করোনায় ভয়াবহতম মাস পার করলো বাংলাদেশ | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 02.08.2021
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ

করোনায় ভয়াবহতম মাস পার করলো বাংলাদেশ

মহামারি শুরুর পর শনাক্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বিবেচনায় সদ্য শেষ হওয়া জুলাই মাসেই সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি দেখেছে বাংলাদেশ৷ আগস্ট মাসে আরো ভয়াবহ অবস্থার আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা৷

প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

ডয়চে ভেলের কন্টেন্ট পার্টনার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, জুলাই মাসে গত ১৬ মাসে কোভিডে মোট আক্রান্তের সংখ্যা এক-চতুর্থাংশের বেশি এবং মৃত্যুর সংখ্যা মোট মৃত্যুর এক-তৃতীয়াংশের বেশি ছিল৷

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া হিসাবে দেখা যায়, জুলাই মাসে ৩ লাখ ৩৬ হাজার ২২৬ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে এবং তাদের মধ্যে ৬ হাজার ১৮২ জন মারা গেছেন৷   ৩১ জুলাই পর্যন্ত দেশে করোনাভাইরাসের রোগী শনাক্ত হয়েছে মোট ১২ লাখ ৪৯ হাজার ৪৮৪ জন এবং এই মারা গেছেন মোট ২০ হাজার ৬৮৫ জন৷ অর্থাৎ মোট আক্রান্তের ২৬ দশমিক ৯১ শতাংশ এবং মোট মৃত্যুর ২৯ দশমিক ৮৭ শতাংশই ছিল জুলাই মাসে৷

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মুখপাত্র অধ্যাপক ডা. মো. নাজমুল ইসলাম স্বাস্থ্য বুলেটিনে বলেন, "আমরা সবচেয়ে কম সংখ্যক রোগী পেয়েছিলাম ফেব্রুয়ারি মাসে, এক হাজার ৭৭ জন৷ আর জুলাই মাসে সবচেয়ে বেশিসংখ্যক রোগী আক্রান্ত হতে দেখলো পুরো জাতি৷”

ডেল্টা ধরনের প্রভাবে এপ্রিলের পর থেকেই দেশে সংক্রমণ ও মৃত্যু বাড়তে শুরু করে৷ শনাক্ত ও মৃত্যুতে গত এপ্রিল ছিল সবচেয়ে ভয়াল৷ জুলাই মাসে সব রেকর্ড ভেঙে যায়৷

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত একদিনে করোনাভাইরাসের নমুনা সংগ্রহ, পরীক্ষা ও শনাক্তের সর্বোচ্চ সংখ্যা ছিল গত ২৮ জুলাই৷ সেদিন ৫৬ হাজার ১৫৭ নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা হয় ৫৩ হাজার ৮৭৭টি নমুনা৷ এর মধ্যে ১৬ হাজার ২৩০ জনের কোভিড শনাক্ত হয়৷ করোনাভাইরাসে দিনে এখন পর্যন্ত সর্বাধিক ২৫৮ জনের মৃত্যু হয়েছে গত ২৭ জুলাই৷

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, মহামারির ২৯তম সপ্তাহের (১৮ থেকে ২৪ জুলাই) চেয়ে ৩০তম সপ্তাহে নমুনা পরীক্ষা, শনাক্ত, সুস্থতা এবং মৃত্যু সবই বেড়েছে৷

কোরবানির ঈদ উপলক্ষে নয় দিনের শিথিল লকডাউনে চলাচল বেড়ে যাওয়ায় আগস্ট মাসে আরো ভয়াবহ অবস্থার আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা৷

শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. এবিএম মাকসুদুল আলম বলেন, "হাসপাতালের বেড সংখ্যা অনেক বেড়েছে কিন্তু আমরা যদি স্বাস্থ্যবিধি না মানি, মাস্ক না পরি, তাহলে এসব দিয়ে সংকুলান করা যাবে না৷ নিয়ম মেনে চললেই সংক্রমণ কমিয়ে আনা যাবে, নইলে আমরা অনিশ্চয়তার দিকে চলে যাব৷”

এনএস/এসিবি(বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়