোববার থেকে এই নিয়ম কার্যকর করেছে দেশটি৷

বিদেশ থেকে ফেরা যাত্রীদের মধ্যে করোনা সংক্রমণের হার বেড়ে চলায় ও ডেলটা ভেরিয়েন্টের বিষয়ে সতর্কতার অংশ হিসেবে  ১ আগস্ট থেকে নতুন এ নিয়ম চালু করেছে জার্মানি৷ ১২ বছর ও তার বেশি বয়সিদের জন্য করোনার পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে৷ তবে টিকা নেওয়ার অথবা করোনা থেকে সেরে উঠার প্রমাণ দেখালে এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে না৷ সেই সঙ্গে ট্রানজিট বা আন্তঃসীমান্ত যাতায়তকারীরাও এই বাধ্যবাধকতার বাইরে থাকবেন৷

পরীক্ষার ক্ষেত্রে জার্মানিতে প্রবেশের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে করা রেপিড টেস্ট অথবা ৭২ ঘণ্টার মধ্যে করা পিসিআর টেস্ট বিবেচনায় নেয়া হবে৷ তবে ‘ভাইরাস ভ্যারিয়েন্ট'-এর তালিকায় থাকা দেশ থেকে আগতদের রেপিড টেস্ট হতে হবে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে৷ এর আগে বিমানে করে জার্মানিতে আসাদের ক্ষেত্রে এমন বাধ্যবাধকতা থাকলেও সড়ক বা সমুদ্রপথে আগতদের ক্ষেত্রে বর্তমান নিয়মটি কার্যকর করা হয়েছে৷

জার্মানির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হর্স্ট সেহোফার নতুন নিয়মের ক্ষেত্রে অব্যাহতভাবে নজরদারি চালানো ও অমান্যকারীদের বড় ধরনের জরিমানার করা হবে বলে সতর্ক করেছেন৷ দেশটির ট্যাবলয়েড সংবাদমাধ্যম ‘বিল্ড আম সনটাগ'-কে তিনি বলেন, যিনিই জার্মানিতে আসেন না কেন তাকে শর্তগুলো পূরণ করতে হবে৷

কারোনা নেগেটিভ সনদ না থাকলে তাকে থাকতে হবে বাধ্যতামূলক কোয়ারান্টিনে৷ ইউরোপের বাইরে থেকে আসা প্রত্যেক ব্যক্তিকেই বিমানবন্দর ও সমুদ্রবন্দরে নেগেটিভ সনদ দেখাতে হবে বলে জানান সেহোফার৷ অন্যদিকে সীমান্ত সড়কে জট এড়াতে যাত্রী অনিয়মিতভাবে পরীক্ষা করবে কর্তৃপক্ষ৷

বর্তমানে জার্মানিতে ৬১ শতাংশ মানুষ করোনার অন্তত একটি টিকা পেয়েছেন৷ পুরোপুরি টিকা নিয়েছেন ৫১ শতাংশ৷ সম্প্রতি দেশটিতে করোনার সংক্রমণ ঊর্ধ্বমূখী৷ রোববার ২০৯৭ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে যা আগের সপ্তাহের চেয়ে ৭১০ জন বেশি৷ সেই সঙ্গে সপ্তাহের হিসাবে প্রতি লাখ জনগোষ্ঠীর বিপরীতে গড় সংক্রমণ ১৬ দশমিক নয়জন থেকে বেড়ে ১৭ দশমিক পাঁচজন হয়েছে৷ তবে আক্রান্তের এই সংখ্যা এখনও প্রতিবেশী দেশ ফ্রান্স, স্পেন, নেদারল্যান্ডসের চেয়ে অনেক কম৷ যদিও ডেলটা ভেরিয়েন্ট ও গ্রীষ্মকালীন ভ্রমণ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে

এফএস/আরআর (ডিপিএ, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়